৫ মাঘ ১৪২৩, বুধবার ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ , ৭:৩৫ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের সফলতা


গো নিউজ২৪ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০১৭ বুধবার
বাংলাদেশের সফলতা

সৈয়দ আবুল হোসেন বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘আমার কথা’। এই বইয়ে তিনি নিজের চিন্তা, কর্মকাণ্ড, মূল্যবোধ, নানা অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে লিখেছেন। এটি পড়লে তাকে যারা পুরোপুরি চিনেন না তাদের সুবিধা হবে। বইটি Gonews24.com ধারাবাহিকভাবে ছাপছে। বইটির আজকের পর্বে থাকছে- ‘​​বাংলাদেশের সফলতা’ বাংলাদেশের সফলতা দিন দিন বাড়ছে। আর এটা বাড়ানোর জন্য অনেক কাজও হচ্ছে। তারপরও মনে হয়, এটা খতিয়ে দেখা দরকার- বাংলাদেশের সফলতার পেছনের আসল রহস্য কী? এ প্রশ্ন জনগণের মনেও আসতে পারে। আমি মনে করি, সাফল্য কোনো গন্তব্য নয় বরং এটি একটি ভ্রমণের সূচনা মাত্র। এই ভ্রমণে সর্বোচ্চ চূড়ায় উপনীত হওয়া প্রকৃত অভিযাত্রীর লক্ষ্য। আর পরবর্তী ভ্রমণের জন্য প্রত্যেককে সামনের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সুতরাং কেউ যদি প্রশ্ন করে, সাফল্যের রহস্য কী? তাহলে এই প্রশ্ন শোনার পর আমি আমাদের দেশের সাফল্যের গোপন রহস্য বর্ণনা করি।

প্রথমে বলি, আমরা এখনও সাফল্যের পথে ভ্রমণ করছি। যেহেতু আমাদের সব চাওয়া এখনও পূর্ণ হয়নি তাই সবসময় আমরা সাফল্যের পথেই ভ্রমণ করতে চাই। আসল কথা হচ্ছে সব চাওয়া কখনও পূর্ণ হয় না। তাই সফলতা হচ্ছে আর-একটি সফলতা অর্জনের বাধ্যবাধকতা। স্বল্প সময়ের এ ভ্রমণে আমরা কিছু মহামূল্যবান গুণাবলি অর্জন করেছি। সেসব গুণাবলির মধ্যে অন্যতম গুণ হচ্ছে ভালবাসা। এর মাধ্যমে আমি বোঝাতে চাচ্ছি দেশের জন্য প্রত্যেক নাগরিকের ভালবাসা আছে। হ্যাঁ, আমরা আমাদের বাংলাদেশকে ভালবাসি। যেটাকে বলে দেশপ্রেম। দলীয় ঐক্যের শক্তি আমরা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা-যুদ্ধে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি এবং আজও তা অন্তরে ধারণ করছি। এটি আমরা যতদিন লালন করতে পারব, ততদিন আমরা সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হব। প্রতিবছর আমার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট এবং মার্কেটের হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। আমি তাদের চোখের কোণে বাংলাদেশের জন্য ভালবাসা দেখতে পাই। দেশের সেবা করতে এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করতে তাদের মধ্যে প্রবল ইচ্ছাশক্তি কাজ করে। এমনকি আমি এমন প্রবাসীদেরও দেখেছি যাঁদের দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রখর ইচ্ছাশক্তি রয়েছে, কারণ তাঁরা দেশকে সত্যি ভালবাসেন। দেশের জনগণ নিজেদের সন্তানের জন্য বাংলাদেশকে রক্ষা করতে ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, শিক্ষক, সৈনিক, ব্যবসায়ী অথবা সরকারি বা বেসরকারি কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করবে। তারা বাংলাদেশকে ভালবাসে, যেন তাদের সন্তানরা তার পিতামাতার জন্য এবং দেশের জন্য নিজেদেরকে উৎসর্গ করতে পারে।

আমরা আমাদের গভীর অনুভূতি নিয়ে দেশের সকল কাজ করে থাকি। আর এটিই হচ্ছে আমাদের সাফল্যের প্রধান কারণ। বাংলাদেশের সাফল্যের দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে টিম-স্পিরিট বা দলীয় শক্তি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ সরকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সরকারি আমলা, প্রশাসন ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনগণ একটি টিম হিসাবে কাজ করে। মাঝে মাঝে কিছুটা সমন্বয়হীনতা কাজ করলেও প্রত্যেকেই সুখী-সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে একসঙ্গে কাজ করে। এ দলীয় ঐক্যের শক্তি আমরা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা-যুদ্ধে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি এবং আজও তা অন্তরে ধারণ করছি। এটি আমরা যতদিন লালন করতে পারব, ততদিন আমরা সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হব। এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করা খুব সহজ কাজ নয়। আমরা অনেক প্রতিষ্ঠানকে দেখেছি একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ব্যতিক্রম কিছু প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। এটি হচ্ছে আমাদের টিম-স্পিরিট, দেশের জন্য আমরা ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি যা আমাদের প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও গতিশীল করে তুলেছে এবং এটি আমাদের শক্তিশালী, অনুপ্রাণিত ও উদ্যমশীল করে তুলেছে। এগুলোকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসাবে বিবেচনা করি। এগুলো আমাদের সক্ষমতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী করেছে।

আমাদের দূরদৃষ্টি, প্রেরণা, কর্মশক্তি এবং গতিশীলতা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে আমাদের দেশগঠনে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ হিসাবে কাজ করেছিল। আমরা মানুষকেই সম্পদে পরিণত করে এগোতে পারি। শিক্ষা হচ্ছে মানবসম্পদ বৃদ্ধির প্রথম ও প্রধান উপায়। আর প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে শিক্ষার মূলভিত্তি এবং শিক্ষা হচ্ছে সকল সফলতার নিয়ামক। আমি একটা প্রবাদ মনে রাখার চেষ্টা করি, তা হচ্ছে : যদি আপনি এক বছরের জন্য বিলাসিতা চান তাহলে ধান-গম উৎপাদন করুন। যদি এক যুগের বিলাসিতা চান তাহলে আপনি গাছ রোপণ করুন। আর যদি শতবর্ষের বিলাসিতা চান তাহলে মানুষ বাড়ান। আমাদের মানুষ বাড়ানোর দরকার নেই। এখন যা আছে তাই যথেষ্ট। আমরা মানুষকেই সম্পদে পরিণত করে এগোতে পারি। শিক্ষা হচ্ছে মানবসম্পদ বৃদ্ধির প্রথম ও প্রধান উপায়। আর প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে শিক্ষার মূলভিত্তি এবং শিক্ষা হচ্ছে সকল সফলতার নিয়ামক। তাই সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সার্বিক উন্নয়ন-সফলতার মূলমন্ত্র হিসাবে গণ্য করে অগ্রসর হচ্ছে।

স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার দৌঁড়ে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল দেশে পরিণত হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে শিক্ষাক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত লক্ষ্য পূরণ হবে। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে যুগান্তকারী অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ইউনেস্কোর ডিরেক্টর জেনারেল এডজয়েন্ট গেটাচিউ বলেছেন, ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের সংখ্যাসমতা, বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে বই-বিতরণ, শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির নিবিড় ব্যবহার প্রভৃতি সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে অনুসরণীয় দেশে পরিণত করেছে।’ ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে সবার জন্য শিক্ষা- বাধ্যতামূলক। প্রাথমিক শিক্ষা আইন ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিটমেন্টের কারণে সরকারকে এ সেক্টরে বিশেষ নজর দিতে হয়েছে। দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করতে, বিশেষত দরিদ্র-পরিবারের ঝরে পড়া ছেলেমেয়েদের পুনরায় শিক্ষার ব্যবস্থা করতে এনজিওরাও এসময় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। সব মিলিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশের সফলতা ঈর্ষণীয় স্থানে পৌঁছেছে।

বিভিন্ন বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও অতি অল্প সময়ের মধ্যে প্রাথমিকে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি, প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাসমতা অর্জন, শিক্ষাবর্ষের প্রথম ক্লাসে পাঠ্যবই প্রদান ও ক্লাস শুরুসহ নানা ক্ষেত্রে সফলতা এসেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার সর্বোচ্চ। ঝরে পড়ার হার আস্তে আস্তে কমছে। প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের প্রভাব ক্রমশ মাধ্যমিক শিক্ষাসহ অন্য স্তরগুলোতেও পড়ছে। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ভর্তির হার ছিল ৬১ ভাগ। কিন্তু ২০১১ খ্রিস্টাব্দে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ২ ভাগ এবং ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ৯৯ দশমিক ৪৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বিগত ৪০ বছরে বাংলাদেশে মেয়ে শিক্ষার্থীর প্রাথমিকে ভর্তির হার ৩২ থেকে ৫১ ভাগ এবং মাধ্যমিকে ১৮ থেকে ৫৪ ভাগে উন্নীত হয়েছে। গত দুই-দশক ধরে মেয়ে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ২.৯ মিলিয়ন ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। ২০১১ খ্রিস্টাব্দের জরিপ অনুযায়ীÑ দেশে প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা লক্ষাধিক। তার ওপর স্কুল না-থাকা প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন আরও ১ হাজার ৫০০ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সরকারের সহায়তায় পাবলিক-প্রাইভেট অংশগ্রহণে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক আট লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে স্কুলে ভর্তি করেছে। ৭ দশমিক ৮ মিলিয়ন দরিদ্র শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দের ৫৭ ভাগ থেকে ২০১১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ দশমিক সাত ভাগে নেমে এসেছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নেও বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে। মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষক-প্রশিক্ষণ প্রদান, সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি চালু করা, ৫ম ও ৮ম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা চালু করা, সর্বস্তরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত করাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার এ পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭১ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করেছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। সেখানে ছোট ছোট শিশুপার্কও করা হচ্ছে।

সরকার বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য ৭৫০ কোটি টাকায় ১৫০০ গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে।৯০ সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি সম্পর্কে বলা হয়েছে : বছর দশেক আগেও যে পরিমাণ শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে মাধ্যমিকে ভর্তি হতো, সে সংখ্যা এখন বহুগুণে বেড়েছে। ফলে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকারও বার্ষিক বাজেটে শিক্ষাখাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৮৫৯ কোটি টাকা, যা ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং বাজেটের ১৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২১ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা, যা প্রাক্কলিত জিডিপির ২ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং বাজেটের ১১ দশমিক ১৭ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮০ দশমিক ৩৭ শতাংশ, বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। প্রাকৃতিক সম্পদের স্বল্পতা, স্বল্প মাথাপিছু আয়, জনসংখ্যার আধিক্য ও সুশাসনের অভাব সত্ত্বেও গত দুই দশক ধরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের সীমায় ধরে রাখা, রপ্তানি আয়ের ঊর্ধ্বমুখিনতা এবং বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও ব্যষ্টিক অর্থনীতির ধীরগতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারার কারণে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে এক অপার সম্ভাবনার দেশ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মূল কৃতিত্বের অধিকারী হচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা। বিশ্বব্যাংকের মতে, স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি মধ্যআয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। বর্তমান বিশ্বের ১১টি সম্ভাবনাময় দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি, যে দেশ সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যাবে ২০৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।৯৪ সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম’-এর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসায় প্রতিযোগিতার সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশ গত এক বছরে আট ধাপ এগিয়ে ১৪৪টি দেশের মধ্যে ১১৮তম স্থান থেকে ১১০তম স্থানে পৌঁছেছে।৯৫ আমি একটা কথা বলি এবং বার বার বলি, আমাদের ১৬ কোটি মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস নিবেদিত থাকলে আমরা আমাদের সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারি।

লেখক: সৈয়দ আবুল হোসেন