ঢাকা শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

আবরারের মতোই পরিণতি হয়েছিল আবিদের 


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ০৫:১৫ পিএম আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ১১:১৫ এএম
আবরারের মতোই পরিণতি হয়েছিল আবিদের 

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ছাত্রাবাসে ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর পিটুনির শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন আবিদুর রহমান আবিদ। তিনি ছিলেন চমেকের ৫১তম ব্যাচের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী।

স্বজনদের অভিযোগ, ছাত্রদলের কমিটি গঠনের চেষ্টা করায় তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতারা কয়েক দফা পিটিয়েছিলেন আবিদকে। এরপর তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বোনের বাসায়। দুইদিন পর ২১ অক্টোবর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবিদ।

তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মধ্যম বড়ইতলী গ্রামের মৃত নুরুল কবির চৌধুরীর ছেলে।

এ ঘটনায় আবিদের মামা নেয়ামত উল্লাহ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রসংসদের ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

অভিযুক্তরা হলেন- তৎকালীন ছাত্র সংসদের ভিপি মফিজুর রহমান জুম্মা, চমেক ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক বিজয় সরকার, সহ সাধারণ সম্পাদক হিমেল চাকমা, ফেরদৌস রাসেল, শান্ত দেবনাথ, মাহাফুজুর রহমান, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, দেবাশীষ চক্রবর্তী, মোস্তফা কামাল, রাশেদুর রহমান সানি ও সালমান মাহমুদ রাফসান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসামিদের দোষ প্রমাণ করতে না পারায় চলতি বছরের ১০ জুলাই আবিদ হত্যা মামলার রায়ে ৫ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সব আসামিকে খালাস দেন।

ছাত্রদল চমেক শাখার তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহমেদ দাবি করেছিলেন, আবিদ তাদের সক্রিয় কর্মী ছিল। আবিদসহ ছাত্রদল কর্মী ফয়সাল, নাজিম ও মাসুমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ছাত্রলীগ। পরে আবিদ মারা যায়।

এ ঘটনায় সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা মেডিকেল কলেজ প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে। একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সেলিম মো. জাহাঙ্গীর অনির্দিষ্টকালের জন্য মেডিকেল কলেজ বন্ধ এবং ছাত্র সংসদ কার্যক্রম স্থগিত ও কলেজ ক্যাম্পাসে সকল প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

গো নিউজ২৪/আই

এক্সক্লুসিভ বিভাগের আরো খবর
অনুপ্রেরণার আরেক নাম মালকিবা আইয়ার

অনুপ্রেরণার আরেক নাম মালকিবা আইয়ার

যৌনকর্মীদের জানাজা আর পড়াবেন না দৌলতদিয়ার সেই ইমাম

যৌনকর্মীদের জানাজা আর পড়াবেন না দৌলতদিয়ার সেই ইমাম

‘আমি মরে গেলে তাকে কে দেখবে, তাই মেরে ফেলেছি’

‘আমি মরে গেলে তাকে কে দেখবে, তাই মেরে ফেলেছি’

টিকটকে ‘ট্রিপিং জাম্প’ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ

টিকটকে ‘ট্রিপিং জাম্প’ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ

আড়াই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ: ইউরোপে প্রশিক্ষণ নিতে যেতে চান ১৩ কর্মকর্তা

আড়াই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ: ইউরোপে প্রশিক্ষণ নিতে যেতে চান ১৩ কর্মকর্তা

প্রযুক্তির সহায়তায় মৃত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ

প্রযুক্তির সহায়তায় মৃত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ