৯ ফাল্গুন ১৪২৩, মঙ্গলবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ , ৮:১২ অপরাহ্ণ

বই হোক অবসরের সঙ্গী


গো নিউজ২৪ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৬ বৃহস্পতিবার
বই হোক অবসরের সঙ্গী

বই হতে পারে আপনার অবসরের বন্ধু। যত বেশি পড়া, ঠিক ততটাই শেখা; কিন্তু ধারণাটি ভুল। এক্ষেত্রে যা-ই পড়ুন না কেন, বিষয়টি আপনার বোধগম্য হতে হবে। ঠিক সেটাই পড়ার জন্য নির্বাচন করুন, যেটি আপনার মন ছুঁয়ে যায়।

দীর্ঘদিনের কর্মব্যস্ততা, তার পর হঠাত্ই অখণ্ড অবসর। অনেকে অবসর যাপনের জন্য সুযোগ পাওয়ামাত্রই ভ্রমণের ছক কষতে থাকেন। কেউবা কম্পিউটারে কপি করতে শুরু করেন পছন্দের চলচ্চিত্র, নাটক। আবার এমন অনেকে আছেন, যারা শেলফ থেকে নামাতে শুরু করেন প্রিয় বইগুলো। অনেকে অবসর যাপনের জন্য নিত্যনতুন বই কিনতে ভিড় জমান বইয়ের দোকানে। তবে যার সময় যেভাবেই কাটুক, অবসর যাপনের ক্ষেত্রে বই পড়ার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো কাজ এখনো দৃষ্টিগোচর হয়নি। লন্ডনভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ‘এলিট ডেইলি’ এটি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে কিছু বিষয় বের করে এনেছে। তাদের হিসাবে বই পড়া শুধু সময় পার করার উপলক্ষই নয়, এতে আনুষঙ্গিক আরো দিকের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

শৈশব থেকেই পড়ালেখা বলতে আমাদের মনে বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে পাঠ্যবইয়ের পাঠ আর সেই অমনোযোগী অবস্থা। কিন্তু অবসরের পাঠ আর পাঠ্যবইয়ের পাঠ কখনই এক নয়। তার পরও বই পড়ে নিজের মনোভাবকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। এতে খুব সহজে আপনিও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন। চর্চার অর্থ নতুন কিছু লেখা নয়, বরং অনেকগুলো সুন্দর ভাবনাকে হূদয়ে ধারণ করা, যা আপনাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

তার চেয়েও বড় বিষয় সেটি পড়ে আপনি উপভোগ করছেন তো? শ্রেণীকক্ষের পাঠ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষঙ্গ আপনার ভাবনায় নতুনত্ব আনতে পারবে ঠিকই, কিন্তু সেগুলো অবসরের পাঠ্য নয়। তবে অনেকে আছেন, যারা ইতিহাস কিংবা সাহিত্য থেকেই এক অনাবিল আনন্দ লাভ করেন। এক্ষেত্রে অবসরের পাঠ্য হিসেবে ইতিহাসের বই রাখাটা দোষের নয়। একইভাবে সাহিত্য বলতে জোর করে নামি লেখকের দুর্বোধ্য বই হাতে তুলে নিতে হবে এমনটা নয়। আপনি পড়ুন, ঠিক সেটাই পড়ার জন্য নির্বাচন করুন, যেটি আপনার প্রাণ ছুঁয়ে যায়, আপনি যেটাকে হূদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন।

গো-নিউজ২৪/সিরাজী শাহরিন/এএফ