৯ চৈত্র ১৪২৩, বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ ২০১৭ , ৪:২৭ অপরাহ্ণ

রানীশংকৈলে মটর সাইকেল চোরের সর্দার রাজ্জাক আটক


গো নিউজ২৪ আপডেট: ১৫ মে ২০১৬ রবিবার
রানীশংকৈলে মটর সাইকেল চোরের সর্দার রাজ্জাক আটক

রাণীশংকৈলে উপজেলার কুখ্যাত মটর সাইকেল চোর ও জালটাকা ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক (৩৮)কে ২টি মটরসাইকেল সহ আটক করেছে পুলিশ। ১৪ মে দিবাগত রাতে থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হোসনগাঁও ইউনিয়নের ১২ ঘরিয়া গ্রামের শ্রী দীনবন্ধু শীল’র বাড়ীতে চোরাই মটরসাইকেল বেচাকেনার সময় পুলিশ হাতে নাতে ২টি মটরসাইকেল সহ আন্তঃজেলা কুখ্যাত মটরসাইকেল চোর ভান্ডাগ্রামের মৃত মকবুল চোরের ছেলে আঃ রাজ্জাক চোরকে আটক করে ।

 

এসময় দীনবন্ধু শীলের ছেলে মদন শীল সহ তার সংগীয় চোরেরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ও মটরসাইকেল মালিক সূত্রে জানা গেছে, ১৪ মে (শনিবার) মাগরীব নামাজের সময় পীরগঞ্জ উপজেলার গোয়াগাঁও গ্রামের সলিমুদ্দীনের ছেলে জহির উদ্দীনের মসজিদের সামনে থেকে ১২৫ সি সি ডিসকভার মটরসাইকেলটি চুরি হয়। একই দিনে রাত ৮টায় হরিপুর উপজেলার বকুয়া বটতলী গ্রামের জিয়াউর রহমানের ১০০ সিসি ডিসকভার মটরসাইকেলটি ধীরগঞ্জ বাজার থেকে চুরি হয়।

 

বিশেষসূত্রে জানা যায়,মোটর চুরি সম্রাট রাজ্জাককে জেল হাজতে প্রেরণ করার সপ্তাহ পরেই জেলহাজত থেকে ফীরে এসে পূনরায় চুরির কাজে ব্যস্ত হয়।যার কারনে সাধারন মানুষ তার সখের গাড়ীটির নিশ্চয়তা দিতে র্ব্যথ হচ্ছে।

 

অপর দিকে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে জানা যায়,মোটরবাইক চুররি পর ২০ থেকে ৮০হাজার টাকা বিশেষ কায়দায় আদায়রে মাধ্যমে একাধিক চুরি খোয়া মোটর সাইকেল ফেরৎ দেয় চোর রাজ্জাক।এমন ঘটনার পূনরাবৃত্তরি হাত থেকে  এলাকাবাসি নিস্তার চায়। জেলার রাণীশংকৈল, হরিপুর, পীরগঞ্জ, বালিয়াডাঙ্গী ও ঠাকুরগাঁও সদরসহ অন্যান্য উপজেলার মটরসাইকেল মালিকরা রাজ্জাক চোরের আতংকে মটরসাইকেল নিয়ে চলা ফেরা করে অথচ তার বিরুদ্ধে আইন শৃংখলা মিটিংএ অনেক আলোচনা করা হয়। তার পরেও তার জামিন মঞ্জুর হয়ে যায়। এব্যাপারে মটরসাইকেল মালিক জিয়াউর রহমান ও জহির উদ্দীণ ১৫ মে পীরগঞ্জ ও হরিপুর থানায় রাজ্জাক সহ ১৭জনকে আসামী করে মামলা করে। 


এদিকে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, রাজ্জাক চোরকে তল্লাসি করে জাল, ১হাজার টাকার একটি নোট পাওয়া গেছে। তিনি দুঃখের সহিত সাংবাদিকদের জানান, রাজ্জাক চোরকে মালসহ আটক করে আদালতে প্রেরণ করার পরও আইনের ফাঁকদিয়ে বেরিয়ে যায় ৷ কিভাবে বেরিয়ে যায় তার প্রশ্ন রেখে এলাকাবাসীর সাথে একমত হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন থানা ওসি রেজাউল করিম ৷