ঢাকা শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯, ৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

আ.লীগের ভাবমূর্তি রক্ষায় অনুপ্রবেশ রোধ করা জরুরী


গো নিউজ২৪ | শামসুল ইসলাম সহিদ প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯, ২০১৯, ০৪:২৫ পিএম আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০১৯, ০৪:২৭ পিএম
আ.লীগের ভাবমূর্তি রক্ষায় অনুপ্রবেশ রোধ করা জরুরী

কথায় আছে ঘরের শত্রু  বিভীষণ। বাইরের শত্রু  যতটা বিপদজনক তার চেয়ে বেশি বিপদজনক ঘরের শত্রু।  তাই বাস্তবিক পক্ষে দেখা যায় কারো ক্ষতি করতে ষড়যন্ত্রকারীরা ভিন্ন  পথ বেছে নেয়। আর এর মধ্যে একটি হচ্ছে অনুপ্রবেশ। দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে বুঝা যায় আওয়ামী লীগের সামনের সময় আরো কঠিন। কারণ যারা স্বাধীনতার বিরোধী এবং আওয়ামী লীগেকে ধ্বংস করতে সার্বক্ষণিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো তারাই এখন দলে দলে অনুপ্রবেশ করছে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনে। অনুপ্রবেশকারীদের অপকর্মের ফল হিসেবে আওয়ামী লীগের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে জাতীয় ও আন্তর্জাতীক পর্যায়ে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। স্বাধীনতা সংগ্রামে পরাজিত শক্তি এবং সামরিক জান্তার উত্তরসূরিরা কখনো আওয়ামীলীগের ভাল চায়নি। তাই সকল পরাজিত শক্তি এক হয়ে জোট গঠনের মাধমে আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে তাদের তৎপরতা সবসময় অব্যাহত রয়েছে। আর সেই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের পদ পদবী নিয়ে কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা প্রণয়নের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে পেরে ষড়যন্ত্রকারীরা ভেবেছিলো আওয়ামী লীগ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু ২০০৮ এ পট পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশকে এগিয়ে নিতে থাকলে ষড়যন্ত্রকারীদের মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে যায়।

২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি জামাত জোট জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি শুরু করে। আওয়ামী লীগ বুদ্ধিমত্তা সহনশীলতা এবং রাজনৈতিক দুরদর্শিতার মাধ্যমে তাদের মোকাবেলা করে রাষ্ট্রীয় কাজে মনোনিবেশ করলে ষড়যন্ত্রকারীরা ভিন্ন পথ অবলম্বন করে। কিভাবে আওয়ামী লীগের কাছে ভিড়তে হবে সেই পথ বেছে নেয় তারা । সময় সুযোগ বুঝে দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে ভিড়তে থাকে। আর এতে তারা সহযোগীতা পায় আওয়ামী লীগেরই বিভিন্ন স্তরের নেতাদের।

এসব অনুপ্রবেশকারীরা দলের জন্য মঙ্গল নাকি বিপদজনক সেই বোধটুকুও যেন নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়নি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হয়ে কিভাবে জামায়াত-বিএনপির নেতাদের ফুলের তোরা দিয়ে আওয়ামী লীগে ঠাই করে একজন বিবেকবান বাঙালী হিসেবে সেটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। সাধারণ মানুষের কাতারে থেকে আমরা যতই এবিষয়ে কথা বলিনা কেন, যাদের বোধদয় হবার কথা তাদের না হলে এবিষয়ে আমাদের ভাবাটাই বৃথা।

আওয়ামী লীগ নেতাদের হাত ধরে যে হারে জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগদান করছে তাতে মনে হয় আগামী কয়েক বছরে সব জামায়াত-বিএনপি আওয়ামী লীগ হয়ে যাবে। দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এটা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে।

প্রসঙ্গত, ফ্রিডম পার্টি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী পাগলা মিজান। যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি। সেই পাগলা মিজান পরবর্তীতে হাবিবুর রহমান মিজান নামে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই এলাকার কাউন্সিলরও নির্বাচিত হয়েছেন। এখন কিছুটা স্বস্তির বিষয় এই যে, ওই কাউন্সিলর মিজান সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন।

সম্প্রতি বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার কতিপয় নেতাকর্মী। এই হত্যাকাণ্ডে জড়ীত ছাত্রলীগ নেতারা একসময় ছাত্রশিবির করত বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সূত্রে জানা গেছে। ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে তাদের কার্য হাসিল করেছে ঠিকই, ভাবমুর্তি পুরাটাই ক্ষুন্ন হয়েছে ছাত্রলীগের। তাছাড়া ছাত্রলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিতে বেশ কিছু শিবির কর্মী রয়েছে বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে। বহুল আলোচিত জিকে শামীম যুবদল থেকে যুবলীগে এবং তার বর্তমান অবস্থা সারা দেশের মানুষ অবগত।

দেশের বিভিন্ন স্থানে যে হারে জামায়াত-বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগদান করছেন তার কিছু উল্লেখ করলেই প্রিয় পাঠক আপনারা বুঝতে পারবেন ভবিষ্যতে কি অবস্থা হতে পারে।

২০১৭ সালের ২০ জুলাই টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ ৫ ইউপি সদস্যসহ শাতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী স্থানীয় এমপি মো. একাব্বর হোসেনের হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।  (সূত্র- দৈনিক জনকন্ঠ ২০ জুলাই ২০১৭)

২৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্থানীয় সাংসদ মো. একাব্বর হোসেনের বাসভবনে এসে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মো. খালেক কবির, বহুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম মন্টুসহ বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী। (সূত্র- ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮ জাগোনিউজ ২৪.কম)

যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর দেশের যে কয়েকটি স্থানে বেপরোয়া নাশকতার ঘটনা ঘটে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট ও সাতক্ষীরা। এই তিন জেলায় নাশকতা মামলার একাধিক অভিযুক্ত জামায়াত-শিবির নেতা বর্তমানে আওয়ামী লীগে।

২০১৬ সালে বিজয়ের মাসে আওয়ামী লীগে যোগ দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল খায়ের। তার আগে একই বছর ১ অক্টোবর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা সোহরাব আলী, জামায়াতের শ্রমিক সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নেতা আফরোজ জুলমত আলী, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহহেল বাকী, মিজানুর রহমান আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এঁরা সবাই একাধিক নাশকতা মামলার আসামি। যোগ দেওয়ার পর ধীরে ধীরে তাদের মামলাগুলো অন্তরালে চলে যেতে থাকে। 

২০১৫ সালের ৮ জুন জয়পুরহাটে আওয়ামী লীগের এমপি সামছুল আলম দুদুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন নাশকতা ও সহিংসতার ১০ মামলায় অভিযুক্ত পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবদুস সালাম। ২০১৩ সালের ৩ মার্চ পাঁচবিবি থানায় দায়ের হওয়া আওয়ামী লীগের কর্মী ও সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের একটি মামলাসহ ৯টি মামলা রয়েছে তার নামে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামায়াত থেকে যারা ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসের আগে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে তাদের একটি অংশ দলীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের পদ-পদবি পেয়েছে। যারা পদ-পদবি পায়নি তাদের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসা পরিচালনা পরিষদ, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানাভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যম, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সূত্রে দেখা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগে ৬২টি যোগদানের ঘটনা ঘটেছে। সংখ্যার দিক দিয়ে যোগদানে বিএনপির সংখ্যা বেশি হলেও জামায়াত থেকে যোগদান করা নেতা-কর্মীদের সংখ্যা সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার। ইতিমধ্যে যোগদান করা এসব জামায়াত-শিবিরের দুই শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের পদ-পদবি পেয়েছে। যার পরিমাণ ৪ শতাংশ।

২০১৫ সালে শিবির থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেন রাজশাহী বাগমারার উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা এম আলতাফ হোসেন। একসময় তিনি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী পশ্চিম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি। একই বছর আওয়ামী লীগে যোগ দেন বাগমারায় বাংলা ভাইয়ের সহযোগী হিসেবে পরিচিত জেএমবি নেতা আবদুস সালাম। তিনি বর্তমানে বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক। একই সঙ্গে যোগ দেওয়া বাগমারা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুল ইসলামকে করা হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। 

ঝালকাটির রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল শিকদার একসময় ছিলেন রাজাপুর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি। বর্তমানে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

ঝালকাটির সৌজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও নৌকা প্রতীকে বিজয়ী ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান রিপন একসময়ে ছিলেন বরগুনার বেতাগী কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হয়েছেন ওই উপজেলা জামায়াতের সদস্য আবু তাহের খান।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নির্বাচনী এলাকা পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীম বর্তমানে একই ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

নাটোরের লালপুর বিলমারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য এবং দুরদুরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ করা হয়েছে ছাত্রশিবির নেতা আবু রায়হানকে। তিনি আবদুলপুর কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। ২০০৩ সালে আবদুলপুর কলেজে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষের সময় ছাত্রশিবিরের নেতারা ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাবিব বকুলের হাত কেটে নিয়ে উল্লাস মিছিল করে। সে মামলার আসামি ছিলেন এই আবু রায়হান।

লালপুরের আরবাব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য করা হয়েছে আবু তালেবকে। তিনি ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সদস্য। দয়ারামপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আলী আকবর বর্তমানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। তাকে তালতলা মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

লালপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য করা হয়েছে ছাত্রশিবিরের সক্রিয় কর্মী জামিল আকতারকে। তার চাচা আলাউদ্দিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির রোকন।

লালপুর উপজেলা জামায়াতের সদস্য বিত্তবান আমজাদ হোসেনকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা জামায়াতের সভাপতি আবু বকর খান আওয়ামী লীগে যোগ দেন ২০১৬ সালে। যোগদান অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয়, দলীয় কাউন্সিল হয়ে যাওয়ায় তাকে আপাতত কমিটিতে পদ দেওয়া যাচ্ছে না। তবে যোগদানকারী সবাইকে আওয়ামী লীগের সদস্য করে নেওয়া হয়।

২০১৫ সালে রাজশাহীর পুটিয়ায় একসঙ্গে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এক ডজন জামায়াত নেতা। তাদের মধ্যে পুটিয়া উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের প্রভাবশালী সদস্য আরিফ হোসেনকে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে জামায়াত নেতা মজিবুর রহমানকে, সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে পুটিয়া থানা জামায়াতের আরেক নেতা কাদের আলী। (সূত্র- কালের কন্ঠ ৭ এপ্রিল ২০১৮)

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনুপ্রবেশকারী সম্পর্কে হুশিয়ারি উচ্চারণ করলেও তৃণমূলে কেন এই বার্তা ঠিকমত কাজ করছে না তা আমাদের বোধগম্য নয়। তবে এভাবে চলতে থাকলে সামনে আওয়ামী লীগের জন্য আরো কঠিন সময় অপেক্ষা করছে এট সহজেই বোঝা যায়। শুদ্ধি অভিযান যতই চলুক দলে অনুপ্রবেশ রোধ করতে পারলে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের ভাবমুর্তি ঠিক থাকবে বলে মনে হয়।

গো নিউজ২৪/আই


 

মতামত বিভাগের আরো খবর
আ.লীগের ভাবমূর্তি রক্ষায় অনুপ্রবেশ রোধ করা জরুরী

আ.লীগের ভাবমূর্তি রক্ষায় অনুপ্রবেশ রোধ করা জরুরী

হত্যাকারীরাও তো দেশের সেরা মেধাবী!

হত্যাকারীরাও তো দেশের সেরা মেধাবী!

সন্দেহের বশে এ কেমন হত্যা?

সন্দেহের বশে এ কেমন হত্যা?

‘ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ’

‘ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ’

আমাজানে আদিবাসীরা আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন: জলবায়ু সংকটের সম্ভাবনা

আমাজানে আদিবাসীরা আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন: জলবায়ু সংকটের সম্ভাবনা

পৃথিবী ধ্বংসে মেতে উঠেছেন ‘বিজ্ঞানমূর্খ’ রাষ্ট্রপ্রধানরা 

পৃথিবী ধ্বংসে মেতে উঠেছেন ‘বিজ্ঞানমূর্খ’ রাষ্ট্রপ্রধানরা