ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭

বেতন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিড়ম্বনার বর্ণনা


গো নিউজ২৪ | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ০৯:২৬ এএম
বেতন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিড়ম্বনার বর্ণনা

'সেই কাকডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে মাঠে গিয়ে পিটিতে (শারীরিক কসরত) অংশগ্রহণ। শারীরিক শিক্ষা ইন্সট্রাক্টরের নির্দেশনায় পিটি শেষে হোস্টেলে এসে প্রস্তুত হয়ে সকাল ৯টার মধ্যে ক্লাসে হাজিরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা পিটিআইতে ক্লাস। তারপর আবার হোস্টেলে গিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করা ও ক্লাসের পড়া প্রস্তুত করা। এভাবে ১৮ মাস কষ্ট করে চূড়ান্ত ফলের জন্য পরীক্ষা দিয়ে পাস করা। এরপর প্রশিক্ষণ স্কেলের আবেদন জমা দিলে শিক্ষকের মাসিক বেতন না বেড়ে উল্টো কমে যাচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের নাম ডিপিএড প্রশিক্ষণ।' আক্ষেপ করে এভাবেই প্রাথমিক শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণের বিড়ম্বনা বর্ণনা করছিলেন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার মাদলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিফাতুর রহমান।

প্রশিক্ষণ নিলে বেতন কমে- এটা সরকারের অন্য কোনো বিভাগে দেখা না গেলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এটি একটি চিরাচরিত বিষয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক এই প্রশিক্ষণ নিতে হয়। আগে এই প্রশিক্ষণের নাম ছিল সিইনএড (সার্টিফিকেট ইন প্রাইমারি এডুকেশন)। বর্তমানে এ প্রশিক্ষণের নাম ডিপিএড (ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন)। অনেক শিক্ষক এই ডিপিএড সনদকে পিটিআইর 'হোয়াংহো' বলেও উল্লেখ করেন। ১৮ মাস হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে অর্জন করা ডিপিএড সনদ নিজেদের সার্ভিসবুকে যুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে যখন একজন শিক্ষকের মূল বেতন ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা কমে যায়, তখন কারই বা ভালো লাগবে এই প্রশিক্ষণ নিতে। অথচ চাকরি বাঁচিয়ে রাখতে এই প্রশিক্ষণ অবশ্যই করতে হয় শিক্ষকদের।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৫তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হতো। আর ডিপিএড প্রশিক্ষণ নিলে ১৪তম গ্রেডে বেতন পেতেন শিক্ষকরা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং প্রশিক্ষণবিহীন সব সহকারী শিক্ষকের বেতন ১৩তম গ্রেডে নেওয়া হয়। এতে শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া নিম্ন ধাপে বেতন নির্ধারণ হওয়ায় আগে থেকে প্রশিক্ষণ পাওয়া শিক্ষকদের বেতন নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের থেকে কমে যায়। এতে বৈষম্য আরও বাড়ে।

জানা গেছে, প্রশিক্ষণ নিয়ে বেতন কমায় সারাদেশের অন্তত দুই লাখ ৮২ হাজার শিক্ষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে তিন লাখ ৫২ হাজার সহকারী শিক্ষক কর্মরত। তাদের ৬০ শতাংশই নারী। জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে বেতনের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করার পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি এই শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কর্মরত সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষকের মধ্যে ২০১৮ সালে নিয়োগ পাওয়া ২৫ হাজার শিক্ষকসহ প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণ এখনও নেননি। বাকি দুই লাখ ৮২ হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং তারা সবাই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বাড়ছে বৈষম্য :শিক্ষকরা জানান, স্বাধীনতার পর থেকে পিটিআইগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরিকালীন দক্ষতার ট্রেনিং নেওয়াকে আবশ্যিক করা হয়। শুরুতে এর নাম ছিল সিইনএড, যা এক বছর মেয়াদি ছিল। পরে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধীনে নিয়ে ১৮ মাসের ডিপিএড ট্রেনিং নাম দেওয়া হয়েছে। ট্রেনিং করে বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর
সার্ভিসবুকে এ সনদ যুক্ত করলে বেতন এক গ্রেড বৃদ্ধি পাওয়ার কথা। অথচ নিম্ন ধাপে শিক্ষকদের বেতন ফিক্সেশনের কারণে মূল বেতন উল্টো কমে যায়। পরের বছর দেখা যায়, একই সময়ে প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগদান করা দু'জন শিক্ষকের মধ্যে যিনি ডিপিএড প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তার বেতন প্রশিক্ষণ করেননি এমন শিক্ষকের চেয়ে একটি ইনক্রিমেন্ট কম।

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক ছিফাতুর রহমান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় প্রশিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। ডিপ্লোমা নাম দিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হলেও একটি কালো আইনের জাঁতাকলে পড়ে দীর্ঘ ১৮ মাস আবাসিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরও বেতন কমে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর উচ্চ গ্রেডে বর্তমান মূল বেতনের নিম্নতম ধাপে বেতন নির্ধারণ করার ফলে একটি ইনক্রিমেন্ট কমে যাচ্ছে এবং তা প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকের সঙ্গে শতকরা হারে ব্যবধানটা দিন দিন আরও বেশি হচ্ছে। উচ্চ ধাপ থেকে বর্তমান মূল মাত্র ১০-২০ টাকা কম থাকার কারণে উচ্চ ধাপ দেওয়া হচ্ছে না, অথচ ক্ষেত্রবিশেষ ৫০০-৭০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন কমে যাচ্ছে। সরকার চাইলে ১০-২০ টাকা বেশি দিয়ে উচ্চ ধাপে বেতন নির্ধারণ করতে পারে। তাহলে কোনো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে না। ডিপ্লোমাকে অন্যান্য বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দিলেও প্রাথমিকে ঠিক তার উল্টোটা করে শিক্ষকের বেতন বরং কমিয়ে দিচ্ছে। আমরা চাই, ডিপিএড/ সিইনএড প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে উচ্চ ধাপে উচ্চতম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হোক।

২০১৫ সালের পর অষ্টম পে-স্কেলে প্রশিক্ষণ (ডিপিএড/ সিইনএড) গ্রহণকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রেড নিম্ন ধাপে নির্ধারণের কবলে পড়ে একই স্মারকে যোগদানকারী প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকের তুলনায় মূল বেতনে পিছিয়ে পড়েছেন, যা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে। কারণ, বর্তমান পে-স্কেলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সব শিক্ষকের বার্ষিক বর্ধিত বেতন ৫ শতাংশ। তাই প্রশিক্ষণজনিত কারণে মূল বেতনে পিছিয়ে পড়া শিক্ষকের আর এগিয়ে আসার সুযোগ নেই।

ফলে প্রশিক্ষণ গ্রেড সংযুক্তকারী শিক্ষক বছরে হাজার হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন, যা একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চাকরি-পরবর্তী প্রশিক্ষণের প্রতি শিক্ষকদের মনে বিরূপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। যেখানে অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে একজন ডিপ্লোমাধারী জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে চাকরি করছেন, সেখানে প্রাথমিক বিভাগে এইচএসসি/ স্নাতক/ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী একজন শিক্ষক ১৮ মাসের একটি মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। তাই এ সমস্যার সমাধান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্নিষ্টরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষকদের কথা :রংপুর ক্যাডেট কলেজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রওশন আরা বীথি বলেন, ২০১৩ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে রংপুর সদরে যোগদান করেন তিনি। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে রংপুর পিটিআই থেকে ডিপিএড সম্পন্ন করেন। এ বছরের ১ জুলাই তার মূল বেতন ১৩ হাজার ৫০ টাকা। অথচ একই স্মারকে ২০১৩ সালে চাকরিতে যোগদান করা প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকের মূল বেতন ১ জুলাই দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭০০ টাকা। প্রশিক্ষণ গ্রেড নিম্ন ধাপে নির্ধারণের কারণে স্মারকে যোগদান করা প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকের তুলনায় ৬৬০ টাকা মূল বেতনে পিছিয়ে পড়েছেন। যেখানে উচ্চ ধাপে ফিক্সেশনে তার প্রশিক্ষণে ১০ টাকা বেতন বাড়লেও মূল বেতন হওয়ার কথা ছিল ১৩ হাজার ৭১০ টাকা।

তিনি বলেন, আমরা এই সমস্যার আশু সমাধান চাই। কারণ, প্রস্তাবিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগবিধি ২০১৯-এ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন কোনো পৃথক গ্রেড থাকছে না।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গঙ্গাচড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুন্নাহার শারমীনের অবস্থা আরও করুণ। ২০১০ সালে চাকরিতে এসে ২০১৬ সালে ডিপিএড করেন। বর্তমানে তার মূল বেতন ১৩ হাজার ৭১০ টাকা। তার সঙ্গে যোগদান করা অপর শিক্ষক, যিনি ২০১০ সালে সিইনএড করেছেন, তার বর্তমান মূল বেতন ১৫ হাজার ১২০ টাকা। আবার যিনি তারও পরে চাকরিতে যোগদান করে প্রশিক্ষণ নেননি, তার মূল বেতনও কামরুন্নাহার শারমীনের চেয়ে বেশি।
যশোর সদর উপজেলার নালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আলিউল ইসলাম বলেন, চাকরিতে নিয়োগ ২০১৩ সালে। যশোর পিটিআই থেকে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ডিপিএড করেন। ২০১৭ সালে ১৪তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ হয় ১১ হাজার ২৫০ টাকা। ৫৬০ টাকা পিপি যোগ করে ২০১৭ সালে মূল বেতন সমন্বয় করা হয়। কিন্তু একই সালে ও একই তারিখে নিয়োগ পাওয়া একই উপজেলার সহকারী শিক্ষক পলিয়ারা খাতুনের চেয়ে ২০১৮ সালে ৫৯০ টাকা, ২০১৯ সালে ৬২০ টাকা ও ২০২০ সালে ৬৫০ টাকা কম পাচ্ছেন তিনি। বাড়িভাড়াসহ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের বেতন অন্তত হাজার টাকার বেশি কমে যাবে। এ বৈষম্যের অবসান চান এই শিক্ষক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, প্রশিক্ষণ করলে বেতন কমে যায়- এর ভুক্তভোগী প্রায় সব শিক্ষক। তবে ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর বেতন কমার হার অনেক বেশি বেড়ে গেছে। ২০১৫ সালের আগেও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ গ্রেডে বেতন কমত। তবে তখন প্রশিক্ষণ করে এক ধাপ উচ্চ গ্রেডে যাওয়ার কারণে প্রতিবছর আগের বছরের তুলনায় ১৫ টাকা (২৬৫-এর স্থলে ২৯০ টাকা) বেশি ইনক্রিমেন্ট হতো বলে পরবর্তী পে-স্কেলে বা কয়েক বছর চাকরির পর ক্ষতিটা সমন্বয় হয়ে যেত। কিন্তু ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে সবার বেতন বার্ষিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধির নিয়ম চালু হওয়ায় নিম্ন ধাপে প্রশিক্ষণ স্কেল ফিক্সেশনের কারণে একবার যার বেতন কমে যায়, তিনি সারাজীবন চাকরি করেও এই ক্ষতি আর পোষাতে পারবেন না। এমনকি একজন শিক্ষক যখন অবসরে যাবেন, তিনি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা অবসরকালীন এককালীন ভাতা কম পাবেন। এখানে আরও সমস্যা হলো, চাকরিত জুনিয়রের চেয়ে সিনিয়রের বেতন অনেক কম যাচ্ছে।

এই শিক্ষক নেতা বলেন, এর সমাধান হলো প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকের সঙ্গে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের বেতন সমন্বয় করা। একই স্মারকে নিয়োগপ্রাপ্ত সব শিক্ষকের সমপরিমাণ বেসিক নিশ্চিত করা এবং সিনিয়র-জুনিয়র মূল বেতনের সমন্বয় করা।

মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য :প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রশিক্ষণ নিলে তো বেতন বাড়ার কথা। প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন উল্টো কেন কীভাবে কমে যাচ্ছে, তা আমরা দেখব। তিনি বলেন, শিক্ষকদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। বেতন ফিক্সেশন তিনিই করার কথা। তিনি কোনো কারণে সেটি না পারলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানাবেন। তিনিও না পারলে আমাদের কাছে নির্দেশনা চাইবেন। এটি এখনও আমাদের (মন্ত্রণালয়ের) কাছে অফিশিয়ালি আসেনি। আমরা সামাজিক মাধ্যমে শিক্ষকদের মাধ্যমে জেনেছি, তাদের বেতন কমে যাচ্ছে।

সিনিয়র সচিব বলেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (বিদ্যালয়) এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ শিক্ষকদের অন্যান্য সমস্যার মতো এটাও দ্রুতই সমাধান করা যাবে।সূত্র:সমকাল

শিক্ষা বিভাগের আরো খবর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ডিজি কে এই আলমগীর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ডিজি কে এই আলমগীর

প্রাথমিকে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

প্রাথমিকে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়ার নির্দেশ শিক্ষকদের

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়ার নির্দেশ শিক্ষকদের

ডিসেম্বরে এইচএসসির ফল প্রকাশ

ডিসেম্বরে এইচএসসির ফল প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

জিটুপি পদ্ধতিতে সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে যাবে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন

জিটুপি পদ্ধতিতে সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে যাবে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন