৯ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ২৪ আগস্ট ২০১৭ , ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ

‘সালমানের মৃত্যুর পর ডন কখনো আমার সঙ্গে দেখা করেনি’


গো নিউজ২৪ | বিনোদন প্রতিবেদক আপডেট: ০৮ আগস্ট ২০১৭ মঙ্গলবার
‘সালমানের মৃত্যুর পর ডন কখনো আমার সঙ্গে দেখা করেনি’

ঢাকা: একুশ বছর আগে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছিলো বাংলা চলচ্চিত্রের কালজয়ী অভিনেতা সালমান শাহ্’র। যা একুশ বছর পরে এসে ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’তে পরিণত হয়েছে। আর এটা হয়েছে কেবল একজন রহস্যময় নারীর ভিডিও বার্তার উপর ভিত্তি করে। আর প্রাসঙ্গিক অপ্রাসঙ্গিকভাবেই ওঠে আসছে সেই পুরনো দিনের গল্প।

১৯৯৬ সালে ছেলে তারকা অভিনেতা সালমান শাহ্’র রহস্যজনক মৃত্যুর পর থেকেই সত্য জানতে উদগ্রীব হয়ে আছেন তার মা নীলা চৌধুরী। থানা  পুলিশ আইন আদালতেই বেশীর ভাগ দিন কাটছে তার। কিন্তু এখন পর্যন্ত সালমান খুনের কোনো কুলকিনারা খুঁজে পাননি তিনি। কিন্তু এবার সালমান খুনের সন্দেহবাজন আসামি সুলতানা রুবির একটি ভিডিও বার্তায় ফের জেগে ওঠেছেন সালমানের মা। সোমবার রাতে তিনি যুক্তরাজ্য থেকেই ভিডিওতে যুক্ত হয়েছিলেন দেশের বেসরকারি টিভি লাইভ অনুষ্ঠানে। সেখানে তার কথায় ওঠে আসে সালমান হত্যার সেই পুরনো বিষয়টিই!

আলোচিত নারী রাবেয়া সুলতানা রুবির মতো চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা ডনকেও সালমানের খুনী বলে টিভি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন নীলা চৌধুরী। ডনের প্রসঙ্গে নীলা চৌধুরী বলেন, সালমান মরার আগে বারবার বলেছে আমি ইনসিকিউরড। আমাকে নিরাপত্তা দেয়া হোক। এবং সে সিকিউরিটির জন্য ডনকে রেখেছিলো বডিগার্ড হিসেবে। ডনের কাছে পিস্তল ছিলো। এবং যে রাত্রে সালমান মারা যায়, সেইরাত্রে ঘরে নাকি ফায়ারিং, ক্রস ফায়ারিংয়ের শব্দ শোনা গিয়েছিলো। সালমানের ফ্লাটের বারো তলা থেকে সেসময় লোকজন সেটা বলেছিলো, কিন্তু তাদেরকেও হত্যার হুমকি দেয়ায় পরে তারা স্বাক্ষী দেয়নি।

ডনের সম্পর্কে এই অনুষ্ঠানে চিত্রনায়ক সালমানের মা আরো বলেন, ইমন(সালমান) ডনকে নিয়ে আসে। সে খুবই সাধারণ একটা ছেলে ছিলো। নায়ক টায়ক অভিনেতা সে ছিলো না। ইমনের বডি মেসেজ করতো। সে আসলে বডি মাসাজার। হিরো টিরো কিছু না। সালমান অকে নিয়ে নিছিলো, বন্ধু বলতো। কিন্তু আসলেতো বন্ধু না। ইমনের কাপড় চোপড় পরতো। অর খাইতো, অর পরতো। ডনতো একটা গরীবের ছেলে। ইমন মারা যাওয়ার পরে এরা কোনোদিন আমার সঙ্গে দেখা করেনি।   

গো নিউজ/এমটিএল