ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৮, ১০ মাঘ ১৪২৪
Beta Version

মেয়েদের সবচেয়ে দুর্বল যে পয়েন্টটি আপনি এখনও জানেন না


গো নিউজ২৪ | লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০১৭, ০২:৩৯ পিএম আপডেট: জুন ১৯, ২০১৭, ০২:৪৬ পিএম
মেয়েদের সবচেয়ে দুর্বল যে পয়েন্টটি আপনি এখনও জানেন না

ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আর মেয়েরা ছেলেদের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টির সেই আদিলগ্ন থেকেই চলে আসছে।  প্রত্যেকটা মানুষই তার বিপরীত লিঙ্গের মানুষটার প্রতি অনেক কৌতুহল থাকে।  আর যদি হয় সেটা ভালবাসা বা ভাললাগার ব্যাপার তাহলে তো তা চরম আকার ধারণ করে।  সবাই খুঁজে বেড়ায় তার সঙ্গীর দুর্বল পয়েন্টটি কোথায়।  আজ আলোচনা করবো 
মেয়েদের সবচেয়ে দুর্বল পয়েন্টটি নিয়ে। তা জানতে হলে আপনাকে নিউজের শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। 

অনেকেরই কল্পনাবিলাস থাকে প্রথম দেখায় প্রেমে পড়া নিয়ে। অনেকেই ভাবেন সত্যিকারের প্রেমে মনে হয় এমনটাই ঘটে! এমন ঘটাটাই যেন মনে হয় জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি! আর যাঁদের এ অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁরা এর মহত্ত্ব প্রচারে উচ্চকণ্ঠ। 

কেউ বলেন, ‘ওকে দেখেই আমার মনে হয়েছিল ও আমার!’ আবার কেউ বলেন, ‘প্রথম দেখাতেই জেনেছিলাম আমরা—দুজনে দুজনার!’ সত্যের জন্য প্রস্তুত হন। ভালোবাসার ভ্রমরটাকে একটু সময় নিতে দিন। কে জানে প্রথম দেখাতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে বাকি জীবনভর হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিতীয়বার না ভাবাটাই আপনাকে ভাবাবে! এক প্রতিবেদনে টিএনএন এমনটাই জানিয়েছে। 

বিষয়টা কি একপেশে?
আপনি তো প্রথম দেখাতেই ‘প্রেমে পড়ে গেলেন’ কিংবা অন্য ভাষায় বললে, ‘প্রেমে পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন।’ কিন্তু একে ‘প্রেম’ নামে ডাকার আগে একবার ভেবে নিন প্রিয়মুখের মানুষটা আপনার এই অনুভূতি কীভাবে গ্রহণ করবেন। ‘বন্ধু’ হয়ে থাকতে চাইলে বন্ধু হয়েই থাকুন না! প্রেম নিয়ে তাড়াহুড়োর কী আছে?

এই কি প্রেম?
প্রেম-পাখি নিশ্চয়ই চির দিন অধরাই থেকে যায় না! কিন্তু প্রেম প্রেম ভাব হওয়া আর প্রেম হওয়া তো এক কথা না। যাঁর প্রেমে পড়েছেন বলে মনে করছেন তাঁকে নিয়ে ভাবার আগে নিজেকে নিয়ে আরেকটু ভাবুন। অনেক কিছুই তো হতে পারে প্রেমের কাছাকাছি কিন্তু প্রেম নয়! আজকাল অনেকেই যেমন বলেন থাকেন—হার্ট থ্রব! ক্রাশ! আর কাউকে দেখে একটা মোহের ঘোরে তো পড়তেই পারেন, হোক তা মানসিক বা শারীরিক আকর্ষণ থেকে। 

জল দেখে ঝাঁপ দিন
জলে ঝাঁপ দেওয়ার আগে জলের চরিত্রটা জেনে নিন। জল গভীর হলে তো বেঁচেই গেলেন! সাঁতার না জানলে গভীর জলে তো ডুবতেই পারেন। কিন্তু সে জলে ডোবা হাঁটুপানিতে ঝাঁপ দিয়ে মাথা ফাটানোর চেয়ে ভালো! যে মানুষটিকে পেতে চাইছেন তাঁকে চেনার জানার চেষ্টা করুন। জীবনটা তো আর হলিউড-বলিউডের রোমান্টিক কমেডির মতো স্ক্রিপ্ট মেনে চলে না তাই জীবনের হিসেব নিয়ে বসুন। 

ঠোকাঠুকিটা পার করুন
প্রেমে পড়লে নাকি লোকে অবলীলায় মধু মনে করে বিষও পান করতে পারে! আর প্রথম প্রথম তো সবকিছুই ভালো লাগে। স্বভাবের দোষ-ত্রুটিগুলোও তখন চোখে পড়ে না। কিন্তু টুকিটাকি একটা কিছু নিয়ে ঠোকাঠুকি তো লেগেই যেতে পারে। দেখুন এই ঠোকাঠুকিটা কীভাবে পার হয়। যদি সত্যিই একে অন্যের দোষ-ত্রুটি মেনে নিয়েই পরস্পরকে গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে আপনারা সত্যিই ভাগ্যবান। বুঝতে হবে আপনারা আসলেই প্রেমের জোয়ারে ভাসতে যাচ্ছেন। 

অতীত এড়াবেন না
আপনার মতোই আপনার প্রেমিক কিংবা প্রেমিকারও একটা অতীত আছে। অতীতটাকে এড়ানোর কিছু নেই। খোলা চোখে দেখে বিষয়টা বুঝে নিন। অন্ধের মতো নয়, জেনেশুনে সেটা মেনে নিন। একে অন্যের সঙ্গে নিজেদের অতীতের কথা, সুখ-দুঃখের কথা ভাগাভাগি করে নিন। সঙ্গীকে বিচার করতে নয়, নিজেদের বোঝাপড়াটা আরও বাড়াতেই তা করুন।

কেন ভালোবাসেন জানুন তা
নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি কেন তাঁকে ভালোবাসেন? এবার তাঁকেও জিজ্ঞেস করুন, তিনি কেন আপনাকে ভালোবাসেন? এমনও তো হতে পারে আপনারা পরস্পরকে এর মধ্য আরও ভালোভাবে আবিষ্কার করবেন। আর তিনি না বললে আপনি হয়তো জানতেনই না আপনার সেই গুণের কথা, যে জন্য তিনি আপনাকে ভালোবাসেন! এই বোঝাপড়াটা দরকার।

বাস্তবতা আশা-নিরাশার চেয়ে বড়
কোনো কিছুই যখন ঠিকঠাক কাজ করে না তখন একদল লোক নিরাশায় ডুবে যান আরেক দল লোক কেবলই আশাবাদী হয়ে খালি স্বপ্ন দেখতে থাকেন। কিন্তু এই আশা বা নিরাশার চেয়ে বাস্তবটাকে ভালোভাবে জানা বোঝা জরুরি। কোনো কিছুকেই ধ্রুব বা চিরায়ত বলে ধরে নেবেন না। আপনি যদি নিজে সুখী না হন তাহলে বুঝতে হবে আপনার সঙ্গীও আপনাকে নিয়ে সুখে থাকবেন না। কেননা, নিজে সুখী না হলে অন্যকে সুখী করা যায় না। সম্পর্কের বাস্তব চেহারাটা ভালো করে দেখুন।

নিজের জীবন নিজেরই থাকে
ভালোবেসে তাঁকে ‘জান-প্রাণ’ ডাকতেই পারেন! মনের মানুষ, প্রেমের মানুষ তো তাই-ই। কিন্তু সাধু সাবধান, ভুলবেন না যে নিজের জীবনটা সব সময় নিজেরই থাকে। ফলে প্রেমের বাতাসে গা ভাসিয়ে দিলেই চলবে না। নিজের জীবনের প্রতি খেয়াল রাখা চাই। প্রেমের জোয়ারে ভেসে গিয়ে নিজের লেখাপড়া, ক্যারিয়ার, ভবিষ্যতের পথ থেকে যেন পা পিছলে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। নইলে মধুচন্দ্রিমার সঙ্গে সঙ্গে প্রেম-পাখিটাও আপনাকে ফেলে উড়ে যেতে পারে।

শারীরিক দুর্বল পয়েন্ট বলতে মেয়েদের স্তন কিংবা যোনি কেই বুঝায়। এটাই একটা মেয়ের সবচেয়ে বড় শারীরিক দুর্বল পয়েন্ট।

আর যদি আপনি মানষিক দুর্বল পয়েন্ট এর কথা বলেন তাহলে সেটা হবে ভিন্ন কারন দুনিয়াত শুধু শুধু মেয়ে নয় সবারই দূর্বল পয়েন্ট হচ্ছে হৃদয়। 

 

গো নিউজ২৪/এএইচ

লাইফস্টাইল বিভাগের আরো খবর
রাশিফলে জেনে নিন আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি কতটা বিশ্বস্থ

রাশিফলে জেনে নিন আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি কতটা বিশ্বস্থ

সুদর্শন পুরুষ কেন মানুষকে কাছে টানে?

সুদর্শন পুরুষ কেন মানুষকে কাছে টানে?

যে ৭ টি কারণে মেয়েরা আপনাকে পাত্তা দেয় না

যে ৭ টি কারণে মেয়েরা আপনাকে পাত্তা দেয় না

সম্পর্কে যাওয়ার আগে এই বিষয়গুলো ভেবে দেখুন

সম্পর্কে যাওয়ার আগে এই বিষয়গুলো ভেবে দেখুন

আপনার টুথপেস্ট কী দিয়ে তৈরি জানেন?

আপনার টুথপেস্ট কী দিয়ে তৈরি জানেন?

ওভেনে তৈরি ১০৪ রেসিপি নিয়ে লবী রহমানের বই

ওভেনে তৈরি ১০৪ রেসিপি নিয়ে লবী রহমানের বই