ঢাকা রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪
Beta Version

যৌন খেলনার প্রাচীন ইতিহাস


গো নিউজ২৪ | অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০১৭, ০৬:১৭ পিএম
যৌন খেলনার প্রাচীন ইতিহাস

পশ্চিমা দুনিয়ায় বিকল্প ও বাড়তি যৌনচর্চা হিসেবে তুমুল আগ্রহ সৃষ্টি করেছে নানারকম যৌন খেলনা সামগ্রী। তবে এতদিন মনে করা হত এ ধরনের যৌন খেলনা বর্তমান আধুনিক সভ্যতার সর্বশেষ আবিষ্কার। কিন্তু এ ধারণা পুরো পাল্টে দিয়েছে ৩শ’ বছর আগের এক যৌন খেলনা আবিষ্কারের ঘটনা। 

বর্তমান যুগে সেক্স টয় বা যৌন খেলনা, যেমন ভাইব্রেটরের মতো টয়গুলো কেবল একটা উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হয়, আর তা হলো আনন্দ৷ যদিও ভাইব্রেটরের আবিষ্কার হয়েছিল নারীদের যৌনতার ওপর পুরুষদের নিয়ন্ত্রণের জন্য৷

বিশ্বের প্রথম ডিলডো
কাঁচা কলা হোক বা উটের শুকনো গোবর- প্রাচীন কালে গ্রিস ও মিশরের মানুষ এগুলোর ওপর পিচ্ছিল পর্দার্থের প্রলেপ দিয়ে যৌন খেলনা বানিয়ে নিত৷ এছাড়া আরও বিকল্প ছিল বাঁকানো পাথর, চামড়া বা কাঠের বস্তু৷ বিশ্বের প্রথম ‘ডিলডো’ কিন্তু জার্মানিতেই আবিষ্কার হয়েছিল, তাও আবার ২৮,০০০ বছর আগে৷ ২০ সেন্টিমিটার লম্বা এই পাথরটি কেবল যে ‘সেক্স টয়’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো তা-ই নয়, আগুন জ্বালানোর কাজেও ব্যবহৃত হতো৷

খুলে দাও
ডিলডো শব্দটি প্রথম এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘ডিলাটারে’ থেকে, ১৪০০ শতাব্দিতে৷ এর মানে হচ্ছে খুলে দাও৷ আর ইতালিতে দিলেত্তো মানে খোল৷ ইতালীয় রেনেঁসার একশ বছর পর চামড়া ও অলিভ অয়েল দিয়ে যৌন খেলনা তৈরি হতো৷ তবে ইতিহাস বলে শুনতে যতটা আনন্দদায়ক হওয়ার কথা খেলনাটি ততটা ছিল না৷

নারীর আকাঙ্ক্ষা?
দীর্ঘদিন ধরে সহবাস মানেই ছিল পুরুষের চরম উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছানো৷ পুরুষ শাসিত সেসব সমাজে নারীদের ‘অরগাজম’ বা তাদের তৃপ্তি দেয়াটাকে অবহেলা করা হতো৷ যেসব নারীর যৌন চাহিদা বেশি থাকত, তাদের হিস্টিরিয়া রোগী মনে করত পুরুষরা৷ তাদের জন্য নানা ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল৷

নারীদের যৌন চাহিদার চিকিৎসা
নারীদের এ ধরনের ‘হিস্টিরিয়া’ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল৷ একটা নির্দিষ্ট বয়সে প্রায় সব নারীর মধ্যেই দেখা যাচ্ছিল৷ এর ফলে কখনো কখনো অনেকের জ্বরও হতো৷ এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তাররা এই টেবিলে যোনী ম্যাসাজের পরামর্শ দিতেন৷ কেননা, সেসময় হস্তমৈথুন ছিল নিষিদ্ধ৷

ডিলডো যখন ভাইব্রেটরে পরিণত হলো
ধনী নারীদের যে কোনো রোগের চিকিৎসা ছিল, কেননা, ডাক্তাররা অনেক অর্থ পেতেন৷ আর তাই তারা কাজে লেগে গেলেন কীভাবে তাদের যৌন হিস্টিরিয়ার চিকিৎসা করা যায়৷ ১৮৮০-র দশকে ভিক্টোরিয়ার আমলে ড. জোসেফ মরটিমার প্রথম ইলেকট্রো ম্যাকানিকেল ভাইব্রেটর আবিষ্কার করেন৷ এই যন্ত্রের ফলে ১০ মিনিটেই চরম উত্তেজনায় পৌঁছে যেতেন নারীরা৷

সুখী গৃহিনীরা
বিংশ শতাব্দিতে বিভিন্ন কোম্পানি ভাইব্রেটর বানানো শুরু করে৷ স্বাস্থ্য সেবা হিসেবে বিজ্ঞাপন ছাপা হতে লাগলো বিভিন্ন ম্যাগাজিনে৷ ডাক্তাররা এতে মোটেও খুশি হননি৷ অনেকের মনে হলো, অরগাজমের জন্য নারীদের বুঝি আর পুরুষ সঙ্গীর প্রয়োজন থাকবে না৷

গো নিউজ২৪/এএইচ

এক্সক্লুসিভ বিভাগের আরো খবর
প্রথমে রায়ের কপি, এরপর নথি, তার পর কী ?

প্রথমে রায়ের কপি, এরপর নথি, তার পর কী ?

কলঙ্কময় পিলখানা ট্রাজেডি: বিভিন্ন দলিলে গোয়েন্দা ব্যর্থতার চিত্র

কলঙ্কময় পিলখানা ট্রাজেডি: বিভিন্ন দলিলে গোয়েন্দা ব্যর্থতার চিত্র

কে এই নিপুন রায় চৌধুরী, দেখে নিন...

কে এই নিপুন রায় চৌধুরী, দেখে নিন...

দুর্ভাগ্য তাদের, একটি মাত্র ভুলেই সব শেষ...

দুর্ভাগ্য তাদের, একটি মাত্র ভুলেই সব শেষ...

লন্ডন পুলিশের জেরার মুখে তারেক!

লন্ডন পুলিশের জেরার মুখে তারেক!

দেখে নিন বিভিন্ন দেশের অদ্ভুত কিছু আইন!

দেখে নিন বিভিন্ন দেশের অদ্ভুত কিছু আইন!

Hitachi Festival