১১ আষাঢ় ১৪২৪, রবিবার ২৫ জুন ২০১৭ , ৮:০৪ অপরাহ্ণ

সৌরচালিত আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন


গো নিউজ২৪ | জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ০৩ মার্চ ২০১৭ শুক্রবার
সৌরচালিত আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন

গাজীপুর ‍প্রতিনিধি: গাজীপুরস্থ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানিরা সৌরশক্তিচালিত আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন করেছেন। 

উদ্ভাবিত আলোর ফাঁদটি মাঠে স্থাপন করলে এটি আপনা থেকেই (স্বয়ংক্রিয়) সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে জ্বলে এবং সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে নিভে যায়।

ব্রি সূত্রে জানা গেছে, আলোক ফাঁদ জনপ্রিয়, সহজ, পরিবেশবান্ধব কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ ও দমন পদ্ধতি। এটি ব্যবহার করে শস্যের ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমন করা যায়। প্রচলিত পদ্ধতিতে হ্যারিকেন, হ্যাজাক লাইট অথবা বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করে আলোক ফাঁদ তৈরি করা হয়। এ আলোক ফাঁদ প্রতিদিন সন্ধ্যায় জ্বালিয়ে সকালে বন্ধ করতে হয়। এমন অবস্থায় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) এফএমপিএইচটি ও কীটতত্ত্ব বিভাগ যৌথভাবে ফসলের মাঠে ব্যবহার উপযোগী সৌরশক্তিচালিত আলোক ফাঁদটি উদ্ভাবন করেছেন।

এ ফাঁদ তৈরিতে লাগবে- একটি সৌর প্যানেল, একটি ব্যাটারি, একটি কন্ট্রোলার, একটি বৈদ্যুতিক বাতি এবং কেরোসিন মিশ্রিত পানির পাত্র ও একটি স্ট্যান্ড। ফাঁদটি তৈরি করতে আনুমানিক ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা লাগবে। এ যন্ত্রে ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক বাল্বের জীবনকাল দুই বছর এবং সৌর প্যানেলের মেয়াদ ২০ বছর।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকাশনা ও জনসংযোগ বিভাগের এডিটর মো.  রাশেল রানা জানান, প্রযুক্তিটি দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা গেলে ফসলের মাঠে পোকা দমন করা সহজ হবে। যার ফলে একদিকে ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার কমবে এবং পরিবেশ থাকবে নির্মল। অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। প্রযুক্তিটি ফসলের মাঠের পাশাপাশি ধান-মাছের মিশ্রচাষে ও পুকুরে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এ ফাঁদ পুকুরে ব্যবহার করলে ফাঁদে আকৃষ্ট পোকামাকড় মাছ সরাসরি সম্পূরক খাবার হিসেবে খেতে পারবে।

গোনিউজ২৪/এম