ঢাকা বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬

সেই কাশেমকে ৮০০ হাঁস কিনে দিচ্ছে ছাত্রলীগ


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকাশিত: জুন ১১, ২০১৯, ১১:০৫ এএম
সেই কাশেমকে ৮০০ হাঁস কিনে দিচ্ছে ছাত্রলীগ

বিষ প্রয়োগ করে দুই খামার মালিকের ৮ শতাধিক হাঁস মেরে ফেলেছে দুস্কৃতকারীরা। সম্প্রতি কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের ছবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় খামার মালিক আবুল কাশেম ও আবুল হাসেম রীতিমতো পথে বসে গেছেন।

জানা গেছে, ছবিলা গ্রামের আবুল কাশেম ও আবুল হাসেম যৌথভাবে একটি হাঁসের খামার পরিচালনা করে আসছিলেন। রোববার সকাল সাতটার দিকে তারা প্রতিদিনের মতো খামার থেকে হাঁস বের করে হাওড়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রথমে বাড়ির কাছেই একটি একটি ধান ক্ষেতের পানিতে নিয়ে হাঁসগুলো ছাড়ার কিছুক্ষণ পর এক একটা করে হাঁস অসুস্থ হতে থাকে। এভাবে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই খামারের ৮ শতাধিক হাঁস মারা যায়।

তবে সেই কাশেমের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৮০০ হাঁস কিনে দেওয়ার। বিষয়টি জানিয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের ছবিলা গ্রামের হতদরিদ্র আবুল কাশেম। শারীরিক প্রতিবন্ধী কাশেম ভাই কায়িকশ্রমের কাজ করতে পারেন না বলেই মোটা সুদে ঋণ করে হাঁসের খামার করেছিলেন ভাগ্য ফেরানোর আশায়। বিধি বাম! দুর্বৃত্তদের প্রয়োগ করা বিষে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তার বেঁচে থাকার অবলম্বন প্রায় ৮০০ হাঁস!

আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবার অসহায় আবুল কাশেম ভাইয়ের পাশে দাঁড়াব। সারা দেশের লাখো লাখো ছাত্রলীগ কর্মীর মাঝে আমরা ৮০০ কর্মী যদি একটি করে হাঁসের দায়িত্ব নেই, কাশেম ভাইয়ের পরিবার আবার বাঁচার অবলম্বন পাবে।

আমি আজ কথা বলেছি তার সাথে, ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে কাশেম ভাইয়ের পাশে থাকবো। দ্রুতই ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তাকে ৮০০ হাঁস কিনে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। মানুষ মানুষের জন্য ; জীবন জীবনের জন্য। 

এর আগে খামারের মালিক আবুল কাশেম জানান, তিনি খুব কষ্ট করে দুই লাখ টাকা ঋণ করে এবং ভাতিজা আবুল হাসেমকে অর্ধেক শেয়ারে নিয়ে হাঁসের খামারটি করেছিলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, হাঁসগুলোর মৃত্যুতে তিনি নিঃস্ব হয়ে গেছেন। কি করে যে ঋণ পরিশোধ করবেন এই নিয়ে এখন দিশেহারা।

গো নিউজ২৪/আই

এক্সক্লুসিভ বিভাগের আরো খবর
মুরসির মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুললেন এরদোগান

মুরসির মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুললেন এরদোগান

আকাশের সেই ‍‍`ল্যাম্বোরগিনি‍‍`তে ডিসি দম্পতি

আকাশের সেই ‍‍`ল্যাম্বোরগিনি‍‍`তে ডিসি দম্পতি

নরপশুটা আমাকে কোলে তুলে মোনাজাত করতো!

নরপশুটা আমাকে কোলে তুলে মোনাজাত করতো!

অফিসারদের কক্ষে ঘুম-নাস্তা!

অফিসারদের কক্ষে ঘুম-নাস্তা!

পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতেই লুকিয়ে ছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম

পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতেই লুকিয়ে ছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম

বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ইয়াকুব আলীর শেষ ইচ্ছা

বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ইয়াকুব আলীর শেষ ইচ্ছা