৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, বুধবার ২২ নভেম্বর ২০১৭ , ৬:৫৪ অপরাহ্ণ

৭টি খাবার আপনার রক্তনালীর ব্লক রোধ করবে


গো নিউজ২৪ | অনলাইন ডেস্ক আপডেট: ১০ জুন ২০১৭ শনিবার
৭টি  খাবার আপনার রক্তনালীর ব্লক রোধ করবে

জীবনের একদিকে যেমন গতি বেড়েছে তেমনই পাল্লা দিয়ে অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে জীবনযাত্রার মান। এমন অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য রক্তনালী ব্লক হয়ে পড়াটা একেবারেই অস্বাভাবিক কিছু নয়। এমনকি এজন্য শুধু হার্টের নানা সমস্যা বলে নয় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে পারে। তাই এবার একটু সতর্ক হন। এমন কিছু সহজলভ্য খাবার খান যাতে ওই কঠিন ব্যাধি আপনাকে আক্রান্ত না করতে পারে। সেজন্য নিচের সাতটি খাবার খেতে পারেন।

১। আপেল
এই ফলটিতে রয়েছে পেকটিন নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণা বলছে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে রক্তনালীর শক্ত হওয়া এবং ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমে যায়।

২। দারুচিনি
এই দারুচিনি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় লক্ষ্যকরা গিয়েছে প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো খেলে দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

৩। কমলার রস
গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ২ কাপ বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক রাখে। কমলার রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে ফলে রক্তনালী ড্যামেজ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

৪। ব্রুকলি
এই ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে যা দেহের ক্যালসিয়ামকে হাড়ের উন্নতিতে কাজে লাগায় এবং ক্যালসিয়ামকে রক্তনালী নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। ব্রকলির ফাইবার উপাদান দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে আনে।

৫। তিসীবীজ
যেহেতু তিসীবীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তনালীর প্রদাহকে দূর করতে সহায়তা করে এবং সেই সঙ্গে রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করে।

৬। গ্রিন টি
সবুজ চা বা গ্রিন টি-তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যাচেটিন যা দেহে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিনের চা কফির বদলে গ্রিন টি পান করলে দেহের সুস্থতা নিশ্চিত হয়।

৭। তৈলাক্ত মাছ
সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ ও নীরোগ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

 

গো নিউজ২৪/জা আ