ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

সানিয়া-সোয়েব সুখী দাম্পত্যের রহস্য


গো নিউজ২৪ | স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২০, ১০:২৭ পিএম
সানিয়া-সোয়েব সুখী দাম্পত্যের রহস্য

২০১০ সালের কথা। শোয়েব মালিক আর সানিয়া মির্জা যখন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন, দুজনই ছিলেন নিজ নিজ দেশের অন্যতম সেরা দুই খেলোয়াড়। শোয়েব পাকিস্তানের ক্রিকেটে আর সানিয়া ভারতের টেনিসে এখনও বড় নাম।

এই তারকা দম্পত্তির বিয়ের দশ বছর পার হতে চলল। ২০১৮ সালের অক্টোবরে জন্ম নেয়া একমাত্র সন্তান ইজহানকে নিয়ে দারুণ সুখী সংসার তাদের।

এমন সুখী দাম্পত্যের রহস্য কি? সানিয়া জানালেন, দুজনের মধ্যে যে আর দশজন স্বামী-স্ত্রীর মতো কথা কাটাকাটি হয় না, তা না। তবে শোয়েবের কম কথা বলার স্বভাবটাই ঝগড়াটা আর বড় হতে দেয় না। পাকিস্তানি ক্রীড়া উপস্থাপক জয়নব আব্বাসের সঙ্গে আলাপচারিতায় নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে দুজনের সংসারের।

সানিয়া বলেন, ‘যখন আমরা কথা বলতে থাকি, সে খুব একটা বলে না। বিশেষ করে যখন আমাদের মধ্যে কোনো তর্কাতর্কি বা এমন কিছু হয়, সে চুপ করে থাকে। আমার মনে হয় কিছু ভেঙে ফেলি, কারণ ব্যাপারটা এমন দাঁড়ায়-তুমি কি কিছু বলে এটা শেষ করবে? নাকি এখানেই আটকে থাকবে!’

শোয়েবের এমন শান্ত স্বভাব অনেক সময় বিরক্তি লাগিয়ে দেয় সানিয়ার। ভারতীয় টেনিস সুপারস্টার বলছিলেন, ‘আমি এমন একজন যে এটা (তর্ক) চালিয়ে যেতে চাই আর সে একজন মানুষ যার ভাবটা এমন-আমরা পরে এটা নিয়ে ধীরেসুস্থে কথা বলব। সে তার ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমিই শুধু বলতে থাকি। এই ব্যাপারটা আমার ভীষণ অপছন্দ, আমি এটা নিতে পারি না।’

সানিয়ার কোন দিকটা শোয়েব মালিক অপছন্দ করেন? ভারতীয় টেনিস তারকা জানালেন, ‘আমার মনে হয়, আমি খুবই অধৈর্য। সম্ভবত আমার এই জিনিসটা সে সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করে।’

গোনিউজ২৪/এন

খেলা বিভাগের আরো খবর
সানিয়া-সোয়েব সুখী দাম্পত্যের রহস্য

সানিয়া-সোয়েব সুখী দাম্পত্যের রহস্য

৪২ লাখ টাকায় বিক্রি হলো মাশরাফির ব্রেসলেট

৪২ লাখ টাকায় বিক্রি হলো মাশরাফির ব্রেসলেট

২ দিন বাকি থাকতেই মুশফিকের ব্যাটের দাম ২২ লাখ!

২ দিন বাকি থাকতেই মুশফিকের ব্যাটের দাম ২২ লাখ!

মুন্না ও তৈয়বের জার্সি বিক্রি হলো ১০ লাখ ৬৫ হাজার টাকায়

মুন্না ও তৈয়বের জার্সি বিক্রি হলো ১০ লাখ ৬৫ হাজার টাকায়

করোনাভাইরাসমুক্ত বার্সার সব তারকা

করোনাভাইরাসমুক্ত বার্সার সব তারকা

উমর আকমল তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ

উমর আকমল তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ