ঢাকা রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২ ফাল্গুন ১৪২৪
Beta Version

মদ,নারী-এমন অপকর্ম নেই যা সৌদি রাজপরিবারে হয় না: যুবরাজের স্ত্রী


গো নিউজ২৪ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: নভেম্বর ১০, ২০১৭, ০২:২৯ পিএম আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৭, ০২:৩০ পিএম
মদ,নারী-এমন অপকর্ম নেই যা সৌদি রাজপরিবারে হয় না: যুবরাজের স্ত্রী

দুর্নীতির দায়ে সম্প্রতি আটক হওয়া সৌদি যুবরাজ আল ওয়ালিদ বিন তালালের স্ত্রী আমিরা বিনতে আইডেন বিন নায়েফ সম্প্রতি রাজ পরিবারের অন্ধকার দিকের কথা তুলে ধরেছেন। আমিরা অবশ্য তালালের সাবেক স্ত্রী, যুবরাজের কর্মকাণ্ডের কারণে আগেই সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন।

আমিরা জানিয়েছেন, সৌদি পরিবারকে বাইরে থেকে যতোটা ভদ্র ও ধর্মভীরু বলে মনে হয়, বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো! তিনি জানান, তার সাবেক স্বামীসহ রাজপরিবারের অনেকেই অর্থ পাচারসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। এক কথায় বলতে গেলে এহেন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা করেন না।

আমিরা জানান, জেদ্দা শহরকে এরা দাস বাজারে পরিণত করেছেন। সেখানে অল্প বয়সী নারী বিক্রি থেকে শুরু করে মদ, সেক্স পার্টির মতো সব রকম ব্যভিচারই হয়ে থাকে। পুলিশ এসবের ব্যাপারে অবহিত থাকলেও শুধুমাত্র চাকরি হারানোর ভয়ে কোনো উদ্যোগ নেয় না। কেননা, শহরের সব অপরাধের পেছনে সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সে কারণেই সৌদি পরিবারের পুরুষেরা ব্যভিচারের চূড়ান্ত করে আসছে।

আমিরা সম্প্রতি হেলোউইন পার্টির উদাহরণ তুলে ধরেন। বলেন, সেই পার্টিতে সর্বসাকুল্যে দেড়শ’ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।

যাদের ভেতরে কূটনৈতিক কর্মকর্তারাও ছিলেন। সেখানে সেদিন যা হয়েছে তা বাইরের দেশের কোনো নাইট ক্লাবের থেকে আলাদা ছিল না।
সৌদি আরবে মদ নিষিদ্ধ হলেও সেই পার্টিতে তরল পদার্থটির বন্যা বয়ে গিয়েছিল। সেই ডিজে পার্টিতে ওয়াইন, জুটিদের নাচ, নানান ধরনের পোশাক পরা সবই হয়েছিল।

আমিরা জানান, সৌদি আরবে মদ নিষিদ্ধ হওয়ায় কালো বাজারে এটির প্রচুর দাম। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সেখানে এক বোতল স্মিরনফ ভদকা কিনতে গেলে প্রায় দেড় হাজার রিয়াল গুনতে হয়। টাকার হিসেবে যা প্রায় ৩৩ হাজার। কখনও কখনও সেসব পার্টিতে আয়োজকেরা আসল মদের বোতলে স্থানীয় মদ ঢুকিয়ে সার্ভ করে থাকে। স্থানীয় সেই সব ওয়াইনকে তারা সিদ্দিকী নামে চেনে।

আমিরা বলেন, সৌদি আরবে দাসপ্রথা এখনও রয়েছে। তবে সেটি গোপনে এবং অন্যভাবে হয়ে থাকে। রাজপরিবারের কিছু সুবিধাভোগী ব্যক্তি সেখানে দাস বিক্রি করে থাকেন। আর এসব দাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আনা হয় শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, রোমানিয়া এবং বুলগেরিয়া থেকে।    

যেসব শিশুকে এখানে বিক্রি করা হয় তারা কখনই মালিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোথাও যেতে পারে না। এমনকি এশিয়ার দাসীরা প্রায় ক্ষেত্রেই নিজেদের বন্দি বলেই মনে করেন। সেখানে অল্প বয়সী মেয়েদের আলাদা করে রাখা হয় এবং তাদের উপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়।

গো নিউজ ২৪/ এ আই 

আন্তর্জাতিক বিভাগের আরো খবর
হুমকির শক্ত জবাব দেয়া হবে ভারতকে: পাকিস্তান

হুমকির শক্ত জবাব দেয়া হবে ভারতকে: পাকিস্তান

শরণার্থী সংকট: ৫ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পড়ছে ইরানের স্কুলে

শরণার্থী সংকট: ৫ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পড়ছে ইরানের স্কুলে

কুয়েতে গৃহকর্মী হত্যা: লাশ ছিল নিয়োগদাতার ফ্রিজে

কুয়েতে গৃহকর্মী হত্যা: লাশ ছিল নিয়োগদাতার ফ্রিজে

সিরিয়া যুদ্ধ: পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গি বিমান পাঠালো রাশিয়া

সিরিয়া যুদ্ধ: পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গি বিমান পাঠালো রাশিয়া

রোহিঙ্গাদের শেষ ঠিকানা ভাষানচর? 

রোহিঙ্গাদের শেষ ঠিকানা ভাষানচর? 

পরমাণু শক্তি: আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবে চীন

পরমাণু শক্তি: আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবে চীন

Hitachi Festival