ঢাকা বুধবার, ০১ এপ্রিল, ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬

ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: আগস্ট ১৫, ২০১৮, ০৯:৫২ এএম আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৮, ০৪:৫২ পিএম
ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে

ঢাকা: ঈদুল আজহাকে ঘিরে এখনই জমে উঠতে শুরু করেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। ঈদুল আজহা মূলত মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানি করা হয়ে থাকে।কোরবানির ঈদ আসলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা গবাদিপশু কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর এ ধরনের চিন্তার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় সাধারণ মানুষের। বেশি দামে পশু বিক্রি করতে নানা ধরনের পন্থা অবলম্বন করে থাকেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, ইনজেকশন ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে এসব পশুকে মোটাতাজা করে থাকেন তারা, যা পুরোপুরি স্বাস্থ্যের জন ভয়ানক ক্ষতিকর।

মোটাতাজাকরণ গবাদিপশু চেনার কিছু উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই ইনজেকশন দেয়া কোরবানির পশু চিনবেন যেভাবে:-

এক. আঙুলের চাপ: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মোটা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

দুই. দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়। ইনজেকশন দেয়া গরুর রানের মাংস নরম হয়। স্বাভাবিকভাবে যেসব গরু মোটা হয় সেগুলোর রানের মাংস শক্ত হয়।

তিন. লালা বা ফেনা : যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

চার: খুব শান্ত : স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ইনজেকশন দেয়া গরু হবে খুব শান্ত। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারবে না। পশুর ঊরুতে অনেক মাংস মনে হবে।

পাঁচ. শরীরে পানি জমে : অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে। আঙুল দিয়ে গরুর শরীরে চাপ দিলে সেখানে দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকবে।

আরো পড়ুন:জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন যে কাজ নিষেধ 

ছয়. খাবার : গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।

সাত. নাকের ওপরটা ভেজা : সুস্থ গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে। সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।

আট. পা ও মুখ ফোলা: বিশেষ করে গরুর পা ও মুখ ফোলা, শরীর থলথল করবে, অধিকাংশ সময় গরু ঝিমাবে, সহজে নড়াচড়া করবে না। এসব গরু অসুস্থতার কারণে সব সময় নিরব থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। খাবারও খেতে চায় না।

হাটে যাওয়ার পর উশকোখুশকো, চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে পড়া পশু কিনতে চেষ্টা করুন। এগুলো কোনোরকম কৃত্রিম উপায় ছাড়াই বাজারে সরবরাহ করা হয়। চকচক করা গরু বা ছাগলকে দেয়া হয় ইনজেকশন।

সুতরাং কোরবানির পশু কেনার আগে দেখে শুনে কিনুন। সুস্থ থাকুন।

গো নিউজ২৪/এমআর

লাইফস্টাইল বিভাগের আরো খবর
করোনা প্রতিরোধে এই ৫ ফল খাওয়ার পরামর্শ

করোনা প্রতিরোধে এই ৫ ফল খাওয়ার পরামর্শ

ঘনঘন প্রস্রাবের চাপ? যে ৫ খাবার ভুলেও খাবেন না

ঘনঘন প্রস্রাবের চাপ? যে ৫ খাবার ভুলেও খাবেন না

সাধারণ সর্দি-কাশি নাকি করোনাভাইরাস?  চলুন জেনে নেয়া যাক

সাধারণ সর্দি-কাশি নাকি করোনাভাইরাস?  চলুন জেনে নেয়া যাক

বিস্কুট তৈরি করার পদ্ধতি

বিস্কুট তৈরি করার পদ্ধতি

গলায় বিঁধে যাওয়া মাছের কাটা দূর করার ৫ উপায়

গলায় বিঁধে যাওয়া মাছের কাটা দূর করার ৫ উপায়

‘আলাদিন’ প্যান্টে মজেছে নেটদুনিয়া

‘আলাদিন’ প্যান্টে মজেছে নেটদুনিয়া