১ পৌষ ১৪২৪, শনিবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ , ৫:৩৪ পূর্বাহ্ণ

ধর্ষণের শিকার নারীর প্রথমেই যা করণীয়


গো নিউজ২৪ | লাইফস্টাইল ডেস্ক আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বুধবার
ধর্ষণের শিকার নারীর প্রথমেই যা করণীয়

ধর্ষণ প্রতিটি নারীদের কাছে এক আতংকের নাম। পাশাপাশি সমাজের জন্য ও রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক একটি বিষয়।  প্রতিদিন পত্রিকার পাতা খুললেই মেলে ধর্ষণের খবর। অহরহ ঘটছে ধর্ষণের ঘটনা। ধর্ষণের পরে বেশিরভাগ নারীই মানসিকভাবে চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন, অনেকেই  আবার আত্নহত্যাও করে থাকেন।

একজন ধর্ষণের শিকার নারীর মানসিক বিপর্যয় ঠেকাতে পরিবার ও কাছের স্বজনদের যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। তাই এ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। ধর্ষণের পরে একজন নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে। তা আমরা অনেকেই জানি না। এজন্য ধর্ষণের পর অনেকে সঠিক বিচার ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়, আর সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয় সেই কান্না।

ধর্ষণের পরে একজন নারীর কী করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে আজ আমরা জানবো-

স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ধর্ষণের পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। অবশ্যই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে ফেলতে হবে। না হলে আলামত নষ্ট হয়ে যায়, যে কারণে আপনি সঠিক বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন। এছাড়া আলামত নষ্ট হয়, এমন কোনো কাজ করা যাবে না। যেমন নির্যাতিতাকে গোসল করানো হয়, যা কোনোভাবেই ঠিক নয়। এতে শারীরিক আলামতগুলো নষ্ট হয়ে যায়। নকি পরণের কাপড়ও পরিষ্কার করা যাবে না।

নির্ভরযোগ্য কাউকে জানান: ধর্ষণের ঘটনাটি নির্ভরযোগ্য কাউকে জানান। যিনি আপনাকে মানসিকভাবে সাহস দেবেন ও সহযোগিতা করবেন। এছাড়া সাক্ষী হিসেবে কাজে লাগানো যায় এমন কোনো বিশ্বস্ত মানুষকে জানান সে আত্মীয়, বন্ধু, পুলিশ, এমনকি হতে পারে আপনার চিকিৎসকও।  

নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন: ধর্ষণের পরে যে কাজটি দ্রুত করতে হবে সেটি হলো নিকটস্থ থানায় জানাতে হবে। যিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিনিই মামলার প্রধান সাক্ষী হতে পারেন।এচাড়া অবশ্যই নির্ভরযোগ্য কাউকে সঙ্গে নিয়ে যান।

আপস মীমাংসা: কখনো কোনো ধর্ষণের ঘটনায় আপস--মীমাংসা করা যাবে না। কারণ ধর্ষকের পরিচয় সে একজন ধর্ষক। তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আজকে আপনি তার সঙ্গে আপস করলে সে কালকেই আরেকজনকে ধর্ষণ করবে।

মানবাধিকার সংগঠন: ধর্ষণের শিকার নারীরা মানবাধিকার সংগঠনের সহযোগিতা পেয়ে থাকেন। মানবাধিকার সংগঠন ধর্ষণের শিকার নারীদের শেল্টার, আইনগত সহায়তা দিয়ে থাকে।

আইনজীবীর সহায়তা: ভিকটিম পুলিশের কাছ থেকে সব রকম সহায়তা পাওয়ার অধিকারী। জেলা জজের আওতায় প্রতিটি জেলায় আইন সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে আবেদন করলে ভিকটিম আর্থিক অথবা আইনজীবীর সহায়তা পেতে পারেন।

গো নিউজ২৪/এবি

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত