ঢাকা শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

রিপ্রেজেন্টেটিভদের কোপনোর নির্দেশ দিলেন হাসপাতালের পরিচালক


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকাশিত: জুন ১০, ২০১৯, ০৯:৫১ পিএম
রিপ্রেজেন্টেটিভদের কোপনোর নির্দেশ দিলেন হাসপাতালের পরিচালক

ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের (রিপ্রেজেন্টেটিভ) ছুরি দিয়ে কুপিয়ে মাটিতে শুইয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সোমবার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের এক কর্মচারীর দুর্ব্যবহারের ঘটনায় ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের (ফারিয়া) নেতারা পরিচালকের কাছে অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মামুনকে ওই নির্দেশ দেন।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. মেজবাউদ্দিন জানান, সকালে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বহির্বিভাগের চিকিৎসক ফালাহ আল দ্বীনকে ফটকে নামিয়ে দিয়ে মোটরসাইকেল ঘুরাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় কর্মচারী মামুন পরিচালকের বরাত দিয়ে তাকে ধরে নিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। এ সময় মেসবাহ তার অপরাধের বিষয়ে জানতে চাইলে মামুন তার শার্টের কলার ধরে টানাটানি করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল দেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

মেজবাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনার পর ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সংগঠন ফারিয়ার নেতারা হাসপাতালের পরিচালকের কাছে যান। হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা লাঠি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং শিক্ষিত মানুষদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন, ফারিয়ার নেতাদের এমন অভিযোগ শুনেই ক্ষেপে যান পরিচালক।

এ সময় মামুনের উপস্থিতিতে পরিচালক বলেন, “লাঠি নয়, এরপর ছুরি নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। যাকে সামনে পাবে, তাকেই কোপাবে। মামুনের উদ্দেশে হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, “কি পারবি না কোপাইতে?” তখন “পারমু স্যার” বলে মামুন হ্যাঁ-সূচক সম্মতি দেন। এরপর থেকে বিক্রয় প্রতিনিধির কাউকে হাসপাতাল কম্পাউন্ডে পেলে কুপিয়ে মাটিতে শুইয়ে দিতে হাসপাতালের পরিচালক নির্দেশ দেন।

মেজবাউদ্দিন বলেন, ‘আমার যদি কোনো অন্যায় হয় তাহলে কোম্পানি ব্যবস্থা নেবে। আর যদি হাসপাতালের কর্মচারী কোনো অন্যায় করে তাহলে তার বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু সেখানে পরিচালক আমাদের কোনো কথাই শুনলেন না। উল্টো আমাদের কোপানোর নির্দেশ দেন কর্মচারীকে।

রিপ্রেজেন্টেটিভদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন বলেন, তিনি সিসি ক্যামেরায় দেখছিলেন প্রধান গেটের সামনে কিছু রিপ্রেজেন্টেটিভ ঘুরঘুর করছেন। এরপর তিনি মামুনসহ তিনজন কর্মচারীকে তাদের ডেকে আনতে পাঠান। তার কথা বলার পরও তারা আসেনি। শিক্ষিত হয়েও তারা অশিক্ষিত কর্মচারীদের সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কর্মচারী মামুন একজনের শার্টের কলার ধরেন।

গো নিউজ২৪/আই

অপরাধ চিত্র বিভাগের আরো খবর
যুবলীগ নেতা হত্যা, অভিযুক্ত ২ রোহিঙ্গা বন্দুকযুদ্ধে নিহত

যুবলীগ নেতা হত্যা, অভিযুক্ত ২ রোহিঙ্গা বন্দুকযুদ্ধে নিহত

অফিস কক্ষে ছাত্রীকে জাপট ধরলো অধ্যক্ষ, অতঃপর…

অফিস কক্ষে ছাত্রীকে জাপট ধরলো অধ্যক্ষ, অতঃপর…

পুলিশের চাঁদাবাজি, বেপরোয়া ট্রাকে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

পুলিশের চাঁদাবাজি, বেপরোয়া ট্রাকে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

গোয়েন্দা কার্যালয় থেকে ইয়াবা চুরি করে ধরা খেলেন কনস্টেবল 

গোয়েন্দা কার্যালয় থেকে ইয়াবা চুরি করে ধরা খেলেন কনস্টেবল 

নবজাতক বিক্রির চেষ্টা, আটক ৪

নবজাতক বিক্রির চেষ্টা, আটক ৪

নার্স হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পরকীয়া      

নার্স হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পরকীয়া