ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮, ৭ আষাঢ় ১৪২৫
Beta Version
Sharp AC

৭০টির বেশি দুর্ঘটনায় ৭ শতাধিক জীবন কেড়েছে ত্রিভুবন


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০১৮, ০৯:০৫ পিএম আপডেট: মার্চ ১২, ২০১৮, ১০:১১ পিএম
৭০টির বেশি দুর্ঘটনায় ৭ শতাধিক জীবন কেড়েছে ত্রিভুবন
Sharp AC

ঢাকা : বিশ্বের দুর্ঘটনা প্রবণ বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দর অন্যতম। বিমানবন্দরটিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কোনো বিমান অবতরণের পর থেকে এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। পাহাড় ঘেরা এই বিমানবন্দরটি কাঠমান্ডু উপত্যকায় এবং শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে।

একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার কারণে এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রায়শই আলোচনা হয়।

এসব দুর্ঘটনায় প্রায় ৭শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। বিমানের পাশাপাশি সেখানে হেলিকপ্টারও বিধ্বস্ত হয়েছে।

সোমবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশি একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর নেপালে বিমান চলাচলে নিরাপত্তার দুর্বলতার বিষয়টি আবারও চোখে সামনে চলে এল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নেপালে বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে তাদের সমালোচনা হয়েছে।

উইকিপিডিয়া বলছে, নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হওয়ার কিছু দিন পরই একটি দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৭২ সালের মে মাসে। থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমান অবতরণ করার সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। তাতে ১০০ জনের মতো যাত্রী ও ১০ জন ক্রু ছিলো। তাদের একজন নিহত হয়েছে।

১৯৯২ সালে থাই এয়ারওয়েজের একটি এয়ারবাস অবতরণ করার জন্যে বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় একটি পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১১৩ জন যাত্রীর সকলেই নিহত হয়।

একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হয় আরো একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা। পিআইএর বিমানটি বিধ্বস্ত হলে বিমানের ভেতরে থাকা ১৬৭ জনের সবাই প্রাণ হারায়।

১৯৯৫ সালে রয়্যাল নেপাল এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বেষ্টনী ভেঙে মাঠের ভেতরে ঢুকে যায়। তাতে দু'জন নিহত হয়।

লুফথানসার একটি বিমান এয়ারপোর্ট থেকে উড়াল শুরু করার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়। তাতে পাঁচজন ক্র সদস্য নিহত হয়। এটি ঘটেছিল ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে।

ওই একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নেকন এয়ারের একটি বিমান ত্রিভুবন বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় একটি টাওয়ারের সঙ্গে সংঘর্ষে কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে একটি অরণ্যে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১০ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রুর সবাই নিহত হন।

২০১১ সালে বুদ্ধ এয়ারের একটি বিমান বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় দুর্ঘটনায় ১৯ জন আরোহীর মধ্যে একজন শুরুতে প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হলেও পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মারা যান। বলা হয় খারাপ আবহাওয়া ও নিচুতে থাকা মেঘের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিল।

২০১২ সালে সিতা এয়ারের একটি বিমান উড্ডয়নের পরপরই সম্ভবত একটি শকুনের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৯ জন আরোহীর সবাই মারা যান।

২০১৫ সালে তুর্কী এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ঘন কুয়াশার মধ্যে নামতে গিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়ে। ৩০ মিনিট ধরে এটি বিমানবন্দরের ওপর উড়তে থাকে। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় নামতে পারলেও সেটি রানওয়ের থেকে ছিটকে মাঠের ঘাসের ওপর চলে যায়। ২২৭ জন যাত্রীকে সেখান থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

২০১৭ সালের মে মাসে সামিট এয়ারলাইন্সের একটি বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। আর সর্বশেষ দুর্ঘটনার শিকার হলো ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি।

গো নিউজ২৪/আই

আন্তর্জাতিক বিভাগের আরো খবর
মা হলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

মা হলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

অবশেষে সরে আসলেন ট্রাম্প

অবশেষে সরে আসলেন ট্রাম্প

একটি অসম প্রেম ও বিয়ে, অতঃপর...    

একটি অসম প্রেম ও বিয়ে, অতঃপর...    

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পদত্যাগ

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পদত্যাগ

কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবে ১২৮ যাত্রী নিখোঁজ 

ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবে ১২৮ যাত্রী নিখোঁজ 

Best Electronics AC mela