জঙ্গি মদদদাতা ব্যারিস্টার আমিনুলকে গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রাজশাহী প্রকাশিত: আগস্ট ২১, ২০১৭, ০৫:২২ পিএম
জঙ্গি মদদদাতা ব্যারিস্টার আমিনুলকে গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম

রাজশাহী: জঙ্গির মদদদাতা হিসেবে অভিযুক্ত সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার আমিনুল হককে একমাসের মধ্যে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দিয়েছেন রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। 

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সাবেক ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও নাশকতা মামলার অভিযুক্ত তানোর পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমানকে এখন থেকে একমাসের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে বিচারের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। 

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তানোর উপজেলা আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ফারুক চৌধূরী এমপি আরও বলেন, জঙ্গি মদদদাতা ব্যারিষ্টার আমিনুল পলাতক ছিলো। তবে দেশে এসে আবারো জঙ্গিদের উসকে দিয়ে তানোর ও গোদাগাড়ীতে জঙ্গিবাদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে পুলিশ প্রশাসন তানোর গোদাগাড়ী থেকে দুর্ধর্ষ জঙ্গিদের আটক করেছে। এসব জঙ্গিরা আমিনুল হক ও মেয়র মিজানের পৃষ্টপোষকতায় রাজশাহী অঞ্চলে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।

তাদের ছত্রছায়ায় গা ঢাকা দেয়া জঙ্গিরা আবারো বোমা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করছে। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার আমিনুল হক জঙ্গি মদদ দেয়ার অপরাধে ৩১ বছর সাজাপ্রাপ্ত। তারপরও কিভাবে সে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। আগামী ১ মাসের মধ্যে ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও তার সহযোগী মেয়র মিজানকে গ্রেপ্তার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলে তানোর ও গোদাগাড়ীসহ রাজশাহীবাসী তাদেরকে দেশ ছাড়া করবে। 

এমপি ফারুক বলেন, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সব চাইতে বেশি লাভবান হয়েছিল জিয়াউর রহমান ও তার দল বিএনপি-জামায়াত। জামায়াত বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসার পর দেশে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে। সারাদেশে একযোগে সিরিজ বোমা হামলা চালায়।

জামায়াত বিএনপি ও জঙ্গিবাদ এক সুতোই গাথা। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর আমিনুল হক দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তিনি দেশে না থাকায় জঙ্গিরাও পালিয়েছিল। ব্যারিস্টার আমিনুল হক দেশে ফিরে আসার পর তার সৃষ্টি জঙ্গিরা এলাকায় আবারো মাথা চাড়া দিয়েছে। এখনও তিনি জঙ্গিবাদকে মদদ দিচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

তানোর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও কলমা ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সভাপতিত্বে অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, তানোর পৌর যুবলীগের সভাপতি রাজিব সরকার হিরো প্রমুখ। এর আগে ফারুক চৌধূরীর নেতৃত্বে বিশাল মিছিল বের করা হয়।

গোনিউজ২৪/পিআর

রাজনীতি বিভাগের আরো খবর