ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

একটি মোবাইল ফোনকে ঘিরে রিফাত হত্যার পরিকল্পনা 


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০১৯, ০৩:১২ পিএম আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৯, ০৩:১৮ পিএম
একটি মোবাইল ফোনকে ঘিরে রিফাত হত্যার পরিকল্পনা 

একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে রিফাত হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে বলে নাম প্রকাশ না করে একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য।তিনি বলেন, গত ২৬ জুন বুধবার রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়। ঘটনার দুইদিন আগে সোমবার হেলাল নামে এক ছেলের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় রিফাত শরীফ। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। সেই মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য নয়ন বন্ড মিন্নির দারস্থ হয়।

পরে রিফাত শরীফের কাছ থেকে ফোন উদ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মারধরের শিকার হন মিন্নি। পরে হত্যাকাণ্ডের আগের দিন মঙ্গলবার নয়নের সঙ্গে দেখা করে মিন্নি সেই মোবাইল নয়নের হাতে তুলে দেন।

এ সময় মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফের হাতে যে মারধরের শিকার হয়েছেন তার প্রতিশোধ নিতে নয়নকে রিফাত শরীফকে মারধর করতে বলেন। তবে মারধরের সময় নয়ন যাতে উপস্থিত না থাকেন, সেটাও মিন্নি নয়নকে বলে দেন। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় বরগুনা কলেজ মাঠে মিটিং করে রিফাত শরীফকে মারধরের প্রস্তুতি গ্রহণ করে বন্ড বাহিনী।

তিনি আরও জানান, রিফাত শরীফের ওপর হামলার আগ মুহূর্তে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নি কলেজ থেকে বের হলেও কলেজের সামনে রিফাতকে মারধরের পরিকল্পনা অনুযায়ী কোনো প্রস্তুতি দেখতে না পেয়ে সময় ক্ষেপণের জন্য রিফাত শরীফকে নিয়ে আবার কলেজে প্রবেশ করেন।

এর কিছুক্ষণ পরই বন্ড বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য একত্রিত হয়ে রিফাত শরীফকে আটক করে মারধর করতে করতে কলেজের সামনের রাস্তা দিয়ে পূর্ব দিকে নিয়ে যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী রিফাতকে মারধর করা হচ্ছে দেখেই মিন্নি তখন স্বাভাবিকভাবে হাঁটছিলেন।

পরিকল্পনার বাইরে গিয়ে নয়ন বন্ড রিফাত শরীফকে মারধর শুরু করলে মিন্নি তখনই এগিয়ে আসে। মূলত মিন্নি রিফাত শরীফকে বাঁচাতে নয়, রিফাত শরীফকে মারধরের অভিযোগ থেকে নয়ন বন্ডকে বাঁচাতেই বারবার নয়ন বন্ডকে প্রতিহত করেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হন মিন্নি।

এদিকে রিফাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।

এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ ও বুধবার মিন্নির রিমান্ড মঞ্জুরের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রয়েছে মিন্নি। ইতোমধ্যেই মিন্নি রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গেও মিন্নি যুক্ত ছিলেন।

এর আগে বুধবার এ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

গো নিউজ২৪/আই

এক্সক্লুসিভ বিভাগের আরো খবর
পরকীয়ার খেসারত দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

পরকীয়ার খেসারত দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

১১ বছরেও চালু হলো না সরকারি স্যালাইন ফ্যাক্টরিটি

১১ বছরেও চালু হলো না সরকারি স্যালাইন ফ্যাক্টরিটি

মিস্টার ওয়াল্ড হতে ভোট চাইলেন বাংলাদেশের ফাহিম

মিস্টার ওয়াল্ড হতে ভোট চাইলেন বাংলাদেশের ফাহিম

এমপি না হয়েও ৩ শর্তে শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা পেলেন মুহিত

এমপি না হয়েও ৩ শর্তে শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা পেলেন মুহিত

নবজাতককে নিয়ে টানাটানি করছিল তিনটি কুকুর

নবজাতককে নিয়ে টানাটানি করছিল তিনটি কুকুর

আদালতে ক্ষমা চাইলেন ভোলার এসপি

আদালতে ক্ষমা চাইলেন ভোলার এসপি