১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, বুধবার ২৪ মে ২০১৭ , ৭:৪৮ অপরাহ্ণ

জুতার সঙ্গে মানিয়ে পোশাক? নাকি পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে জুতা ?


গো নিউজ২৪ | ফারজানা আক্তার আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৭ বৃহস্পতিবার
জুতার সঙ্গে মানিয়ে পোশাক? নাকি পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে জুতা ?

জুতার সঙ্গে মানিয়ে পোশাক? নাকি পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে জুতা পরবেন ? এই নিয়ে চিন্তার শেষ নেই তাই না ? এমন কয়েকজনকে চিনি যাঁরা জুতার জন্যই অনেক সময় পোশাক পাল্টে ফেলেন। কারণ তাঁরা জানেন অসচেতন অথবা সচেতনভাবে জুতার ওপরই চোখ চলে যায় সবচেয়ে আগে।

এখন তো গরমের সময়।  এই গরমের জুতাগুলো বানানো হয় একটু খোলামেলা নকশায়।  বিশ্ব ফ্যাশনের পাশাপাশি বাংলাদেশেও গ্ল্যাডিয়েটর, পিপটো, মিড হিল, স্লিং ব্যাক, অ্যাংকেল স্ট্র্যাপ স্টাইলগুলো বেশ চলবে আগামী বেশ কয়েক মাস। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক ধারা অনুসরণ করা হয় এ দেশে।  তবে ডিজাইনাররা জানিয়েছেন—ততটুকুই, যতটুকু মানিয়ে যাবে এ দেশের ফ্যাশনের সঙ্গে।

মজার বিষয় হলো শীতের জুতা হয়েও ব্যালেরিনার আধিপত্য দেখা যাচ্ছে এখনো। কারণটা আর কিছুই না, ক্রেতারা কিনছেন। ব্যালেরিনার ওপর সোনালি, রুপালিসহ বিভিন্ন নকশার গ্লিটার চোখে পড়ছে বেশ। ফুলেল নকশাও আছে। পাশাপাশি লেজার কাটের নকশাও আছে।  ইদানীং ফ্যাশন জগতে স্নিকারস বা কেডসের বেশ জনপ্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। শুধু জিনসের সঙ্গে নয়, বরং একটু ভিন্ন লুক আনতে অনেকে স্কার্ট, ফ্রক,পালাজ্জোর সঙ্গেও পরছেন।

জুতার রং বেছে নেওয়ার সময় ডিজাইনাররা বেশ গভীরভাবে চিন্তা করেন।  বসন্তের রঙের যে প্যালেট আছে সেখান থেকে তারা রং বাছাই করেন । প্রকৃতি থেকেও রং নিয়ে থাকেন । বসন্ত ও গরমের সময় বিভিন্ন ধরনের ফুল দেখা যায়। এসব ফুলের রং থেকে যেগুলোকে মনে করা হয় জুতার সঙ্গে মানাবে, সেগুলো নিয়েই কাজ করা হয়।  তাই তো লাল, কালো, বাদামি, নীল, রোস গোল্ড, হট পিংক, মেরুন, কমলা, ফুশিয়া, সবুজ ইত্যাদি রং ব্যবহার করা হচ্ছে। এই সময়ের জুতা বানাতে সিনথেটিক, সোয়েড, পেটান্ট, ফ্যাব্রিক, কৃত্রিম চামড়া, চামড়া ব্যবহার করা হয়। দেওয়া হয় ম্যাট ও চকচকে (গ্লসি) ফিনিশিং।  বসন্ত ও গরমের সময়টাতে বেশ কিছু উৎসব থাকে। এসব উৎসবের কথা চিন্তা করেই জুতার ওপর নকশা করা হয়ে থাকে।

বাটার গরমের জুতাগুলোর মধ্যে ফ্ল্যাট, হাই হিল, মিড হিল, ব্লক হিল, ওয়েজ, লো ওয়েজ, কিটেন হিল পাওয়া যাচ্ছে।  বাটার চারটা বিভাগ—বাটা কমফিট, বাটা মেরি ক্লেয়ার, বাটা ইনসোলিয়া ও বাটা। বাটা কমফিটের জুতাগুলোতে আরাম খুঁজে পাবেন। ভবিষ্যতে কোনো প্রযুক্তি খুঁজে পাওয়া গেলে বাটা কমফিটের জুতাগুলোতে বিভিন্ন কাঠামো যোগ করা যাবে।  বাটা ইনসোলিয়া বাটার নতুন সংযোজন।  পেনসিল হিলে সমস্যা হলে উচ্চতা এনে দেবে ওয়েজ হিল।  বাটা ইনসোলিয়ার জুতাগুলোতে হিল থাকলেও তিন গুণ বেশি সময় পরে থাকতে পারবেন। পরিবারের সব বয়সীর জন্যই জুতা বানায় বাটা। ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের উদ্দেশ্য করেই বানানো এটি। ওটার মধ্যে আবার ওয়েজ, লো ওয়েজ ও ফ্ল্যাটও আছে।  আনুষ্ঠানিক লুক আনতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন পাম্প শু।

জুতা তৈরির সময় আরামের কথাটা চিন্তা করা হয়।  জুতাটা যেন নরম ও হালকা ওজনের হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হয়।  জুতায় ব্যবহার করা হচ্ছে ছাপা নকশা ও উজ্জ্বল রং। ওয়েজ হিল, কিটেন হিল, ব্লক হিল, পেনসিল হিলের জুতা খুঁজে পাবেন অ্যাপেক্সেও।  নিনা রসি, মুচি, স্যান্ড্রা রোজা ও ডক্টর মক বিভাগে মেয়েদের জুতা খুঁজে পাবেন। সব বয়সীর জন্য স্টাইল থেকে শুরু করে আরাম, সব ধরনের জুতাই এখানে পাওয়া যাবে বলে জানান ফারিয়া রহমান। একই রকম নকশার জুতা ২ থেকে ৪টা রঙে রাঙানো হয়।

জুতা পায়ে সুন্দর হোক আগামীর পথচলা।

ওমেন`স কর্নার বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত