১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, শুক্রবার ২৬ মে ২০১৭ , ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

প্রাকৃতিক আশ্চর্যে ভরা বিশ্বের কয়েকটি সমুদ্রসৈকত


গো নিউজ২৪ | গো নিউজ ডেস্ক আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০১৭ মঙ্গলবার
প্রাকৃতিক আশ্চর্যে ভরা বিশ্বের কয়েকটি সমুদ্রসৈকত

সমুদ্রসৈকত মানেই গা এলিয়ে বসে ‘ট্যান’ হওয়া নয়। বা, বালির বাড়ি তৈরি নয়। অনেকে ঝিনুক কুড়িয়ে আনন্দ পান। কিন্তু ওই ঝিনুক, বা সমুদ্রের তলার কোরালের জন্য যে সাগরতটের রং বদলাতে পারে, তা হয়তো অনেকেরই অজানা।  

১. বিচ অফ দ্য ক্যাথিড্রালস, স্পেন— হাজার বছর ধরে জলের আঘাতে তৈরি হয়েছে এই বিচের বিশালাকার ‘আর্চ’গুলি। চার্চের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় স্পেনের সমুদ্রসৈকতের এই নাম। 

২.জায়ান্টস কজওয়ে বিচ, আয়ারল্যান্ড— প্রায় ৬০ মিলিয়ন বছর আগে, বাসাল্ট লাভা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পরে ফেটে যায়। এবং লম্বা লম্বা পিলারের আকার নেয়। 

৩. ব্ল্যাক স্যান্ড বিচ, হাওয়াই— গরম ব্যাসল্ট লাভা সমুদ্রের জলের সংস্পর্শে আসার ফলে তা খুব তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়ে যায়। এখানকার তটে রয়েছে তারই প্রতিফলন।
 

৪. কোয়কোহে বিচ, নিউজিল্যান্ড— ডাইনোসরের ডিমের মতো বিশালাকার পাথরে ভরা এই সমুদ্রতট। তাই তার অন্য এক নাম ‘ড্রাগন এগস বিচ’।
 

৫. গ্লাস বিচ, ক্যালিফর্নিয়া— এই অঞ্চলে এক সময়ে আবর্জনা ফেলা হত। কালক্রমে সেগুলিই জমে জমে কাচের রূপ নিয়েছে।

৬. গ্রিন স্যান্ড বিচ, হাওয়াই— ‘মিনারেল অলিভাইন’ পদার্থের জন্য এখানকার বালির রং সবুজ। সমুদ্রের জলে লাভা ঠান্ডা হওয়ার কারণেই এমন রং হয়েছে।

৭. হিডন বিচ, মেক্সিকো— মেক্সিকোর ম্যারিয়েটা দ্বীপের এই সমুদ্রসৈকতটি রয়েছে ৭০ থেকে ১১০ ফুট মাটির নিচে। কথিত, বন্দুকের নিশানা প্র্যাক্টিস করার জন্য, সে দেশের সরকারই নাকি এই জায়গা তৈরি করেছিল।

৮. পিঙ্ক স্যান্ড বিচ, বাহামাস— গোলাপি রঙের কোরালের টুকরোয় ভরা বিচ। তার রঙের জন্যই এমন নাম।

৯. মলদ্বীপ— এখানকার সাগরতটে এক ধরনের ‘বায়োলুমিনিসেন্ট ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন’ পাওয়া যায়, যার জন্য রাতে মনে হয় তারায় ভরা আকাশ মাটিতে নেমে এসেছে।
 

গো নিউজ ২৪

পর্যটন বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত