১২ আষাঢ় ১৪২৪, রবিবার ২৫ জুন ২০১৭ , ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ

স্কুলছাত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, জামায়াত নেতাকে গণপিটুনি


গো নিউজ২৪ | জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৭ শুক্রবার
স্কুলছাত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, জামায়াত নেতাকে গণপিটুনি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে স্কুলছাত্রীর সঙ্গে পরকীয়া হাতেনাতে ধরা পড়ার পর এক জামায়াত নেতাকে স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সীমান্তবর্তী কৃঞ্চানন্দবকসী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গণধোলাইয়ের শিকার মো. আমির হোসেন (৪৫) উপজেলার চরগোরকমণ্ডপ গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে এবং কৃঞ্চানন্দবকসী জামে মসজিদের ঈমাম।

পরে চরগোরকমণ্ডপ ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমীর এবং চার সন্তানের জনক আমির হোসেনকে জনতার হাত থেকে জিম্মায় নেন উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম।

স্থানীয়রা জানায়, জামায়াত নেতা আমির হোসেন স্থানীয় পর্যায়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নারীদের পবিত্র কোরআন শিক্ষা দিয়ে থাকেন। এভাবেই এলাকার রমজান আলীর দশম শ্রেণীর ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে।

প্রায় তিন বছর সম্পর্কের সূত্রে বৃহস্পতিবার বিকালে তারা কৃঞ্চানন্দবকসী গ্রামে স্কুলছাত্রীর দুলাভাই সাবুর বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে তারা ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী আমির হোসেনকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়।

পরে ঝগড়ার সূত্রে স্থানীয়রা এই দু'জনের মধ্যে পরকীয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে আমির হোসেনকে ধরে গণধোলাই দিতে থাকে। খবর পেয়ে উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারমান মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে বিচারের আশ্বাস দিয়ে তাকে নিজ জিম্মায় নেন।

আর স্কুলছাত্রীকে চরগোরকমণ্ডপ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হাবিবুর রহমানের মাধ্যমে পরিবারের কাছে তুলে দেয়া হয়। এ সময় স্কুলছাত্রী সাংবাদিকদের জানায়, আমির হোসেন বিয়ে না করলে সে আত্মহত্যা করবে।

এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমি এলাকার জনপ্রতিনিধি। তাকে জিম্মায় নিয়ে এসেছি। অবশ্যই এই অনৈতিক কাজের বিচার করা হবে।'

ফুলবাড়ী থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানী জানান, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


গো নিউজ ২৪