২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, সোমবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ , ৩:২১ অপরাহ্ণ

‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী আ.লীগও চাইনি’


গো নিউজ২৪ | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার
‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী আ.লীগও চাইনি’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন আওয়ামী লীগও চায়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদের জন্য আওয়ামী লীগ উইনেবল প্রার্থী দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলানগরে জাতীয় আর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী আঁখি মনির চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে গিয়ে সাংকাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি অনেকবার এ কথা বলেছি যে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ একটা নির্বাচন আমরা চাই। আমরা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীও আমরা চাইনি। কথা প্রসঙ্গে অনেকে বলেন বিনা প্রতিদ্বান্দ্বীতা, এটা তো আমরা চাই নি। যেহেতু বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেন নি, সেজন্য সেখানে অন্য কোন প্রার্থী না থাকলে বিনা প্রতিদ্বান্দ্বতায় নির্বাচন কমিশন নির্বাচত ঘোষণা করবেন নিয়ম অনুযায়ী, আইন অনুযায়ী এটিই সঠিক। এটা তো আমরা ইচ্ছা করে করিনি।

ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক মারা যাওয়ায় তার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, গেজেট ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উপ-নির্বাচন নিয়ে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

আগামীতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদের শূণ্য আসনে কেমন প্রার্থী দেবে আওয়ামী লীগ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা উইনেবল ক্যান্ডিডেট যে তাকেই দেব।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কি আমরা কেউ বলেছি যে নির্বাচন শুরু করে দেন, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে। কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি অযোগ্য হলে বা কেউ যদি মারা যায়, সে অবস্থায় তার আসন শূন্য ঘোষণা করতে হয়। এটার একটা নিয়ম আছে। নির্বাচন কমিশন নিয়ম সে অনুযায়ী পদটি শূন্য ঘোষণা করেছে। এখানে আওয়ামী লীগ বা সরকার এ ব্যাপারে কোন ইন্টারফেয়ার করেনি। এখানে তো সরকারের এত তাড়াহুড়া করার কোন দরকার নেই। নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচন চলবে। আমার মনে হয় বিএনপির নির্বাচনে প্রস্তুতি নেই সে কারণে এ কথা বলছে।

খালেদার মামলা প্রসঙ্গে বিএনপির নেতারা এক এক সময় এক এক কথা বলছেন জানিয়ে কাদরে বলেন, বিএনপির নেতারা কখন কি বলে তারা নিজেরাই জানে না। বেগম জিয়ার যদি সাজা হয় তাহলে তারা নির্বাচনে যাবে না এরকম কথাও তাদের কোন কোন নেতা বলে থাকে। আমার প্রশ্ন জনগণের প্রশ্ন, এ সাজা কি সরকার দিচ্ছে? সাজা দিলে তো আদালত দেবে। আর এই মামলাটাও দুদক করেছে যখন ফকরুদ্দিন মঈনুদ্দিন ছিল।

তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে তো আমাদের নেত্রী গণভবনে পর্যন্ত ডেকেছিলেন ডিনারের। তিনি আসেন নি, হাতের লক্ষী পায়ে ঠেলেছেন।এখানে আমাদের দোষ কোথায়?সেটা তো তার দোষ। বিএনপি নির্বাচনে না এলে নির্বাচনের ট্রেইন তো বন্ধ থাকবে না, গণতন্ত্রওে থেমে থাকবে না। এতে গণতন্ত্রের কি দোষ যদি? আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে আমরা জানি। তারনা এটা সেটা বলছে নানা কারণে আরো কিছু আদায় কারা যায় কিনা সেজন্য হয়তো। তারা নির্বাচন আসলে আমরা স্বাগত জানাই। আমারাও চাই নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হোক।

গোনিউজ২৪/কেআর