ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

জালিয়াতি করে ঢাবিতে ভর্তি হওয়া ৬৩ জনের পরিচয় প্রকাশ


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০, ০৬:৩৬ পিএম আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০, ০৬:৩৭ পিএম
জালিয়াতি করে ঢাবিতে ভর্তি হওয়া ৬৩ জনের পরিচয় প্রকাশ

প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি করে অবৈধভাবে ভর্তি হওয়ার দায়ে বহিস্কৃত ৬৩ শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বহিস্কৃত ৬৩ শিক্ষার্থী হলেন- শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৫-১৬ সেশনের মো. আব্দুল ওয়াহিদ (বিজয় একাত্তর হল), মো. ইছহাক আলী (স্যার এফ রহমান হল) ২০১৬-১৭ সেশনের আনিকা বৃষ্টি (বঙ্গমাতা হল), ফিউনা মহিউদ্দিন মৌমি (শামসুন্নাহার হল) মো. মাসুদ রানা (জিয়া হল), সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৫-১৬ সেশনের সালমান এফ রহমান হৃদয় (বিজয় একাত্তর হল), মো. রাকিবুল হাসান (স্যার এফ রহমান হল), সৌভিক সরকার (জগন্নাথ হল), মো. মেহেদী হাসান (মুহসীন হল), মো. হাসিবুর রশীদ (বঙ্গবন্ধু হল), মো. মারুফ হাসান (জিয়া হল), ২০১৬-১৭ সেশনের ইসরাত জাহান ছন্দা (কুয়েত মৈত্রী হল)।

ইংলিশ ফর স্পিকার অব আদার ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের সাফায়াতে নূর সাইয়ারা নোশিন (সুফিয়া কামাল হল), ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউট ২০১৬-১৭ সেশনের জিএম রাফসান কবির (মুহসীন হল)। পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের মো. আবু জুনায়েদ সাকিব (একুশে হল), তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের মোস্তাফিজ-উর-রহমান (একুশে হল), ২০১৬-১৭ সেশনের মো. তৌহিদুল হাসান আকাশ (শহীদুল্লাহ হল)।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শরমিলা আক্তার আশা (বঙ্গমাতা হল), জাকিয়া সুলতানা (কুয়েত মৈত্রী হল), জেরিন হোসাইন (শামসুন্নাহার হল), আবির হাসান হৃদয় (জসীমউদ্দীন হল) ও ২০১৫-১৬ সেশনের মো. লাভলুর রহমান লাভলু (এফ রহমান হল), অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের সামিয়া সুলতানা (সুফিয়া কামাল হল), সিনথিয়া আহম্মেদ (শামসুন্নাহার হল), জান্নাত সুলতানা (শামসুন্নাহার হল)।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের মো. আশরাফুল ইসলাম আরিফ (এফ রহমান হল), আলামিন পৃথক (সূর্যসেন হল), ২০১৫-১৬ সেশনের আমরিন আলম জুটি (বঙ্গমাতা হল), ২০১৭-১৮ সেশনের নওশীন আফরিন মিথিলা (মৈত্রী হল), টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের মেহজাবিন অনন্যা (রোকেয়া হল), মো. শাদমান শাহ (বিজয় একাত্তর হল)।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের আফসানা নওরিন ঋতু (বঙ্গমাতা হল), ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ফাতেমা আক্তার তামান্না (কুয়েত মৈত্রী হল), বাংলা বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের এম ফাইন ফাইজার নাঈম (বঙ্গবন্ধু হল), ২০১৬-১৭ সেশনের জিয়াউল ইসলাম (সূর্যসেন হল)।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের তাজুল ইসলাম সম্রাট (মুহসীন হল), (নুরুল্লাহ মুহসীন হল), সাদিয়া সুলতানা (শামসুন্নাহার হল), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের মাসুদ রানা (সলিমুল্লাহ মুসলিম হল), সাবিরুল ইসলাম (সূর্যসেন হল), ২০১৬-১৭ সেশনের ফাতেমা তুজ জোহরা (রোকেয়া হল)।

ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ইফতেখারুল আলম জিসান (বিজয় একাত্তর হল), ২০১৬-১৭ সেশনের নাফিসা তাসনিম বিন্তি (রোকেয়া হল), বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শাশ্বত কুমার ঘোষ (জগন্নাথ হল), ২০১৬-১৭ সেশনের সাদিয়া সিগমা (মৈত্রী হল), ফাইন্যান্স বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শেখ জাহিদ বিন হোসেন ইমন (সূর্যসেন হল), মো. আশেক মাহমুদ জয় (জহরুল হক হল), মার্কেটিং বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের মাহবুবুল আলম সিদ্দিকী সম্রাট (সূর্যসেন হল)।

ফার্মেসি বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, ২০১৬-১৭ সেশনের সাইদুর রহমান, ২০১৭-১৮ সেশনের আব্দুর রহমান। এরা সবাই ফজলুল হক মুসলিম হলের ছাত্র।

আইন বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের সুবহা লিয়ানা তালুকদার (রোকেয়া হল) ও সালমান হাবীব আকাশ (মুহসীন হল), ২০১৭-১৮ সেশনের আজলান শাহ ফাহাদ (সূর্যসেন হল)।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের বেলাল হোসেন (সলিমুল্লাহ মুসলিম হল), মো. মশিউর রহমান (একুশে হল), ২০১৬-১৭ সেশনের মোরশেদা আক্তার (মৈত্রী হল), তানজিনা সুলতানা ইভা (শামসুন্নাহার হল)।

স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ২০১৬-১৭ সেশনের মো. মোহাইমিনুল রায়হান ফারুক (জহুরুল হক হল)।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের আবুল কালাম আজাদ (একুশে হল), সংস্কৃত বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিহাব হাসান খান ( সলিমু্ল্লাহ মুসলিম হল), যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের মো. আবু মাসুম (জহুরুল হক হল), ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শাহাৎ আল ফেরদৌস ফাহিম (ফজলুল হক মুসলিম হল)।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি অবৈধভাবে ভর্তি হওয়া ৬৩ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেট সভায়। তবে ওই শিক্ষার্থীদের পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে প্রক্টর গড়িমসি করেছিলেন বলে অভিযোগ এসেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বহিষ্কৃতদের পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করার পরও কেন তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না তা জানতে চেয়ে সোমবার প্রক্টর অফিসে গিয়েছিলেন ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত।

এসময় তিনি প্রক্টর অধ্যাপক ডা. এ কে এম গোলাম রাব্বানীকে বহিষ্কৃতদের নাম প্রকাশের জন্য ৫ দিনের আল্টিমেটাম দেন। এই সময়ের মধ্যে পরিচয় প্রকাশ করা না হলে প্রক্টর অফিসে তালা ঝুলবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ওই আল্টিমেটামের একদিনের মাথায় আজ বহিষ্কৃতদের পরিচয় প্রকাশ করা হলো।

এদিকে জালিয়াতির দায়ে বহিষ্কৃতদের পরিচয় প্রকাশ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বলেছেন এই ঘটনা, জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা দিয়েছে।

গো নিউজ২৪/আই

শিক্ষা বিভাগের আরো খবর
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ধারণা জটিল ও অস্পষ্ট, যাচ্ছে না জাবি

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ধারণা জটিল ও অস্পষ্ট, যাচ্ছে না জাবি

প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী

প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাবি

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাবি

ভবিষ্যতে থাকবে না কিন্ডারগার্টেন: প্রতিমন্ত্রী

ভবিষ্যতে থাকবে না কিন্ডারগার্টেন: প্রতিমন্ত্রী

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় রাজি ঢাবি-বুয়েট 

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় রাজি ঢাবি-বুয়েট