ঢাকা বুধবার, ০৪ আগস্ট, ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা উচিত


গো নিউজ২৪ | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২১, ১০:০১ এএম
সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা উচিত

জাতিসঙ্ঘের মুখপাত্র

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোকে ‘গুরুতর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিখ বলেছেন, এগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা উচিত। মুখপাত্র একই সাথে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য গোয়েন্দাবৃত্তির ইলেকট্রনিক সরঞ্জামাদি কেনার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের দফতরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নোত্তরে ডুজারিখ এসব কথা বলেছেন। প্রশ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দুর্নীতির অভিযোগ ও জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য সেনাবাহিনীর গুপ্তচরবৃত্তির সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে আলজাজিরার অনুসন্ধানে উঠে আসা তথ্যের ব্যাপারে মুখপাত্রের মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়।

কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আলজাজিরা গত সোমবার রাতে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এই প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রতিবেদনটি সাজানো, দুরভিসন্ধিমূলক, কল্পনাপ্রসূত ও অসৎ উদ্দেশ্যে প্রচারিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে সেনা সদর দফতর এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

বাংলাদেশ নিয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেছেন, বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত আলজাজিরার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে আমরা অবগত রয়েছি। দুর্নীতির অভিযোগগুলো একটি গুরুতর বিষয়। অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা উচিত।

ডুজারিখ বলেন, জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ইউনিফর্মধারী সদস্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণকারী। জাতিসঙ্ঘের ‘সুনির্দিষ্ট প্রয়োজন’ অনুসারে এই ধরনের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে এমন প্রতিটি শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য দেশটির সঙ্গে জাতিসঙ্ঘের চুক্তিতে এই প্রয়োজনের প্রতিফলন থাকে। আলজাজিরার তথ্যচিত্রে যেসব ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের কথা বর্ণনা করা হয়েছে, তার প্রয়োজনীয়তার কথা জাতিসঙ্ঘের কোনো চুক্তিতে উল্লেখ নেই। জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনের বাংলাদেশ কনটিনজেন্টসে এই ধরনের সরঞ্জাম রাখা হয়নি।

মুখপাত্র বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে জাতিসঙ্ঘের সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দানীতি অনুসরণ করতে হয়। পরিস্থিতির প্রয়োজনে জাতিসঙ্ঘ সদস্যদের নিরাপত্তা জোরদার করতে কোথাও কোথাও যোগাযোগে আড়িপাতা হয়। জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা গোয়েন্দানীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে ফোর্সেস কমান্ডারের অপারেশনাল অথরিটির অধীনে এই সক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।

গত মঙ্গলবার আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আলজাজিরায় প্রচারিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক ইসরাইল থেকে ইন্টারনেট ও মোবাইল মনিটরিং সরঞ্জামাদি ক্রয়সংক্রান্ত তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ব্যবহারের জন্য হাঙ্গেরির একটি কোম্পানি থেকে ক্রয়কৃত সিগন্যাল সরঞ্জামাদিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসরাইল থেকে আমদানিকৃত মোবাইল মনিটরিং প্রযুক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ক্রয়কৃত সরঞ্জাম কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো নথিপত্রেই এগুলো ইসরাইলের তৈরি বলে উল্লেখ নেই। বাংলাদেশের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় ওই দেশ থেকে প্রতিরক্ষাসামগ্রী ক্রয় কিংবা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গ্রহণের কোনো অবকাশ নেই।

গোনিউজ২৪/আই

সংবাদপত্রের পাতা থেকে বিভাগের আরো খবর
প্রতি বছরই নিতে হবে করোনার টিকা

প্রতি বছরই নিতে হবে করোনার টিকা

হেফাজতের দেশি-বিদেশি অর্থদাতা চিহ্নিত

হেফাজতের দেশি-বিদেশি অর্থদাতা চিহ্নিত

সংকটে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষ

সংকটে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষ

হেফাজতকে ছাড় দিতে রাজি নয় ক্ষমতাসীন আ. লীগ

হেফাজতকে ছাড় দিতে রাজি নয় ক্ষমতাসীন আ. লীগ

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা উচিত

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা উচিত

মেঘনা নদী গিলে খাচ্ছে মেঘনা গ্রুপ

মেঘনা নদী গিলে খাচ্ছে মেঘনা গ্রুপ