ঢাকা বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬

ঈদের নামাজ পড়ে এসে নাতনিকে ধর্ষণ


গো নিউজ২৪ | নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: জুন ৬, ২০১৯, ১১:১৮ এএম আপডেট: জুন ৬, ২০১৯, ১১:২৬ এএম
ঈদের নামাজ পড়ে এসে নাতনিকে ধর্ষণ

নওগাঁর ধামইরহাটে ঈদের সেমাই দেওয়ার নাম করে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫০ বছর বয়সী আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে।শিশুটি আব্দুস ছালামকে দাদা বলে ডাকতো।

ঘটনার পর ওই শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বুধবার বিকেলে উপজেলার উত্তর দূর্গাপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুস ছালামকে স্থানীযরা আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে। আব্দুস ছালাম ওই গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস ছালাম ঈদের নামাজ আদায় করে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রতিবেশী এক নাতনিকে সেমাই দেওয়ার নাম করে বাড়ি নিয়ে যায়। এরপর ঘরের মধ্যে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর ভয় দেখিয়ে ওই শিশুটিকে বাড়ি পাঠান আব্দুস ছালাম। শিশুটি বাড়ি আসার পর ভয়ে বসে থাকে। এক পর্যায়ে পরিবারের লোকজন রক্তক্ষরণের বিষয়টি দেখতে পেয়ে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনাটি খুলে বলে।

এ সময় প্রতিবেশীরা জানতে পেরে আব্দুস ছালামকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে। শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “এই ঘটনায় থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি আব্দুস ছালামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গো নিউজ২৪/আই

দেশজুড়ে বিভাগের আরো খবর
নদীতে ভেসে উঠল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ     

নদীতে ভেসে উঠল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ     

যাত্রীবাহী সুন্দরবন-১০ লঞ্চে আগুন

যাত্রীবাহী সুন্দরবন-১০ লঞ্চে আগুন

পিস্তল রেখে নামাজে এসআই, এসে দেখেন গায়েব

পিস্তল রেখে নামাজে এসআই, এসে দেখেন গায়েব

সমকামিতায় বাধ্য করার শ্রমিকনেতা নুরুলকে হত্যা

সমকামিতায় বাধ্য করার শ্রমিকনেতা নুরুলকে হত্যা

স্ত্রী বাড়ি চলে যাওয়ায় দুই শ্যালককে গাছে বেঁধে মারধর

স্ত্রী বাড়ি চলে যাওয়ায় দুই শ্যালককে গাছে বেঁধে মারধর

গর্ত ভরাট কাজের উদ্বোধন করলেন নুনু মিয়া

গর্ত ভরাট কাজের উদ্বোধন করলেন নুনু মিয়া