৮ আশ্বিন ১৪২৪, শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ১:২১ অপরাহ্ণ

প্রেমিকের বাড়িতে নারী ইউপি সদস্যের অনশন


গো নিউজ২৪ | জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ১৩ মে ২০১৭ শনিবার
প্রেমিকের বাড়িতে নারী ইউপি সদস্যের অনশন

ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে গতকাল শুক্রবার স্বামী-সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন নারী ইউপি সদস্য নাজমিন সুলতানা (৩০)। প্রেমিক ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম পলাশ (২৩)  নাজমিন সুলতানার চেয়ে সাত বছরের ছোট। তার এক ছেলে ও এক মেয়েও রয়েছে।

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় সুরুজ মিয়ার ছেলে আব্দুল আলিম পলাশের সঙ্গে একই ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য নাজমিন সুলতানা এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। নাজমিন সুলতানার অভিযোগ, বয়সে সাত বছরের ছোট হলেও পলাশের প্রলোভনে স্বামী সন্তান রেখে দীর্ঘদিন মেলামেশা করছিলেন। এক পর্যায়ে পলাশই তাকে স্বামী পিন্টু মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা-যাওয়া করতো পলাশ।
প্রেমিকের বাড়িতে নারী ইউপি সদস্যের অনশন

গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাকে বিয়েও করে। কিন্তু পরিবার মেনে না নিলে পলাশ তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে গত বৃহস্পতিবার থেকে শিয়ালকুল গ্রামে পলাশের বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশন শুরু করেন তিনি।

ইউপি সদস্য বলেন, যে পর্যন্ত আমাকে তারা মেনে না নেবে সে পর্যন্ত আমি এ বাড়িতেই অবস্থান করবো। আর তা না হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় থাকবে না।

পলাশের চাচা চান মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা যদি বিয়ে করে থাকে, আর যদি সে স্ত্রী হিসেবে নাজমিন সুলতানাকে মেনে নেয় তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।   

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল আলিম পলাশ বিয়ের কথা অস্বীকার করেন। তবে নাজমিন সুলতানার সঙ্গে তার সম্পর্ক ও ধামরাইয়ে বাসা নিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

ধামরাই থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, ওই নারী থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গো নিউজ ২৪