ঢাকা শনিবার, ১৫ মে, ২০২১, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

নিম্নগ্রেডের কর্মচারীরা বর্তমান বাজারে মানবেতর জীবনযাপন করছে


গো নিউজ২৪ | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০২০, ০৬:৩০ পিএম আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২০, ০৬:৩২ পিএম
নিম্নগ্রেডের কর্মচারীরা বর্তমান বাজারে মানবেতর জীবনযাপন করছে

মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নিম্নগ্রেডের সরকারি/স্বায়ত্বশাসিত/আধা-সরকারি চাকরিজীবীদের হতাশা, বঞ্চনা ও মানবেতর জীবনযাপন থেকে রক্ষা করুন।

নিম্নগ্রেডের কর্মচারীগণ বর্তমান বাজারে মানবেতর জীবনযাপন করছে, অথচ সরকারি নীতি নির্ধারকেরা দেখেও দেখে না। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মূল বেতনের বিশাল পার্থক্য নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীগণ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ক্রয়ক্ষমতা হারিয়েছেন। কিছু ঘুষখোর কর্মচারী হয়তো বর্তমান বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছেন, কিন্তু বেশীরভাগ কর্মচারীদের বাসাভাড়া দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। পে-স্কেল/২০১৫ তে উপরের ১-১০ গ্রেডের এক গ্রেড থেকে অন্য গ্রেডের গড় পার্থক্য প্রায় ৬০০০ টাকা, অথচ নিম্নগ্রেডের ১১-২০ গ্রেডের এক গ্রেড থেকে অন্য গ্রেডের গড় পার্থক্য প্রায় ৪২০ টাকা মাত্র। তাই গ্রেড থেকে গ্রেডের বেতন বৈষম্য নিরসন করে গ্রেডসংখ্যা কমিয়ে বৈষম্য নিরসন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। 

নিম্নগ্রেডের কর্মচারীদের যোগ্যতা থাকলেও নেই পদোন্নতি, হয়তো কিছু পদের পদোন্নতি রয়েছে কিন্তু খুবই অপ্রতুল। বর্তমান সময়ে একজন ল্যাবরেটরি এসিস্ট্যান্ট, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিবার পরিকল্পনা সহকারী, ক্যাশ সরকার, ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট, ডেসপাচ রাইডার, ফটোকপিয়ার, অফিস সহায়ক, নৈশপ্রহরী প্রভৃতি পদের কর্মচারীগণ মাস্টার্স, স্নাতক ডিগ্রিধারী। অথচ চাকরিজীবনে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মকালীন যোগ্যতার কোন মূল্য নেই। এক পদে পুরোটা চাকরিকাল চরম হতাশা ও বঞ্চনার শামিল। অথচ উপরের ক্যাডার কর্মকর্তাদের ন্যায় সকল কর্মচারীদের জন্য পদোন্নতির বিধান রেখে এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন করতে পারলে সরকারি সকল কাজে আরও গতি পেতো। তাই সরকারের কাছে সকল নিম্নগ্রেডের কর্মচারীদের যোগ্যতানুসারে পদোন্নতির ব্যবস্থা করার অনুরোধ করছি। 

সরকারি কর্মচারীদের আরেক বঞ্চনার নাম বর্তমান অর্ধেক পেনশন ব্যবস্থা। আগে কোন কর্মচারী ১০০% পেনশনে গিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ গড়তে বিনিয়োগ করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমান পেনশন ব্যবস্থায় নিম্নগ্রেডের একজন কর্মচারী ৫০% পেনশনের টাকা দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করা দুস্কর, ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ দূরের কথা! তাছাড়া চাকরি থেকে অবসরে গিয়ে ১/২ বছরের মাথায় কোন অবসরে যাওয়া কর্মচারী ও তার স্ত্রী মারা গেলে পেনশনের টাকা তার উত্তরাধিকারীরা কেউ পাবে না। তাই সরকার কর্মচারীদের জন্য ৫০%/১০০% পেনশন ব্যবস্থা চালু করলে যার যার সুবিধামতো পেনশনভোগী হতে পারতেন।

মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নিম্নগ্রেডের কর্মচারীদের বহু ন্যায্য ও যৌত্তিক দাবীগুলোর মাঝে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় দাবীগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের মানবেতর জীবনযাপন থেকে মুক্তি দিন।

খান আতাউর রহমানের ফেসবুক থেকে নেওয়া।

জবস বিভাগের আরো খবর
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়োগ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়োগ

৪২ জনকে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে ডিএনসিসি

৪২ জনকে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে ডিএনসিসি

সরকারের তিন দফতরে ১ হাজার ৭৪২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সরকারের তিন দফতরে ১ হাজার ৭৪২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সেনাবাহিনীতে ৬২ পদে ৮৪০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সেনাবাহিনীতে ৬২ পদে ৮৪০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

৪ সরকারি দফতরে ১১৩ জনের চাকরির সুযোগ

৪ সরকারি দফতরে ১১৩ জনের চাকরির সুযোগ

পল্লী বিদ্যুতে ৮৩ জনের চাকরির সুযোগ

পল্লী বিদ্যুতে ৮৩ জনের চাকরির সুযোগ