ঢাকা রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১

রেড জোনে থাকা ‘বেসিক ব্যাংক’ যাবে কার সঙ্গে?


গো নিউজ২৪ | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৪, ০২:৪১ পিএম
রেড জোনে থাকা ‘বেসিক ব্যাংক’ যাবে কার সঙ্গে?

একীভূত হওয়ার জন্য সরকারের শরণাপন্ন হয়েছিল আলোচিত পদ্মা ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় 'রেড জোনে' থাকা এই ব্যাংকটিকে অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শরিয়াভিত্তিক বেসরকারি এক্সিম ব্যাংক। দেশের ব্যাংক খাতে এটিই হবে প্রথম স্বেচ্ছায় একীভূতকরণের ঘটনা। এর আগে একীভূত হওয়ার ঘটনা ঘটলেও স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। এই পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনায় আছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় রেড জোনে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ‘বেসিক ব্যাংক’-এর একীভূতকরণ প্রসঙ্গ। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ব্যাংকটিকে রক্ষায় মন্ত্রণালয়কে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

জানা গেছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এক্সিম ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকে একীভূত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। দুই ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের যৌথ ব্যবসা থাকায় প্রথম এই ব্যাংক দুটিকে বেছে নেওয়া হয়। এই একীভূতকরণের উদ্যোগের ফলে আর্থিক বাজারে কোনও অস্থিরতা তৈরি না হলে আগামী দিনে অন্য দুর্বল ব্যাংকগুলোর বিষয়েও একই ধরনের সিদ্ধান্ত হবে।

বেসরকারি খাতের এই ব্যাংক দুটির মধ্যে আগামী সোমবার (১৮ মার্চ) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা রয়েছে। 

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর কয়েক বছরের মধ্যেই ঋণ অনিয়ম-জালিয়াতিতে ডুবে যায় পদ্মা তথা ফারমার্স ব্যাংক। ভোগান্তিতে পড়েন আমানতকারীরা। ২০১৮ সালে চারটি সরকারি ব্যাংক ও আইসিবি ব্যাংকটির বড় অংশ অধিগ্রহণের পর ‘পদ্মা’ নামে নতুন করে যাত্রা শুরু করলেও সুফল মেলেনি। 

সবশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, ‘দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ৪০টির মতো ব্যাংক ভালো অবস্থায় আছে। বাকিগুলোর মধ্যে ৮ থেকে ১০টি ব্যাংক একীভূত হতে পারে।‘ এ জন্য ভালো ও দুর্বল ব্যাংকের এমডিদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা শুরুর পরামর্শও দেন তিনি।

দুর্বল ব্যাংক একীভূত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক উদ্যোগের আগে একীভূত হওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা আরেকটি ব্যাংকের নাম বেসিক ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বেসিক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) একীভূত করার খসড়া পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। তারপর আর কোনও অগ্রগতি নেই। তবে অর্থনীতিবিদদের অনেকেই বলছেন বেসিক ব্যাংককে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করলে ব্যাংকিং খাতের জন্য ভালো হতে পারে। 

সম্প্রতি আলোচিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় রেড জোনে থাকা পদ্মা ব্যাংকের মতো এই বেসিক ব্যাংকের পরিস্থিতিও নড়বড়ে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এক সময়ের লাভজনক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক বর্তমানে গুরুতর আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে। এমনকি ব্যাংকটি পরিচালন ব্যয় মেটাতেও হিমশিম খাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসিক ব্যাংকের কার্যক্রমের বর্তমান মডেলটি টেকসই নয়। প্রতিবেদনটি চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহর কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে ব্যাংকটিকে রক্ষা করার জন্য মন্ত্রণালয়কে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে পদ্মা ব্যাংকের সঙ্গে এক্সিম ব্যাংকের একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পদ্মা ব্যাংককে একীভূত করে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ভালো হয়েছে। তবে পদ্মা ব্যাংকের রোগ যেন সংক্রমিত হয়ে এক্সিম ব্যাংকে গিয়ে না পড়ে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই ব্যাংকগুলোকে লাইসেন্স দেওয়ার সময়ই আমরা বলেছিলাম নতুন ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা নেই। তখন রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হয়। আবার নানা আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে অনেক সবল ব্যাংককে দুর্বল করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু সবল ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংক একীভূত নয়, যারা ব্যাংক দুর্বল করার জন্য দায়ী তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ 

বেসিক ব্যাংক প্রসঙ্গে প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘পদ্মা ব্যাংকের মতো বেসিক ব্যাংকও একীভূতকরণ করে উপকার পাওয়া যেতে পারে। তবে বেসিক ব্যাংককে কোনও ব্যাংকের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না।’

আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, দুর্বল দুটি ব্যাংককে একীভূত করে কোনও লাভ হবে না। 

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আলোচিত রেড জোনে রয়েছে বেসিক ছাড়াও অগ্রণী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের নাম। 

২০১৬ সালে একীভূতকরণের পরামর্শ দিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদরা

এর আগে ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি বেসরকারি সংস্থা ঢাকা ফোরামের এক আলোচনা সভায় অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞরা অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও ছোট ব্যাংকগুলোকে একীভূত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও ব্যাংকের সংখ্যা কমানোর কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেসব পরামর্শ বা ইচ্ছা কাজে আসেনি। বরং ২০১৬ সালের পরও নতুন বেসরকারি ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ৮ বছর পর স্বেচ্ছায় পদ্মা ব্যাংকে অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলো এক্সিম ব্যাংক।

অবশ্য ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্যাংকার্স সভায় দুর্বল ব্যাংকগুলো ভালো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হওয়ার আলোচনা শুরু করেন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার। গভর্নর যেদিন ব্যাংকগুলোকে এই পরামর্শ দিলেন, সেদিনই পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান নাফিজ সরাফাত পদত্যাগ করেন।

এর আগে ২০২২ সালের ১২ জুলাই গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই বছরের ৩ আগস্ট আব্দুর রউফ তালুকদার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ১০টি দুর্বল ব্যাংককে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

তবে গভর্নর এই আলোচনার সূত্রপাত করেছেন গত ডিসেম্বরে জারি করা ‘প্রম্পট কারেক্টিভ অ্যাকশন (পিসিএ)’ শীর্ষক নীতিমালার মাধ্যমে। ২০২৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এই নীতিমালা কার্যকর হবে।

ওই নীতিমালা অনুযায়ী, মূলত পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর মান বা শ্রেণি নির্ধারণ করা হবে। সেগুলো হলো ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণ (সিআরএআর), টিয়ার-১ ক্যাপিটাল রেশিও বা মূলধন অনুপাত, কমন ইক্যুইটি টিয়ার-১ (সিইটি১) রেশিও, নিট খেলাপি ঋণ এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স বা সুশাসন। পাঁচ সূচকে লাগাতার পতন হলে সব শ্রেণির ব্যাংককে ‘অনিরাপদ’ ও ‘আর্থিকভাবে অস্বাস্থ্যকর বা দুর্বল’ হিসেবে চিহ্নিত করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরপর দুই ক্যাটাগরিতে অবনতি হলে সবচেয়ে ‘দুর্বল’ ব্যাংক হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। দুর্বলতা কাটিয়ে ব্যাংকের মানোন্নয়নে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে কোনও ব্যাংককে একীভূত করার মতো পদক্ষেপ নিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এই নীতিমালা অনুযায়ী, একীভূত হওয়ার

আর্থিক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংক একীভূত করতে হলে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে এবং কাজ শুরু করতে হবে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক এরইমধ্যে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার জন্য দুর্বল ব্যাংকের তালিকা করেছে। দেশের ৫৪টি ব্যাংকের সার্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে ৩৪টি ব্যাংককে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এরমধ্য থেকে আগামী বছরের শুরুর দিকে ১০ ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার কথা ভাবছে তারা।

৫৪টি ব্যাংকের মধ্যে ১২টি ব্যাংক খুব নাজুক অবস্থায় আছে। তার নয়টি রেড জোনে চলে গেছে। ইয়েলো জোনে থাকা ২৯টি ব্যাংকের মধ্যে তিনটি ব্যাংক আবার রেড জোনের খুব কাছাকাছি অবস্থানে আছে। মাত্র ১৬টি ব্যাংক গ্রিন জোনে আছে। এর মধ্যে আটটিই বিদেশি ব্যাংক। গ্রিন জোনে দেশীয় ব্যাংকের সংখ্যা মাত্র আটটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দুর্বল ব্যাংকগুলো চাইলে স্বেচ্ছায় একীভূত হতে পারবে। সেটি না হলে আগামী বছরের মার্চে নীতিমালা অনুযায়ী যারা দুর্বল তালিকায় পড়বে, তাদের একীভূত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

৪ মার্চ ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে গভর্নর জানান, চলতি বছরের মধ্যে ৭ থেকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে সবল বা ভালো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে দুর্বল ব্যাংকগুলো নিজেদের ইচ্ছায় একীভূত না হলে আগামী বছর থেকে তাদের চাপ দিয়ে একীভূত করা হবে।

 জানা যায়, ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে শিগগিরই একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই নীতিমালার আওতায় একীভূত হওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

২০১৭ সালেও একীভূত করার উদ্যোগ ছিল

তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, অনেক ব্যাংক একীভূত (মার্জ) করার চেষ্টা চলছে। শুধু তা-ই নয়, সাবেক এই অর্থমন্ত্রী নিজেই বাংলাদেশ ব্যাংককে দুর্বল হয়ে যাওয়া দু-একটি ব্যাংক একীভূতকরণের পরামর্শ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে ২০১৭ সালে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবীরের কাছে একটি চিঠি দেন।

চিঠিতে গভর্নরকে বলা হয়েছিল, দু-একটি ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ বিবেচনায় আনলে ভালো হবে। দেশে অচিরেই ব্যাংক সঞ্চয়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আমার মনে হয়। সে জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়ার সময় হয়তো হয়েছে। আমার এই পরামর্শ বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, কয়েকটি ব্যাংক বর্তমানে বেশ দুরবস্থায় রয়েছে। এসব ব্যাংকের মধ্যে কোনোটার উদ্যোক্তারা ব্যাংকটিকে দেউলিয়া করছেন। আবার কোথাও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঝগড়া বেধে গেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। আবার কোথাও কিছু পরিচালক জোট বেঁধে উদ্যোক্তাকে কোণঠাসা করে মালিকানা পরিবর্তন করতে চাচ্ছে। ব্যাংকিং খাতের এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সঠিক দায়িত্ব পালন করছে এমন ইঙ্গিত দিয়ে চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বত্রই তার নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা প্রয়োগ করছে।

শুধু সাবেক আরেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল  জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের সঙ্গে পদ্মা ব্যাংক একীভূত করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে খসড়া হয়ে গেছ।

যদিও এর আগে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সময়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসিক ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডকে (বিডিবিএল) একীভূত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েও শেষ পর্যন্ত থমকে যায়।

জানা গেছে, মার্জার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০১৭ সালে। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও ব্যাংক একীভূতকরণের একটি গাইডলাইন তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

একীভূত হয়েছে ২০০৯ সালে

২০০৯ সালে সরকারি খাতের দুটি বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক একীভূত করে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) গঠিত হয়। এরপর দেশের কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ পথে হাঁটেনি।

অর্থনীতি বিভাগের আরো খবর
৫৯৫ টাকা কেজি দরে দিনে ১ কোটি টাকার গরুর মাংস বিক্রি করেন খলিল

৫৯৫ টাকা কেজি দরে দিনে ১ কোটি টাকার গরুর মাংস বিক্রি করেন খলিল

১৪ বছর আগে একীভূত হয়েও এখনো ধুঁকছে যে ব্যাংক

১৪ বছর আগে একীভূত হয়েও এখনো ধুঁকছে যে ব্যাংক

রেড জোনে থাকা ‘বেসিক ব্যাংক’ যাবে কার সঙ্গে?

রেড জোনে থাকা ‘বেসিক ব্যাংক’ যাবে কার সঙ্গে?

বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বিদেশি ঋণ, পরিশোধ হবে যেভাবে

বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বিদেশি ঋণ, পরিশোধ হবে যেভাবে

৫ বছর মেয়াদি সুকুক বন্ড বাজারে ছাড়ার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার

৫ বছর মেয়াদি সুকুক বন্ড বাজারে ছাড়ার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার

বেসিক ব্যাংক কি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে?

বেসিক ব্যাংক কি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে?