ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭

এক নজরে সকল বোর্ডের পাসের হার ও জিপিএ-৫


গো নিউজ২৪ | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২০, ০২:০৮ পিএম আপডেট: মে ৩১, ২০২০, ০৩:০৯ পিএম
এক নজরে সকল বোর্ডের পাসের হার ও জিপিএ-৫

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড়ে ৮২.৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এর মধ্যে এসএসসিতে ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, মাদ্রাসায় ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং কারিগরিতে ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ পাস করেছে। রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে।’

দীপু মনি জানান, এসএসসির সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮২.৩৪ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৯০.৩৭ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৮৫.২২ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৮৭.৩১ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৪.৭৫ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৭৯.৭০ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৭৮.৭৯ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৮২.৭৩ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮০.১৩ শতাংশ। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ৮২.৫১ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ৭২.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী।

ঢাকা বোর্ড
ঢাকা বোর্ডে ৮২ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ হাজার ৪৭ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ৬৮৭ জন পরীক্ষার্থী। ঢাকা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছর ঢাকা বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৪ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৮ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে পাস করেছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৭১৯ জন। 

চট্টগ্রাম বোর্ড:
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে  ৯ হাজার ৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ১১ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৭ হাজার ৩৯৩ জন পরীক্ষার্থী। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে।

কুমিল্লা বোর্ড
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে এবার পাসের হার ৮৫.২২ ভাগ। যা গতবারের থেকে কমেছে। গতবার পাসের হার ছিলো ৮৭.১৬ ভাগ। তবে এবার বেড়েছে জিপিএ-৫। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন। গতবার এ সংখ্যা ছিলো ৮ হাজার ৭৬৪। এ বছর ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬০ জন। এবার শতভাগ পাস করেছে ১৬২টি প্রতিষ্ঠান। শতভাগ ফেল প্রতিষ্ঠান নেই।

কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর নিয়ে কুমিল্লা বোর্ড। এই বোর্ডে এবার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এক হাজার ৭৩২টি প্রতিষ্ঠান। জেলাওয়ারী ফলাফলের শীর্ষে ফেনী ৮৮.১৫ ভাগ, সবার শেষে নোয়াখালী ৮১.৫৯ ভাগ।

সিলেট বোর্ড
সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যা বেড়েছে। এবারে সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন। গতবার এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল ২ হাজার ৭৫৭ জন।

এই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কবির আহমদ জানান, এবারে এক লাখ ১৬ হাজার ১০৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে ৯১ হাজার ৪৮০ জন পাস করেছে।

মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৯ হাজার ৫০৪ জন ছেলে এবং ৫১ হাজার ৭৭৬ জন মেয়ে পাস করেছে। ছেলেদের পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এছাড়া ২ হাজার ৮১ জন ছেলে এবং ২ হাজার ১৮২ জন মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

প্রত্যেক বছরের মত বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে। এই বিভাগের ২১ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৯ হাজার ৫৪২ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯০ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৩২ জন।

মানবিক বিভাগে ৮৪ হাজার ২৯৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ৬৩ হাজার ১৮ জন। এই বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭০ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১০ হাজার ২০৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ৮ হাজার ৯২০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬১ জন।

এদিকে সিলেট বোর্ডের অধীনে যথারীতি সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে সিলেট জেলার শিক্ষার্থীরা। এই জেলায় পাসের হার ৮০ দশমিক ৯৬ শতাংশ। সিলেটের ঠিক পরে থাকা মৌলভীবাজারের পাসের হার ৮০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলায় ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ ও হবিগঞ্জে ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

রাজশাহী বোর্ড
২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে  ২৬ হাজার ১৬৭ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২২ হাজার ৭৯৫ জন পরীক্ষার্থী। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার কিছুটা কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে।

বরিশাল বোর্ড
বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে গতবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি দুটিই বেড়েছে। এ বছর পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭০। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৪১। ২০১৫ সাল থেকে এ বোর্ডে পাসের হার কমা শুরু হলে চার বছর পর গত বছর এ অবস্থার উন্নতি ঘটে।

এবারও পাসের হারের সঙ্গে বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবার মোট ৪ হাজার ৪৮৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদের মধ্যে ছেলে পরীক্ষার্থী ২ হাজার ১০৯ জন এবং মেয়ে পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৩৭৪ জন। গত বছর এ বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ১৮৯ জন।

বরিশাল বোর্ডের ফলাফল থেকে জানা গেছে, উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ ৪-৫ পেয়েছে ১৮ হাজার ১১০ জন, জিপিএ ৩.৫-৪ পেয়েছে ১৮ হাজার ৫৩৩ জন, জিপিএ ৩-৩.৫ পেয়েছে ২৩ হাজার ৮৭ জন, জিপিএ-২-৩ পেয়েছে ২৪ হাজার ৬২৫ জন এবং জিপিএ ১-২ পেয়েছে ৭৭৮ জন।

এ বছর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী পাস করেছে বিজ্ঞান বিভাগে। এ বিভাগে ২৫ হাজার ৭৭৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৩ হাজার ৬৫৯ জন। পাসের হার ৯১ দশমিক ৮০। মানবিক বিভাগে ৬৪ হাজার ২৫৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪৭ হাজার ৯১৬ জন। পাসের হার ৭৪ দশমিক ৫৭। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২২ হাজার ৪০৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৮ হাজার ৪১ জন। পাসের হার ৮০ দশমিক ৫১।

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে মোট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৪৩৬ জন। এদের মধ্যে পাস করেছে ৮৯ হাজার ৬১৬।

দিনাজপুর বোর্ড
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার কমলেও জিপিএ-৫ বেড়েছে। কমেছে শতভাগ পাস করা স্কুলের সংখ্যাও। এ বছর গড় পাসের হার ৮২.৭৩ শতাংশ। যা গতবার ছিল ৮৪.১০ শতাংশ।

দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৮২১ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৫ জন। এদের মধ্যে ছাত্র ৯৮ হাজার ৮৩৩ জন ও ছাত্রী ৯২ হাজার ৯৮৮ জন। গড় পাসের হার ৮২.৭৩ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৮১.২২ শতাংশ ও ছাত্রীদের পাসের হার ৮৪.৩২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন। যা গতবার ছিল ৯ হাজার ২৩ জন। এদের মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ৩২৬ জন ও ছাত্রী ৫ হাজার ৭৬০ জন। জিপিএ-৫ গতবারের চেয়ে ৩ হাজার ৬৩ জন বেশি পেয়েছে।

এ বছর শতভাগ পাসকৃত বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১২২ যা গতবার ছিল ১৩৮টি। শতভাগ পাসকৃত স্কুলের সংখ্যা গতবারের চেয়ে এবার ১৬টি কম। কেউই পাস করেনি এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১টি।

যশোর বোর্ড
যশোর বোর্ডে ৮৭ দশমিক ৩১ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে এবার ভালো ফলে শীর্ষ স্থান দখল করেছে সাতক্ষীরা জেলা।

এই জেলা থেকে ৯৪ দশমিক ০৩ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করে বোর্ডের মধ্যে প্রথম হয়েছে। গতবার বোর্ডের মধ্যে তারা ছিল দ্বিতীয়। গতবারের শীর্ষ খুলনাকে দুইয়ে হটিয়ে তারা প্রথম স্থান দখল করেছে। রোববার বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ৯২ দশমিক ৬৬ ভাগ ছাত্রছাত্রী পাস করে বোর্ডের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে খুলনা জেলা। ২০১৯ সালের রেজাল্টে বোর্ডের মধ্যে তাদের অবস্থান ছিল প্রথমে।

বোর্ডে তৃতীয় অবস্থানে বাগেরহাট জেলা। বাগেরহাট থেকে ৯০ দশমিক ৮৬ ভাগ পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। চতুর্থ স্থানের তালিকায় থাকা যশোর জেলা থেকে পাস করেছে ৯০ দশমিক ০৪ ভাগ শিক্ষার্থী। ৫ম স্থানে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা। এখান থেকে ৮৬ দশমিক ৯৯ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। আর ৮৩ দশমিক ৯৫ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে নড়াইল জেলা।

ঝিনাইদহ জেলা রয়েছে সপ্তম স্থানে। এখানে ৮৩ দশমিক ৭৪ ভাগ পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। অষ্টম স্থানে থাকা মাগুরা জেলা থেকে পাস করেছে ৮২ দশমিক ৩৪ ভাগ শিক্ষার্থী। নবম স্থানে থাকা কুষ্টিয়া জেলা থেকে পাস করেছে ৮০ ভাগ শিক্ষার্থী। আর দশম স্থানে রয়েছে মেহেরপুর জেলা। এ জেলা থেকে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৩০ ভাগ।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, এ বছর যশোর বোর্ডে মোট এক লাখ ৬০ হাজার ৬৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে এক লাখ ৪০ হাজার ২৪৩৮ জন। পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

মাদরাসা বোর্ড
মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গতবছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ।  জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

গোনিউজ২৪/এন

শিক্ষা বিভাগের আরো খবর
শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট চান শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট চান শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষা ছাড়াই পাসের ঘোষণা আসতে পারে

পরীক্ষা ছাড়াই পাসের ঘোষণা আসতে পারে

৯৯ পেরিয়ে শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৯৯ পেরিয়ে শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তির বয়স কমানো হলো ৫ শর্তে

প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তির বয়স কমানো হলো ৫ শর্তে

ননএমপিও শিক্ষকরা পাবেন ৫০০০, কর্মচারীরা পাবেন ২৫০০ টাকা করে

ননএমপিও শিক্ষকরা পাবেন ৫০০০, কর্মচারীরা পাবেন ২৫০০ টাকা করে