২ পৌষ ১৪২৪, রবিবার ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ , ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ

তথ্য প্রযুক্তি খাতে চাকরি পাবে ২০ লাখ তরুণ-তরুণী


গো নিউজ২৪ | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার
তথ্য প্রযুক্তি খাতে চাকরি পাবে ২০ লাখ তরুণ-তরুণী

‘আমি অনেক সময় দেখি, সবাই সরকারি চাকরি বা বেসরকারি ব্যাংকে চাকরির জন্য ঘুরে। তারা শুধু এসব চাকরির পেছনে ঘুরলে আমরা কোটি তরুণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব না। আমরা চাই তরুণরা শুধু চাকরি খুঁজবে না, চাকরি দেবে। তারা চাকরি তৈরি করবে। তার জন্য আমরা সাপ্লাই চেইন বাংলাদেশে তৈরি করতে চাই।’

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’ আয়োজন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

নয় বছরের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আগ্রগতি তুলে ধরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের কাছে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি করতে ৬-৯ ডিসেম্বর রাজধানীতে বসছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় আয়োজন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড -২০১৭।

পলক বলেন, ‘আমাদের দেশে কর্মসংস্থান একটা বড় ইস্যু। ১৬ কোটি মানুষের দেশে প্রায় ৭০ ভাগ তরুণ। বিপুল শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব।’

‘তথ্য প্রযুক্তি খাতে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ লাখ তরুণ-তরুণী চাকরি পাবে। আগামী চার বছরের মধ্যে এই চাকরি নিশ্চিত করতে সরকার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে।’

পলক আরও বলেন, ‘আইসিটি (তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ) বিভাগ প্রশিক্ষণ এবং ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা করবে। এর ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন কোম্পানিতে তারা আউটসোর্সিং করতে পারবে। এর জন্য আমাদের কাজ চলছে। সারা বাংলাদেশে আমরা ২৮টি আইটি পার্ক নির্মাণের কাজ করছি এবং সেখানে আগামী তিন বছরে তিন লক্ষ জনকে ট্রেনিং দেব। যার মধ্য দিয়ে ২০২১ সাল নাগাদ ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করব।’

সারাদেশের তরুণ-তরুণীদের ফ্রিলান্সিংয়ের চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে পাঁচ লাখ তরুণ-তরুণী ফ্রিলান্সিংয়ের কাজ করছে এবং বেসিসের যে কোম্পানিগুলোতে আরও তিন লাখ তরুণ-তরুণী কাজ করছে।’ অন্যদিকে দেশে প্রায় ১০ হাজার ই-কমার্স উদ্যোক্তা নিজের উদ্যোগ নিয়ে হাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে আমরা যে ২৬ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম সেটা এখন বেড়ে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের টার্গেট হচ্ছে ২০১৮ সালের মধ্যে বিলিয়ন ডলার এবং ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করা।’

গোনিউজ২৪/কেআর