ঢাকা শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬

ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চোধুরী সত্যিই ব্যতিক্রম!


গো নিউজ২৪ | নজরুল ইসলাম প্রকাশিত: মে ৬, ২০১৯, ০৯:১১ পিএম আপডেট: মে ৮, ২০১৯, ০৩:৪১ পিএম
ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চোধুরী সত্যিই ব্যতিক্রম!

আনোয়ার চৌধুরী একজন ব্রিটিশ বাংলাদেশী কূটনীতিবিদ। তিনিই প্রথম কোন বাঙালি যিনি ব্রিটিশ হাই কমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেন। একজন ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ করেছেন বৈদেশিক ও কমনওয়েলথ অফিসে। ২০১৩ সাল থেকে আনোয়ার চৌধুরী পেরুতে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স’ বিভাগের পরিচালক ও ২০০৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভাগের পরিচালক ছিলেন। এর আগে ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আনোয়ার চৌধুরী বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার ছিলেন। ব্রিটিশ সরকার আনোয়ার চৌধুরীকে ব্রিটিশ ওভারসীজ টেরিটরি' হিসেবে পরিচিত কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়েছিল যা ছিল ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের জন্য ছিল গৌরবের অহংকারের। ব্যাক্তি আনোয়ার চৌধুরী a wonderful person and there is no right word to describe him. Simply, he is a fine example of a true human being!

আনোয়ার চৌধুরী একজন ব্রিটিশ কূটনীতিক হলেও তার লেখা পড়া ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি সলফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বিএসসি পাশ করেন। পরে তিনি ডুরহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৫ সালে এমবিএ করেন। সিভিল সার্ভিসে প্রবেশের পূর্বে তিনি RAF এর হয়ে কাজ করেন। সেই সাথে তিনি Siemens Plessey এ কর্মরত ছিলেন।

১৯৫৯ সালের ১৫ জুন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার পাটলী ইউনিয়নের প্রভাকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলাতেই তিনি তাঁর বাবা মায়ের সঙ্গে লন্ডনে পাড়ি জমান। স্ত্রী মমিনা চৌধুরী তিন কন্যা সন্তান নিয়ে ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর সংসার। 

এমন মহান ব্যাক্তিত্বকে নিয়ে কি লিখব, কোথা থেকে শুরু করবো আর কোথায় শেষ করবো তা ভেবে পাচ্ছি না - simply, undoubtedly আনোয়ার চৌধুরী ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের অহংকার,  তিঁনি সত্যিই ব্যতিক্রম !

পাঠক, আমাদের সকলের জীবনে কেউ না কেউ আছেন অনুসরনীয় বা অনুকরণীয় যাহার ব্যক্তিত্ত্ব আচরণ কথাবার্তা আমাদের মনে গভীর ভাবে ছাপ ফেলে যায়। সময় নিয়ে আমরা একটুও ভাবি না তাঁরা কিভাবে সবার প্রিয় হয়ে উঠলেন? সুন্দর চেহারার জন্য কোন ব্যাক্তি বিশেষ আপনার কাছে প্রিয় নন, উজ্জল ব্যক্তিত্ব প্রিয় হবার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারলে, একজন ভালো মানুষ হতে পারলে তাঁদের মত আমরাও হয়ে উঠতে পারি সবার আকাঙ্ক্ষিত।

জনপ্রিয়তা মানুষের একটি বিষেশ গুণ। সমাজের সব মানুষ জনপ্রিয় হতে পারে না। বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ডেল কার্ণেগী তার ‘’প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ’’ গ্রন্থে লিখেছেন জনপ্রিয় হতে হলে মানুষের বিশেষ কিছু গুণ স্বভাবগত ভাবে থাকতে হয় বা অর্জন করে নিতে হয়। যেমন- মনযোগ দিয়ে মানুষের কথা শোনা, কেবল নিজের বিষয় নিয়ে কথা না বলা, মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, অহেতুক তর্কযুদ্ধে জড়িত না হওয়া, গঠনমূলক সমালোচনা করা ইত্যাদি। যাকে নিয়ে এই আজকের প্রবন্ধের অবতারণা তিনি একজন ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট। যাহার মধ্যে উপরে উল্লেখিত গুণাবলীর অধিকাংশই বিদ্যমান আর সে কারনেই তিনি সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে সমান জনপ্রিয়।

বুদ্ধির বিচারে মানুষকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। স্থুল বুদ্ধি ও সুক্ষ্ণ বা তীক্ষ্ণবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ। স্থুল বুদ্ধির মানুষের সংখ্যাই সমাজে বেশি। সুক্ষ্ণবুদ্ধির মানুষের সংখ্যা সমাজে খুব কম এবং এরাই সমাজের করিতকর্মা সদস্য। আনোয়ার চৌধুরী তেমনি একজন যিনি জীবন চলার পথে শিক্ষা  সংস্কৃতি, ক্রীড়া, সমাজ সেবা এমনকি সংসার জীবনে সর্বত্র সুক্ষ্ণবুদ্ধির সাক্ষর রেখেছেন। আনোয়ার চৌধুরীর প্রশংসা করলে পরোক্ষভাবে আমাদের নিজেরই প্রশংস হয়ে যায় কারণ তিনি আমাদেরই।

রুডিয়ার্ড ক্লিপিং বলেছেন,’’মানুষের প্রশংসার কিছু থাকলে আমরা তা এড়িয়ে যাই, আবার তার নিন্দার কিছু পেলে মুখে খই ফুটাই’’ মনিষী এডমন্ড বার্ক বলেছেন ’’ মানুষের জীবন সংগ্রামের সমষ্টি বৈ কিছু নয়। সংগ্রামে যারা জয়ী হয় তারাই পরিপূর্ণ মানুষ। ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর বেলায় এডমন্ড বার্কের উক্ত উক্তিটি সর্বাংশেই সত্য।

ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চোধুরীকে সবাই জানেন- একজন নিরহংকারী পজেটিভ মনের ব্যাক্তিত্ব। তিনি সত্যিকারের একজন দেশপ্রেমিক, ভুলে যাননি শিকড়। নিজ দেশকে ভালোবাসতে যে কোন ব্যারিয়ার নেই তিনি তা প্রমাণ করে করছেন কাজে। তিনি মিশে আছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী কমিনিটির সাথে। বাঙালির প্রতিটি উৎসবে, প্রতিটি অনুষ্ঠানে তিনির নিরহংকার পদাচারণ প্রশংসনীয়। ভদ্রলোকের সাথে যতবার-ই দেখা হয়, কথা হয় সেই হাসি মুখ, নেই ক্লান্তি। প্রায়ই চোখে পড়ে ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর সাথে সবাই ফটো তুলতে চায়। তিনি দেবতার মত দাঁড়িয়ে আছেন আর সবাই ফটো তুলছেন, সেলফি নিচ্ছেন পরোক্ষণে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করছেন। স্ট্যাটাস বারে লিখছেন বৃটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ, একান্ত মুহূর্তে এমন সব। ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর আমাদের কমিটির সকলের সম্মানিত ব্যাক্তিত্ব।

সবার কাছে প্রিয় পাত্র হয়ে ওঠার তাড়না সমাজে কম বেশি আমাদের সবার মধ্যেই বিরাজমান। আমরা চাই সবাই আমাদের প্রশংসা করবে ভালোবাসবে। সবার চোখের মধ্যমণি হওয়ার প্রয়াসটুকু আমরা বুকে পুষে রাখি। তবে এই ব্যাপারটা মোঠেও সহজ কাজ নয়। কেননা, কেহ এমনি এমনি আপনাকে তাঁর পছন্দের শীর্ষস্থানে বসাবে না ? এই জায়গাটাকে নিজের করে নিতে হয় কিছু ইতিবাচক আচরণের মাধ্যামে। আপনার ব্যাক্তিত্বে দায়িত্বজ্ঞানে কর্মে অনুপ্রাণিত হয়ে মানুষ যখন আপনাকে ফলো করবে, আপনার সান্নিধ্যে আসবে তা এক বিশাল অনুভূতি প্রাপ্তি আত্মতৃপ্তি। ডিপ্লোমেট আনোয়ার চোধুরীর সাথে যখন সবাই জড়ো হন ,ফটো তুলেন আমার কিন্তু হিংসা হয় না, তবে আফসোস করি এই ভেবে যে, আমিও যদি ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর মত জনপ্রিয় হতে পারতাম। আনোয়ার চৌধুরী ব্রিটিশ সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করে যাচ্ছেন। তিনি সকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি, কিন্তু নিজেকে কখনো সেভাবে প্রকাশ করেননি, আর ইহাই হচ্ছে তাঁহার ব্যাক্তিত্বের অনুকোরিণীয় প্রকাশ।

আত্মবিশ্বাস মানুষের ব্যক্তিত্বের একটি বড় প্রকাশ। নিজের উপর বিশ্বাস আনুন। আপনি আত্মবিশ্বাসী না হলে অন্যরা আপনার প্রতি আস্থা আনতে পারবে না। ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী তেমনই একজন যিনি আত্তবিশ্বাসী। তাঁর বাংলা কথা বলার ধরণ চমৎকার। একজন সংগীত পিপাসু ব্যাক্তি, বাংলা ফোক গান পছন্দ করেন। বাংলা ফোক গানকে তিনি বিশ্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চান। 

আমি কখনও বাউল সম্রাট আব্দুল করিমের গান মনোযোগ দিয়ে শুনি নাই। কিন্তু এখন শুনি এবং মাঝে মধ্যে গাড়ির ভিতরে গুন গুনাই। টিভি সেটে আমার চোখে পড়লো " বসন্ত বাতাসে মিউজিক শো যেখানে বৃটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী বাউল সম্রাট আব্দুল করিমের গানের কথা মালা বাংলায় তর্জমা করছেন আর দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বলছেন করিম কি বলেছেন! আনোয়ার চৌধুরী বলেছেন ,বাউল সম্রাট করিম কিভাবে অবলোকন করলেন আমাদের জীবন প্রবাহ।

অনার্স-ডিগ্রীতে আমি সাইকোলজি স্টাডি করেছি। স্টাডি বলে আমাদের মস্তিষ্ক কারো সাথে কথা বলার আগেই তার অঙ্গভঙ্গি দেখেই তার সমন্ধে একটি ছোটখাট ছক কষে ফেলে। আপনি কিভাবে হাটলেন, কিভাবে দাঁড়ালেন, কিভাবে হাসলেন, কথা বলার সময় কিরূপ ভঙ্গি করলেন ইত্যাদি দিয়ে আপনার আচরণবিধি প্রকাশিত হয়। অনেক মানুষই আপনার এসব বিষয় খুব নিখুঁত ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আপনাকে বিচার করবে। প্রবন্ধের আলোচ্য ব্যাক্তিত্ব ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী তেমনি একজন ব্যাক্তিত্ব যিনি তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তাঁর আকর্ষণীয় ব্যাক্তিত্বের মধ্য দিয়ে।

মানুষের সাথে বিনয়ী হলে, অন্যকে সম্মান করলে ,সৎ ভাবে জীবন যাপন করলে সবাই আপনাকে সম্মান করবে, সময়ক্ষণে আপনিও হয়ে উঠবেন সবার পছন্দের। কথা বলার সময় সরল সহজভাবেই বলুন, হাসি মুখে কথা বলার বিকল্প নেই। সকলকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন। সহজ সরল সাবলীল সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বললে যে কেউ আপনার কথার মূল্য দিতে বাধ্য। অনেকেই বাঁকা কথা জটিল কথা বলে প্যাচ লাগিয়ে নিজেকে স্মার্ট বা ডিপ্লোমেট প্রমাণ করতে বাস্ত। অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রসঙ্গিক কথা নিজে না বলাই ভালো এবং অন্যদেরকেও না বলতে উৎসাহিত করা উচিৎ। নিজেকে ব্যক্তিত্ববান দেখাতে গিয়ে আমরা অনেকেই অতিরিক্ত ভাব বা মুড দেখিয়ে থাকি। মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত ভাব দেখালেই কেউ স্মার্ট হয়ে যায়না, বরং স্মার্টনেস কমিয়েই দেয়। বেশি কথা বলাই স্মার্টনেস এর লক্ষন নয়, বরং পরিবেশ পরিস্থিতি মেপে গঠণমূলক কথা বলাই শ্রেয়। অপ্রাসঙ্গিক কথা বা মন্তব্য জীবনের সব ক্ষেত্রেই আপনার ব্যক্তিত্বকে খাটো করে। সে বিচারে প্রবন্ধের আলোচ্য ব্যাক্তি ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী সত্যিই ব্যাতিক্রম অনুকরণীয়। তিনি ব্রিটিশ বাঙালি কমিনিটির আইকন, হিরো!

ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চোধুরী

একটি উদাহরণ দিয়ে উপসংহারের দিকে ধাবিত হইব। অদ্য নর্থ লন্ডনের "মেরিডিয়ান গ্রান্ড, ব্যাংকুইটিন হলে আমার এক আত্মীয়ের মেয়ের বিয়ে অনুষ্ঠানে ডিপ্লমেট আনোয়ার চৌধুরী উপস্থিত হয়েছিলেন স্ব-স্ত্রীক। হল কানায় কানায় ভরপুর তাই সিট সংকলন কঠিন হয়ে পড়ছে। ভাবি Momina Choudhury ডিপ্লমেট আনোয়ার চৌধুরীর স্ত্রী আমাকে বলছেন, নজরুল তোমার স্ত্রী এসেছেন ? এসেছন শুনে তিনি আমার স্ত্রীর সাথে দেখা করে সৌজন্যে কথা বলা শুরু করলেন। আমরাও আনোয়ার চৌধুরীর সাথে দাঁড়িয়ে প্রাসঙ্গিক কথা বলছি। বিয়ে অনুষ্ঠানে আমার পরিচিত আত্মীয় স্বজন সবাইকে সিট দিতে দিয়ে আমি আমার আসনটি হারিয়ে ফেলেছি। আনোয়ার ভাই বললেন, একটি চেয়ার নিয়ে আমাদের টেবিলে চলে আসেন। নিরুপায় হয়ে আমার স্ত্রীকে রেখে তাদের সাথে বসতে হয়েছে। সু-স্বাধু স্ট্যাটার পরিবেশন শুরু হয়েছে, সবাই খাবার এনজয় করছেন। স্ট্যটার ও মেইন কোর্সের মধ্যে সময় আমার অনেক প্রিয় কমিনিটি ব্যাক্তিত্ব রাকীব রাহেল জিবি নিউজ ২৪ এর চিফ এডিটর এসে ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর সাথে সৌজন্য কথা বলা শুরু করলেন। আমি নোটিস করেছি আনোয়ার চৌধুরী চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে অনেক গুরুত্ব সহকারে খাবারের মধ্যে সময়ে ও রাকিব রাহেলের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। সুস্বাধু খাবার টেবিলে রেখে খাবারের সময় সৌজন্য কথা বলার ধৈর্য্য ক'জনের আছে যা আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। ডিপ্লমেট আনোয়ার চৌধুরীর তুলনা হয় না, তিনি নিশ্চয় একজন সত্যিকারের ভাল মানুষের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ব্রিটেনে নানা দেশের, নানা বর্ণের মানুষ বাস করে। স্বাভাবিক ভাবেই এরা রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নমত ও ভিন্ন পথের সমর্থক। ব্রিটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির অবস্থান এখন অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক শক্ত। এখানকার বৃটিশ বাংলাদেশীদের এক বৃহৎ অংশ ব্রিটেনের মূলধারার রাজনীতি, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, আইন ও বিচার ব্যবস্থা,সংস্কৃতি ও সমাজনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রিটিশ মূলধারার রাজনীতিতে বাঙ্গালীদের অভিষিক্ত হওয়াই এর প্রমাণ। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তিন নারী টিউলিপ সিদ্দিক, রুশনারা আলী ও রুপা হক ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আমাদের তিন কন্যা এমপি নির্বাচিত হয়েছেন-বাঙালিদের এমন বিজয় সত্যিই গৌরবের। ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরীর মত তারাও আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করে চলছেন। তাঁরাও সামগ্রীক ভাবে বাংলাদেশেকে সম্মানিত করেছেন। আমার বিশ্বাস এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী, টিউলিপ সিদ্দিক এমপি , রুশনারা আলী এমপি ও রুপা হক এমপির পথ বেয়ে নতুন প্রজন্ম আগামী দিনেও ব্রিটিশ বাংলাদেশীরা একটি সম্মানজনক অবস্থান তৈরী করে নিবে। 

লেখক: নজরুল ইসলাম,
ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, ওয়ার্কিং ফর ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস লন্ডন , মেম্বার, দি ন্যাশনাল অটিষ্টিক সোসাইটি ইউনাটেড কিংডম। 

গো নিউজ২৪/আই

মতামত বিভাগের আরো খবর
‘ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ’

‘ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ’

আমাজানে আদিবাসীরা আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন: জলবায়ু সংকটের সম্ভাবনা

আমাজানে আদিবাসীরা আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন: জলবায়ু সংকটের সম্ভাবনা

পৃথিবী ধ্বংসে মেতে উঠেছেন ‘বিজ্ঞানমূর্খ’ রাষ্ট্রপ্রধানরা 

পৃথিবী ধ্বংসে মেতে উঠেছেন ‘বিজ্ঞানমূর্খ’ রাষ্ট্রপ্রধানরা 

ফ্রী টিকেট প্রাপ্তি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় এক বিমানকর্মী

ফ্রী টিকেট প্রাপ্তি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় এক বিমানকর্মী

প্রিয়া সাহা, একজন ভারতীয় দালাল!

প্রিয়া সাহা, একজন ভারতীয় দালাল!

নারী জাতির অহংকার নুসরাত, কলঙ্ক মিন্নি!

নারী জাতির অহংকার নুসরাত, কলঙ্ক মিন্নি!