১০ আষাঢ় ১৪২৪, শনিবার ২৪ জুন ২০১৭ , ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ

রূপচর্চায় বিভিন্ন তেলের ব্যবহার


গো নিউজ২৪ | গো নিউজ ডেস্ক আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সোমবার
রূপচর্চায় বিভিন্ন তেলের ব্যবহার

ডেস্ক: যুগের সাথে মেয়েদের রূপচর্চায়ও পরিবর্তন এসেছে। তবে ত্বকের যত্নে এখনও অনেকেরই তেলের মতো প্রাকৃতিক উপাদানই পছন্দ। জেনে নিন নারী বা পুরুষের রূপচর্চায় বিভিন্ন ধরনের তেলের ব্যবহারের কথা। 

তেল কেন ব্যবহার করবেন?
উদ্ভিজ্জ তেলে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ত্বক ক্রিমের চেয়ে তাড়াতাড়ি ও সহজে গ্রহণ করতে পারে এবং ত্বকে তেলতেলেভাব না রেখেই আদ্রতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে। তেলের মতো আর কোনো প্রাকৃতিক উপাদানই ত্বককে এতো সহজে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে না। 

জার্মান ত্বক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, তেলে কোনো কিছু না মিশিয়ে একেবারে নির্ভেজাল তেল ব্যবহার করুন।

অ্যামন্ড বা বাদাম তেল:
বাদাম তেলে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে অলিক অ্যাসিড, যা ত্বকের সতেজ থাকা দীর্ঘায়িত করে। আর এ কারণেই প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন দেশে রূপচর্চায় বাদাম তেল ব্যবহার করা হয় আসছে। বাদাম তেলের ভিটামিন ‘ই’ ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতেও সহায়তা করে।

অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল:
শিশুর গায়ে অলিভ অয়েল মেখে তাকে রোদে শুইয়ে রাখার দৃশ্যের কথা মনে হলেই বোঝা যায় জলপাইয়ের তেল কতটা উপকারী। জলপাইয়ের তেল ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে চকচকে করে তোলে। তাছাড়া মাথা থেকে পা পর্যন্ত সব জায়গায়ই এই তেল ব্যবহার করা যায়। জলপাইয়ের তেলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’, যা ত্বকের কোষের তারুণ্য ধরে রাখায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সূর্যমুখী তেল:
সূর্যমূখী তেল অনেকে লোশন হিসেবেও ব্যবহার করেন। চুলের যত্নে ও তেলতেলে ত্বকের জন্যও উপকারী সূ্যমূখী তেল। সূর্যমূখী তেলের ভিটামিন ‘ই’ ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখে। তাছাড়া ত্বকের পুরনো কোষ পরিষ্কার করে এবং নতুন কোষ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মারাকুইয়া তেল:
এই তেলে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও লিনোল অ্যাসিড, যা ত্বকের আদ্রতা ফিরিয়ে এনে মসৃণ করে। 

ত্বক এক্সপার্টের মতে মুখ ধোয়ার পর সামান্য ভেজা থাকা অবস্থায় যে কোনো তেল ভালো করে ম্যাসেজ করা উচিত, যাতে তেল ভালোভাবে ত্বকে মেশে ও আরাম বোধ হয়।

ওমেগা-৩ তেল:
সুন্দরী তারকারাও কিন্তু তাদের রূপচর্চর তেল ব্যবহার করে থাকেন। হলিউডের তারকা গুয়েনেথ পাল্ট্রো তার রূপের রহস্য জানাতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘আমার ত্বক চর্চায় ওমেগা-৩ তেলের স্থান সবচেয়ে ওপরে।’’

নারকেল তেল:
বাঙালিদের কাছে নারকেল তেলের গুণের কথা বলা অনেকটা মায়ের কাছে মামার বাড়ির গল্পের মতো। তবে গত কয়েক বছর থেকে জার্মানিতে কিন্তু স্বাস্থ্যকর রান্না এবং সুন্দর ত্বক, মসৃণ চুল ও ঝকঝকে দাঁতের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার বেড়ে গেছে। জার্মানির অরগ্যানিক ফেয়ার পোর্টাল কসমস-এর বিউটি এক্সপার্টের পরামর্শ, কুসুম গরম নারকেল তেলে কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেললেই বুঝবেন চুল কতটা মসৃণ, ঝরঝরে ও সতেজ।

গো নিউজ ২৪/এম