১২ চৈত্র ১৪২৩, সোমবার ২৭ মার্চ ২০১৭ , ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মদপুরে চালু হল বি-৭ রেস্তোরা এন্ড পার্টিসেন্টার


গো নিউজ২৪ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ রবিবার
মোহাম্মদপুরে চালু হল বি-৭ রেস্তোরা এন্ড পার্টিসেন্টার

 

রাজধানীতে ভোজন রসিকদের খাবারের চাহিদা মিটাতে নিত্য নতুন চালু হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রেস্তোরা ও খাবারের দোকান। ক্রমান্বয়ে এই সকল খাবারের দোকানগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে রাজধানীবাসীর কাছে। নামীদামী সব রেস্তোরা রাজধানীর বিভিন্ন  এলাকায় তাদের শাখা বৃদ্ধি করে চলেছে খাবারের ব্যাপক চাহিদার কারনে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী ও এর আশেপাশের বাসিন্দাদের জন্য সব ধরনের খাবারের চাহিদা পূরনের জন্য এবার চালু হল বি-৭ রেস্তোরা এন্ড পার্টিসেন্টার। একই বিল্ডিং এ একই সাথে থাকছে বি-মার্ট শপিং সেন্টার।

 

 

মোহাম্মদপুরের শ্যামলী রিং রোডের ১১১১/সি এলাকায় (আদাবর থানার ডান পাশে) তিন তলা বিল্ডিং নিয়ে চালু হয়েছে এই রেস্তোরা ও পার্টিসেন্টার। এর নিচ তলায় থাকছে কাবাব ঘর ও শপিং সেন্টার, দোতালায় রেস্টুরেন্ট ও তিন তলায় পার্টি সেন্টার। সম্পূর্ন শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত এই রেস্টুরেন্টে একসাথে ৮০ জনের খাবারের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া পার্টি সেন্টারে থাকছে একসাথে ২০০ জনের বসার ব্যবস্থা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ লোকের খাবারের ব্যবস্থা। দেশীয়, চাইনিজ, বিরিয়ানি, কাবাবসহ সব ধরনের খাবার পাওয়া যাবে এখানে। এই রেস্তোরাতে ছোট বাচ্চাদের জন্য থাকছে খেলাধুলার আলাদা ব্যবস্থা।   

 

 

এই ব্যাপারে রেস্তোরার উদ্যোক্তাদের একজন মোহাম্মদ হাসানুল কবির মোবিন বলেন, “বি-৭ রেস্তোরা এন্ড পার্টিসেন্টার সম্পূর্ন হাইজিনিক পরিবেশে ভিন্ন স্বাদের খাবারের আয়োজন নিয়ে ভোজন রসিকদের জন্য চালু করা হয়েছে। আমাদের পাহ্নপথে আরেকটি রেস্তোরা আছে তবে সেটি ছোট পরিসরে। তাই এবার বৃহৎ পরিসরে মোহাম্মদপুরে চালু হল এই রেস্তোরা। আমাদের এইখানে সকাল, দুপুর ও রাতের সব ধরনের খাবারের ব্যবস্থা আছে। এছাড়াও আছে পার্টি সেন্টার যেখানে ৫০০ থেকে ৭০০ লোকের খাবারের ব্যবস্থা করা যাবে। এখানে আছে শপিং মল এবং বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থা। তাছাড়া পার্সেলে খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে থাকছে নগদ মূল্য ছাড়ও”।

 

 

বি-৭ রেস্তোরা এন্ড পার্টিসেন্টার এ থাকছে সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের দেশীয় ও চাইনিজ খাবারের ব্যবস্থা, তান্দুরী, কাবাব, গ্রীল, ডেজার্ট, সুইটসসহ নানান আয়োজন। এখানে খাবারের আয়োজনের মধ্যে উলেখযোগ্য হচ্ছে-

সকালের নাস্তায়ঃ পরোটা, রুমালী রুটি, সবজি ভাজি, বুটের ডাল, আলু ভাজি, স্পেশাল হালুয়া, মুগ ডাল, গরু ভুনা, গরুর নেহারী/পায়া, মুরগীর/খাসীর কলিজা, চিকেন স্যুপ, বিফ/চিকেন/মাটন খিচুরী, স্পেশাল দুধ চা। এখানে পরোটা ও রুটি ৮-১০ টাকা, ডাল-ভাজি ১৫ টাকা, হালুয়া ২০ টাকা, নেহারি/পায়া ৭০ টাকা, মুরগী-খাসীর কলিজা ৫০-৮০ টাকা, গরু ভুনা ১৩০ টাকা, বিফ, চিকেন, মাটন খিচুরী ১২০-১৪০ টাকা, চা ১৫ টাকায় পাওয়া যাবে।  

 

 

দুপুর ও রাতের খাবারে থাকছেঃ ভাত, প্লেন পোলাও, মোরগ পোলাও, কাচ্চি, তেহারী, স্পেশাল বি-৭ রাজার বিরিয়ানি, গরুর ভুনা, মাটন রেজালা, মুরগীর ঝাল ফ্রাই, মুরগী মসল্লাম, মুরগীর রোস্ট, কবুতর রোস্ট, সবজি, ডাল, শুটকি, বিভিন্ন ভাজি ও শাক, মাছসহ বিভিন্ন ভর্তা, ইলিশ, রূপচাঁদা, রুই, চিংড়ি, পাবদা, বাইম, আইড়, শিং, চিতল, কৈ, শৈলসহ বিভিন্ন মাছ। চাইনিজ খাবারের মধ্যে আছে ফ্রাইড রাইস, ভেজিটেবল, চিকেন/থাই/ভেজিটেবল স্যুপ, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেন্স ফ্রাই, স্পেশাল নুডুলস, চিকেন ললিপপ ইত্যাদি। দাম পরবে ভাত প্রতি প্লেট ২০ টাকা, কাচ্চি (ফুল ডিম, জালিসহ) ১৬০ টাকা, মোরগ পোলাও (ফুল ডিম, জালিসহ) ১৫০ টাকা, স্পেশাল বি-৭ রাজার বিরিয়ানি ১৬০ টাকা, মাটন রেজালা ১৩০ টাকা, মুরগী ঝাল ফ্রাই ১২০ টাকা, মুরগী মসল্লাম ১৮০ টাকা, মুরগী রোস্ট ১০০ টাকা, কবুতর রোস্ট ২০০ টাকা, বিভিন্ন ভর্তা, ভাজি, শাক, শুটকি ৩০-৫০ টাকা। বিভিন্ন ধরনের মাছ পরবে ১৫০-২০০ টাকার মধ্যে।  

 

   

 

তান্দুরী/কাবাব/গ্রীলঃ চিকেন তান্দুরী, চিকেন রেশমী, চিকেন বডি, চিকেন হাড়িয়ালি, চিকেন টিকা, গ্রিল চিকেন কোয়ার্টার/হাফ/ফুল, শিক কাবাব, মাটন বডি, চিকেন সাসলিক, চিকেন ফ্রাই, চিকেন লাহাম, ফিশ কাবাব (রূপচাঁদা), সাথে থাকছে পরোটা, স্পেশাল নান, বাটার নান, গার্লিক নান, স্পেশাল চা। এখানে তান্দুরী ১০০ টাকা, চিকেন টিকা ১৭০ টাকা, গ্রীল ৮০-৩২০ টাকা, শিক ১০০ টাকা, মাটন বডি ১১০ টাকা, চিকেন সাসলিক ৯০ টাকা, চিকেন ফ্রাই (হাফ/ফুল) ২০০-৪০০ টাকা, চিকেন লাহাম ২০০-৪০০ টাকা, ফিস ফ্রাই (রূপচাঁদা) ২০০ টাকায় পাওয়া যাবে। এছাড়াও বিভিন্ন স্বাদের নান পাওয়া যাবে ২০-৪০ টাকায়।

 

 

ডেজার্ট ও সুইটসঃ ফালুদা, লাচ্ছি, ফিরনি, পুডিং, বোরহানি, লাবাং, আইসক্রীম, মিষ্টি কাপ দই, জর্দা। পানীয় হিসাবে থাকছে সিজোনাল ফ্রেস জুস, মিনারেল ওয়াটার, সফট ড্রিংস। এরমধ্যে ফালুদা ৮০ টাকা, লাচ্ছি ৬০ টাকা, ফিরনি ৩০ টাকা, পুডিং ৫০ টাকা, বোরহানি (গ্লাস) ৪০ টাকা, লাবাং ৬০ টাকা, কাপ দই ৩০ টাকা, জর্দা ৪০ টাকা। এছাড়া মিনারেল ওয়াটারসহ অন্যান্য পানীয় ১৫-৮০ টাকায় পাওয়া যাবে।

এই রেস্তোরা এন্ড পার্টিসেন্টাররে আছে প্রশস্ত খাবারের জায়গা, ফ্রি ওয়াইফাই জোন, বাচ্চাদের জন্য গাড়ির রাইডসহ খেলাধুলার ব্যবস্থা। পার্টি সেন্টারে আয়োজন করা যাবে বিয়ে, বৌভাত, গায়ে হলুদ, জন্মদিন, সেমিনারসহ যে কোন পার্টির ব্যবস্থা। ভোজন রসিকরা যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯৬৬৬২১৯৯৯ এই নম্বরে।

গো-নিউজ২৪/বিএস