৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, সোমবার ২০ নভেম্বর ২০১৭ , ৩:৩১ অপরাহ্ণ

রাজশাহীতে ভাগ্নে হত্যার দায়ে মামার মৃত্যুদণ্ড


গো নিউজ২৪ | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রাজশাহী আপডেট: ১৬ জুলাই ২০১৭ রবিবার
রাজশাহীতে ভাগ্নে হত্যার দায়ে মামার মৃত্যুদণ্ড

রাজশাহীতে ভাগ্নে আল-আমিনকে হত্যার দায়ে মামা আব্দুল মালেককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলার অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরিন কবিতা আকতার এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।  

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল মালেক রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার মোল্লাপাড়া এলাকার মৃত এসাহাক আলী ওরফে সাহু ডাকাতের ছেলে। 

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর পবা থানার সরিষাকুড়ি এলাকার শামসুজ্জোহা ওরফে ভুদুর ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নসিমন করিমনের চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালের ৫ আগস্ট সৎ মামা আব্দুল মালেক এবং তার সহযোগীদের হাতে ভাগ্নে আল-আমিন খুন হন। নগরীর হড়গ্রাম কড়ইতলা এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

হত্যাকাণ্ডের আগে বেশ কয়েকদিন ধরে আল-আমিনের সাথে মামা মালেকের নসিমন করিমন থেকে চাঁদা তোলা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ওইদিন রাত পৌনে ৯টার দিকে নগরীর হড়গ্রাম কড়ইতলা মোড়ে আল-আমিনকে চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করা হয়।

এ ঘটনার পর মালেক এবং তারা সহযোগী জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আল-আমিনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল-মিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

সেদিন রাতে নগরীর রাজপাড়া থানায় আল-আমিনের বাবা বাদী হয়ে আবদুল মালেক ও জাহাঙ্গীর আলম নামে আরেক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি চলাকালীন অবস্থায় রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু জানান, মামলাটি ১৩৫ দিনের মধ্যেই রায় হয়েছে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে। একজনের ফাঁসি ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

তিনি আরও জানান, আদালতে মামলা চলাকালে মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করে আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাভোকেট হামিদুল হক ও একরামুর রসুল।

গো নিউজ/এমবি