৯ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ২৪ আগস্ট ২০১৭ , ৭:২২ পূর্বাহ্ণ

যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে চীন সীমান্তে আরো ভারতীয় সেনা


গো নিউজ২৪ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক আপডেট: ১২ আগস্ট ২০১৭ শনিবার
যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে চীন সীমান্তে আরো ভারতীয় সেনা

আবারো যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়ে চীন-ভারত-ভুটানের মধ্যবর্তী ত্রিদেশীয় সীমান্ত ডোকলামে নতুন করে সেনা পাঠিয়েছে ভারত। সতর্কতাও জারি করা হয়েছে সেখানে। অরুণাচল ও সিকিমে চীনের সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিমি সীমান্তজুড়ে ভারতীয় সেনাদের যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

ভারতীয় রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, চীনা বাহিনীকে সার্বক্ষণিক নজরে রাখছে ভারতীয় সেনারা। সে অনুসারেই প্রস্তুত থাকছে তারা। বিতর্কিত ডোকলাম এলাকায় হাতেগোনা ৫৩ জন ভারতীয় সেনা মোতায়েন রয়েছেন। তাদের পেছনে আছে প্রায় ৪০০ সৈন্য। এর কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার সেনা।

হঠাৎ যুদ্ধ বেধে গেলে এসব সেনার সবাই ডোকলামে গিয়ে ‘ব্যাক আপ ফোর্স’ হিসাবে সম্মুখ সমরে অংশ নেবে। অবশ্য এতে পিছিয়ে নেই চীনও। একই পরিকল্পনা অনুসারে সেনাবাহিনী সাজিয়েছে তারা। মানবশৃঙ্খল ও চক্রব্যূহ তৈরি করেছে চীনা সেনারা। তারাও মোতায়েন করে রেখেছে বিপুল সংখ্যক সৈন্য। দুই পক্ষের হাতেই ভারী ট্যাংক, মেশিনগান ট্রেঞ্চ এবং মিসাইল লঞ্চার ট্রাক।

এখন ‘নো ওয়ার নো পিস’ অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে দুই দেশের সেনারা। সামরিক পরিভাষায় ‘নো ওয়ার নো পিস’ মানে ‘যুদ্ধের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত’ দুই পক্ষই। যাকে বলা হয় ‘মিলিটারি ফেস অব’। এক্ষেত্রে কাঁধে ঝোলানো বন্দুকের নল থাকে নিচের দিকে (গান ডাউন)। এই সময় মানব-প্রাচীর গড়ে শত্রুর আগ্রাসন রুখে দেয়া হয়। এখন ডোকলামে ঠিক এই অবস্থানেই আছে ভারত ও চীনের সেনারা।

এই মুহূর্তে কোনো পক্ষ যদি গুলি চালাতে বন্দুক হাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন অন্য পক্ষও পাল্টা জবাব দেয়। সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘চার্জ’। তবে চার্জে যাওয়ার আগে দু’পক্ষই একে অপরের ট্রুপস মুভমন্ট দেখে নেয়। অর্থাৎ, সেনা সমাবেশ, সেনা চলাচল, ট্যাংক, মিসাইল লঞ্চার ট্রাক, গাড়ির সমাবেশ ইত্যাদি। এখন সিকিম সেক্টরে ডোকলামের কাছে ভারত ও চীন- উভয় পক্ষই একে অপরের ট্রুপস মুভমেন্ট খেয়াল করছে।

গো নিউজ২৪/ আরএস