ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

দেশে করোনা সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রকাশিত: মে ২১, ২০২০, ০৪:০০ পিএম আপডেট: মে ২১, ২০২০, ১০:০০ এএম
দেশে করোনা সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে করোনা সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে বলে সতর্কতা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, আমরা করোনা সংক্রমণের ৭০ দিন পার করেছি। আমি মনে করি, আমরা পিক টাইমের দিকে যাচ্ছি। দৈনিক শনাক্তের হার কমতে শুরু করলে বলতে পারবো যে পিকে পৌঁছে গেছি। এখন সংক্রমণ বাড়ছে। তারপরও আমি মনে করি, তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে না, ঠিকই আছে।  

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত করোনার আপৎকালীন ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ গ্রহণকালে এ কথা বলেন তিনি। কেবলমাত্র মুমূর্ষু রোগীদের ক্ষেত্রে এ ওষুধ প্রয়োগ করা হবে। 
 
করোনা রোগীদের চিকিৎসার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশে প্রতিনিয়তই রোগী বাড়ছে। তুলনামূলকভাবে আমরা অন্য দেশের তুলনায় এখনও ভালো আছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়তই এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন, পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
 
‘সারাদেশে ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল করেছি। আমাদের কমিটমেন্ট ছিল, মে মাসে প্রতিদিন ১০ হাজার টেস্ট করার, দু’দিন আগেই সেটা হয়ে গেছে।’
 
রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দ্রুত তৎপর হতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, যেখানেই দেরি হয়েছে সেখানেই রোগী বাঁচানো কষ্ট হয়েছে। দেরিতে হাসপাতালে নেওয়াটা খুবই ক্ষতিকর।

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজারের মতো করোনা রোগী আছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই রোগের সঠিক চিকিৎসা নাই, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা, ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া অনুসরণ করতে হবে। বাজারঘাটে যাতে লোক কম যায়। (ঈদ ঘিরে) ফেরিঘাটে মানুষ জটলা পাকায়, সেখানে সংক্রমনের একটা আশঙ্কা আছে। সরকার যথেষ্ট চেষ্টা করেছে তাদের ঠেকাতে। তবুও মানুষ চলে যাচ্ছে।
 
‘মায়েরা কাপড় চোপড় কিনতে যাচ্ছে, ছোট বাচ্চাদেরও সাথে নিয়ে যাচ্ছে। আমি অনুরোধ করবো, আপনারা যাবেন না, বাচ্চাদের নিয়ে যাবেন না। নিজেরাও আক্রান্ত হবেন, শিশুরাও আক্রান্ত হয়ে যাবে। ঈদ তখন আর আনন্দের থাকবে না, নিরানন্দ হবে। দেখা যাবে একটা বিরাট ক্ষতি হয়ে গেছে। এই ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকতে হবে।’
 
বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস প্রস্তুতকৃত রেমডেসিভির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই ওষুধ ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষজ্ঞরা নির্ধারণ করবেন। বেক্সিমকো প্রথম কোম্পানি যারা দেশে এই ওষুধটি তৈরি করেছে। খুবই মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে এই ওষুধটি দেওয়া হবে। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন বিশেষজ্ঞরা। আশা করি এটি দিয়ে মানুষের উপকার হবে, জীবন রক্ষা হবে। কোভিড-১৯ রোগের ভ্যাকসিন বা ওষুধ এখনও তৈরি হয়নি। বেশ কিছু ওষুধ বাজারে এসেছে। এসব ওষুধ কিছু কিছু মাত্রায় কাজ করে, কিন্তু শতভাগ কাজ হচ্ছে না।

গো নিউজ২৪/আই

জাতীয় বিভাগের আরো খবর
ভাড়া বৃদ্ধি করে ৩১ মে থেকে চলবে লঞ্চ

ভাড়া বৃদ্ধি করে ৩১ মে থেকে চলবে লঞ্চ

২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল, মৃত্যু আরও ১৫

২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল, মৃত্যু আরও ১৫

অফিস ও গণপরিবহন চালুর নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

অফিস ও গণপরিবহন চালুর নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, তিন নম্বর সতর্ক সংকেত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, তিন নম্বর সতর্ক সংকেত

উনাইটেড হাসপাতালে ১০ মিনিটেই ছাই ৫ রোগী

উনাইটেড হাসপাতালে ১০ মিনিটেই ছাই ৫ রোগী

ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন, ৫ মরদেহ উদ্ধার

ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন, ৫ মরদেহ উদ্ধার