ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

থানায় নারীকে রাতভর গণধর্ষণ, ওসি-এসআই প্রত্যাহার


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০১৯, ০৪:০২ পিএম আপডেট: আগস্ট ৭, ২০১৯, ১০:০২ এএম
থানায় নারীকে রাতভর গণধর্ষণ, ওসি-এসআই প্রত্যাহার

খুলনা রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ভেতরে এক নারীকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গণি পাঠান ও উপ পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হককে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান কুষ্টিয়া সার্কেলের এএসপি ফিরোজ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৬ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে রেলওয়ে পুলিশের কুষ্টিয়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি তদন্ত শুরু করে।

অন্য দুইসদস্য হলেন, কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের ডিআইও-১ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শ ম কামাল হোসেইন ও দর্শনা রেলওয়ে ইমিগ্রেশন ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. বাহারুল ইসলাম।

২ আগস্ট ঘটনার রাতে খুলনা জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গণি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগ করেছেন এক নারী।

ওই নারীর অভিযোগ, সেদিন যশোর থেকে ট্রেনে আসার সময় ফুলতলা এলাকায় জিআরপি পুলিশ প্রথমে তাকে মোবাইল চুরির অপরাধে থানায় ধরে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি পুলিশের ওসি ওসমান গণি পাঠান তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর আরো ৪ জন পুলিশ সদস্য পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

পরদিন ৩ আগস্ট ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মামলা দিয়ে তাকে আদালতে সোপর্দ করেন। আদালতে বিচারকের সামনে নেওয়ার পর সেই নারী জিআরপি থানায় তাকে গণধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন। এরপর আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার মেডিকেল পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

গো নিউজ২৪/এমআর

অপরাধ চিত্র বিভাগের আরো খবর
বিজিবি পরিচয়ে বিয়ে করতে এসে ধরা

বিজিবি পরিচয়ে বিয়ে করতে এসে ধরা

৯৯৯-এ কল দেওয়ায় যাত্রীকে রড দিয়ে পিটুনি

৯৯৯-এ কল দেওয়ায় যাত্রীকে রড দিয়ে পিটুনি

শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল

শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল

আদালত চত্বর থেকে মামলার বাদীকে অপহরণ, পরে উদ্ধার

আদালত চত্বর থেকে মামলার বাদীকে অপহরণ, পরে উদ্ধার

কাশবনের ভেতরে নিয়ে নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণ

কাশবনের ভেতরে নিয়ে নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণ

আসমাকে ফুসলিয়ে ঢাকায় এনে ধর্ষণের পর হত্যা

আসমাকে ফুসলিয়ে ঢাকায় এনে ধর্ষণের পর হত্যা