৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০১৭ , ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ

চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ শুরু হবে এ মাসেই


গো নিউজ২৪ | আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৭ রবিবার
চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ শুরু হবে এ মাসেই

বর্তমান সরকারের অধীনে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প’ স্থাপনের কাজ দ্রুতগতির সাথে এগিয়ে চলছে। নানা জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনেই এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আর চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসছেন প্রকল্পের চূড়ান্ত পর্যায় কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রকল্পের একাধিক সূত্র।

এদিকে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী এমন তথ্য উপস্থাপন করে গত শুক্রবার পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভূমি মন্ত্রী, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শামসুর রহমান শরীফ এমপি’র উপস্থিতিতে এক মতবিনিময় সভাও সম্পন্ন হয়েছে।

অন্যদিকে গত শনিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নকশা ও নির্মাণ কাজের লাইসেন্স প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিএইআরএ)। এর মাধ্যমে দেশের প্রথম ও একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের মূল নির্মাণ কাজ শুরুতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল পাশাপাশি বিশ্ব পরমাণু ক্লাবে যুক্ত হল বাংলাদেশ।

সম্প্রতি পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্সের নেতৃত্বে পাবনায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার একদল সাংবাদিককে সাথে নিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজের অগ্রগতি দেখভাল করেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মহাকর্মযজ্ঞ চলছে পদ্মাপাড় সংলগ্ন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে। আর এ কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছে রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন (রসাটম)।

Caption

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সার্বিক কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হয়েছে ৫ হাজার ৮৭ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ। ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় বা শেষ পর্যায়ের কাজও। এরই অংশ হিসেবে চলতি মাসেই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ প্রকল্পের মূল স্থাপনার ‘রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং (উৎপাদন প্রন্দ্র)’ নির্মাণ কাজ।

আর এ কাজের উদ্বোধনকে সামনে রেখেই পুরোদমে চলছে স্থাপনাটির ফাউন্ডেশনের (‘ফাস্ট কংক্রিট পোরিং ডেট বা এফসিডি) সার্বিক কার্যক্রম। গেল মাসের শেষের দিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আফম রুহুল হক এমপির নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই প্রকল্পের প্রথমধাপের কার্যক্রম পরিদর্শন, চূড়ান্তপর্যায় কাজের উদ্বোধনী প্রস্তুতি দেখভালের জন্য এসেছিলেন।

তথ্যমতে, দুই পর্যায় মিলে ১ লাখ ১৮ হাজার ১৮০ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ ২০১৩ সালে শুরু হয়েছে। প্রকল্প সমাপ্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। দুই ইউনিটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে প্রকল্পের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ইউরিক মিখাউল খোসলেভ গণমাধ্যমকে জানান, ২০১৭ সালটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখন রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং তৈরির প্রস্তুতি হিসেবে সাব বেইজ তৈরি করা হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে মূল প্রকল্পের ভিত্তি। অবকাঠামো ছাড়াও অনেক কাজ চলছে। যেমন- রড, ল্যাবরেটরি, ওয়ার্কশপ ইত্যাদি সব কাজই হচ্ছে পরিকল্পিত ভাবেই। মূল স্থাপনার কাজ শুরু হলে তার পরের ৬৮ মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতিদিন রাশিয়ার বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশি কর্মী মিলে প্রায় ১ হাজারের বেশি কর্মী দিন-রাত কাজ করছেন। এ প্রকল্পের জন্য থ্রি প্লাস রিঅ্যাক্টর বসবে। যেটি বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তির। যা শুধু রাশিয়ার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রয়েছে। আর বাংলাদেশের রূপপুরেই হবে দ্বিতীয় ব্যবহার। এখানে মালিক (সরকার), সাব-কন্ট্রাক্টর ও আমরা সবাই এক কমান্ডেই কাজ করছি। কোনো সমস্যা নেই। নিরাপত্তা নিয়েও কোনো শঙ্কা নেই এমনটি নিশ্চিত করলেন এই প্রকৌশলী।

তিনি জানালেন, ২০২০ সালের মধ্যেই রিঅ্যাক্টর ভেসেলসহ সব যন্ত্রপাতিই রাশিয়া থেকে চলে আসবে। তারপর এখানে অ্যাসেম্বলিং করা হবে।

প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রকল্প পরিচালক ড. শওকত আকবর সাংবাদিকদের জানান, প্রথম পর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পাদনের জন্য প্রকল্পের শুরু থেকে মে মাস পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৮১২ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ পর্যায়ের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৮৭ কোটি ৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে মূল প্রকল্পে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত ৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকা। এ পর্যায়ের ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। প্রকৌশল চুক্তি ও নির্মাণ সিডিউল অনুযায়ীই পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে চলছে।

সম্পূর্ণ না আংশিক নিরাপদ এই বিদ্যুৎ প্রকল্প এমন প্রশ্নের উত্তরে পিডি শওকত আকবর সাংবাদিকদের বলেন, ‘ ৫ স্তরের নিরাপত্তা বলয়েই রূপপুর প্রকল্পের রিঅ্যাক্টর। এর পাশাপাশি রাশিয়ান ফেডারেশনের নির্মিত প্রযুক্তির অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ সেফটি সিস্টেমের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় কোনো ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি নেই বললেই চলে। এরপরও যদি অনাকাঙ্কিত পরিস্থিতিতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেও, এর তেজস্ক্রিয়তা জনগণের নাগালের মধ্যে যাবে না। কাজেই এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্তই বলা যায়।’
নির্মাণাধীন রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শণকালে কথা হয় কর্মরত প্রকৌশলীদের সাথে। তাদের দেয়া তথ্যে জানা যায়, বর্তমানে মূল স্থাপনার জন্য সয়েল স্টাবলিস্টমেন্টের কাজ পুরোদমেই চলছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের মাটি তুলনামূলক নরম হওয়ায় যন্ত্রের সাহায্যে মাটির অনেক গভীর পর্যন্ত সিমেন্ট মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে। এভাবে ১৭ হাজার ৪৫০ কিউবিক মিটার কংক্রিটিং এর কাজ চলছে নিরবিচ্ছিন্নভাবে। প্রথম পর্যায়ে ৪ হাজার কিউবিক মিটারের কাজ শেষ হয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারির মধ্যেই পুরোটা শেষ হবে। মূল স্থাপনার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ হবে ৭০ মিটার করে, আর ফাউন্ডেশনের থিকনেস হবে ৩ মিটার। এছাড়া আনুষঙ্গিক অনেক কাজই দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের মাধ্যমেই পাওনিয়ার বেইজ ও ইরেকশন বেইজের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এছাড়া চলছে প্রটেকশন ড্যাম (বাঁধ) তৈরির কাজ। ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার লম্বা এবং ১৩ মিটার প্রস্থ এ বাঁধের কাজও এগিয়েছে অনেকদূর। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রথম পর্যায়ে ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা ছিল। কিন্তু সেটি পর্যাপ্ত না হওয়ায় ইতোমধ্যেই ৮০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া আরও ২১৯ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। নতুনভাবে অধিগ্রহণ করা পদ্মার বিশাল চরে চলছে মাটি ভরাটের কাজ। অন্যদিকে মূল প্রকল্প এলাকার বাইরে গ্রিনসিটি আবাসন পল্লী নির্মাণের কাজ অনেকটাই শেষ পর্যায়ে। পাবনা গণপূর্ত অধিদপ্তর এগুলো বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যেই তিনটি সুউচ্চ বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এ এলাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০ তলা ১১টি বিল্ডিং এবং ১৬ তলা ৮টি বিল্ডিংয়ের কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। ২২টি সুউচ্চ বিল্ডিং তৈরি হবে এ চত্বরে। এছাড়া থাকবে মাল্টিপারপাস হল, মসজিদ ও স্কুলসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনলাইন সুত্রে জানা যায়, দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ব্যয়ের প্রকল্প হচ্ছে এ রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। মোট ব্যয়ের মধ্যে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে রাশিয়া দিচ্ছে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভিভিইআর-১২০০ (এইএস-২০০৬) রিঅ্যাক্টরের দুটি বিদ্যুৎ ইউনিটের (ইউনিট-১ ও ২) সমন্বয়ে ২ হাজার ৪শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। সেইসঙ্গে এটি পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভৌত অবকাঠামো তৈরি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার জন্য পরমাণু প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং কার্বনমুক্ত ও বেইসলোড বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ১৯৬০ সালে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। এ জন্য ১৯৬০, ১৯৭৭-৭৮ এবং ১৯৮৮-৮৯ সালে কারিগরি ও অর্থনৈতিক এবং আর্থিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। কিন্তু সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে এটি নির্মাণ সম্ভব হয়নি। সরকারের বিদ্যুৎ খাতের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের ১০ শতাংশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ থেকে পাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং গাইডলাইন অনুযায়ী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। গত জুলাই মাসে এ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন সংস্থাটির মহা-পরিচালক ইউকিয়া আমানো। এ সময় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে আইএইএ প্রদত্ত শর্তাবলী সফলতার সাথে বাংলাদেশ পূরণ করেছে বলেও মত দেন তিনি।

এদিকে রবিবার নৌমন্ত্রী শাহজাহান সিরাজ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভারী মালামাল পরিবহণের লক্ষ্যে নদী খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেছেন। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর হতে চাঁদপুর-মাওয়া-গোয়ালন্দ হয়ে পাকশী পর্যন্ত নৌপথের নব্যতা উন্নয়ন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই নদী খনন প্রকল্প গ্রহণ করে।

অপরদিকে মানিকগঞ্জের শিবালয়ে পাটুরিয়া মিনি টার্মিনালে ড্রেজিং কাজের উদ্বোধন করেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনী চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এ রুটে ৩৫০ লাখ ঘনমিটার পলি ড্রেজিং করবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হবে ৮৯৫ কোটি টাকা। নৌপথটি ১০০ মিটার প্রশস্ত ও শুষ্ক মৌসুমে ৪ মিটার (সর্বনিম্ন) গভীরতায় খনন করা হবে বলে জানা গেছে।

গোনিউজ২৪/কেআর