ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

যে কারণে পুলিশের কাছে হাসির পাত্র হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা


গো নিউজ২৪ | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২১, ০৭:৩৫ পিএম
যে কারণে পুলিশের কাছে হাসির পাত্র হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

সরকারি বিভিন্ন পেশাজীবীদের পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ড থাকলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আইডি কার্ড নেই। দেশের কিছু জেলার শিক্ষকদের জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে ভিন্ন ভিন্ন আইডি কার্ড ইস্যু করা হলেও দেশের বেশিরভাগ জেলায় তা করা হয়নি।

লকডাউনের এই সময় উপবৃত্তির জন্য তথ্য সংগ্রহসহ বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে নিজের পরিচয় তুলে ধরতেই আইডি কার্ডের প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় অভিন্ন আইডি কার্ড চাচ্ছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা জানান, আইডি কার্ড না থাকায় হয়রানির শিকার এবং পুলিশের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন তারা। এসব আলোচনা তুলে ধরে শিক্ষকরা আইডি কার্ড দেওয়ার দাবি করেছেন। শিক্ষক নেতারা বিষয়টি আমলে নিয়ে অধিদফতরের কাছে প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছেন আইডি কার্ড সরবরাহের জন্য।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবুল কাসেম বলেন, ‘শিক্ষকদের উপবৃত্তির তথ্য সংগ্রহসহ পেশাগত বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হচ্ছে। এসময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শিক্ষক কিনা তা যাচাই করতে পরিচয়পত্র চাচ্ছেন। যদিও পুলিশ তাদের বাধা দিচ্ছেন না। কিন্তু কখনও কখনও হাসির পাত্র হচ্ছেন শিক্ষকরা। অনেকেই হাসাহাসি করে বলছেন, কী চাকরি করেন আইডি কার্ড নেই?

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনেও আইডি কার্ড প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সে কারণে আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে অভিন্ন আইডি কার্ড চাইবো।

মো. আবুল কাসেম আরও বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে শিক্ষকদের রক্তের গ্রুপসহ সকল তথ্য রয়েছে। অধিদফতর চাইলে আইডি কার্ড করে দিতে পারবে কোনও সমস্যা হবে না। তাছাড়া নমুনা পাঠিয়ে জেলা শিক্ষা অফিস বা উপজেলা শিক্ষা অফিসে নির্দেশনা দিলেও শিক্ষকরা নিজ দায়িত্বেও অভিন্ন পরিচয়পত্র তৈরি করতে পারবেন।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘লকডাউনে উপবৃত্তির তথ্য সংগ্রহসহ পেশাগত বিভিন্ন জরুরি কাজে বাইরে বের হলে পরিচয়পত্র দেখতে চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিচয়পত্র না দিতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকদের নিয়ে হাসাহাসি করা হচ্ছে। লকডাউন ছাড়াও প্রশাসনিক কাজে পরিচয়পত্র প্রয়োজন হয়ে পড়ে। পরিচয়পত্র না থাকার কারণে প্রশাসনিক কাজে হয়রানির শিকারও হন শিক্ষকরা। এ কারণে আমাদের দাবি দেশের সব শিক্ষককে অভিন্ন পরিচয়পত্র দেওয়া হোক।

প্রসঙ্গত, লকডাউন চলাকালে সরকারি নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠান প্রধানকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছুটির সময় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। এমনকি সামনেও দিনগুলোতেও ছুটি থাকলে জরুরি দায়িত্ব পালন করবেন শিক্ষকরা। এসব কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অভিন্ন পরিচয়পত্র দাবি করছেন বলে জানান শিক্ষকরা।

শিক্ষা বিভাগের আরো খবর
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

প্রাথমিকের ছুটিও ২৯ মে পর্যন্ত বাড়লো

প্রাথমিকের ছুটিও ২৯ মে পর্যন্ত বাড়লো

আবারও পিছিয়ে গেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ

আবারও পিছিয়ে গেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ

এবার পেছাচ্ছে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা

এবার পেছাচ্ছে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা

ফের এসএসসির ফরম পূরণ শুরু ২২ মে

ফের এসএসসির ফরম পূরণ শুরু ২২ মে

জাতীয় অধ্যাপক হলেন ৩ শিক্ষাবিদ

জাতীয় অধ্যাপক হলেন ৩ শিক্ষাবিদ