১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, শনিবার ২৭ মে ২০১৭ , ১১:৩৯ অপরাহ্ণ

গরুর মাংস ৬০০ টাকা!


গো নিউজ২৪ | স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আপডেট: ১১ মে ২০১৭ বৃহস্পতিবার
গরুর মাংস ৬০০ টাকা!

দিন দিন বেড়েই চলছে গরুর মাংসের দাম। আর যদি হয় কোন উপলক্ষ্য যেমন শবে বরাত বা রমজান তাহলে কোন কথাই নাই।  কসাইরা এক লাফে বাড়িয়ে দেয়। তেমনটাই হয়েছে আজ। প্রতি কেজি গরুর মাংস আজ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা দরে। 

তাঁদের অভিযোগ, শবে বরাত উপলক্ষে গরুর মাংসের চাহিদা বেড়ে গেছে। এই সুযোগে গাবতলীর পশুহাটে ইজারাদারেরা অতিরিক্ত খাজনা আদায় করায় মাংসের দাম বেড়ে গেছে।

আজ সকাল থেকেই গরুর মাংস কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড় ছিল। যেসব দোকানে একটি গরু জবাই করা হতো, আজ সেখানে পাঁচ থেকে ছয়টি গরু জবাই করা হয়। এলাকাভেদে মাংসের দামেরও পার্থক্য ছিল। 

বাড্ডা, গুলশান, রামপুরা, খিলগাঁও এলাকায় বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা দরে।  মিরপুর, আগারগাঁও এলাকায় এক কেজি মাংস রাখা হয় ৫৫০ টাকা। আগারগাঁওয়ের পাশের এলাকা কল্যাণপুরে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫১০ টাকায়। একটু এগিয়ে গেলে মোহাম্মদপুরে এর দাম ৫২০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায় ওঠানামা করে। রায়ের বাজারে ৫৫০ টাকা।

বিষয়টি শিকার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, ‘ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রামপুরা এলাকায় ৬০০ টাকা কেজিতে মাংস বিক্রি হচ্ছে। আমরাও চাই না এভাবে মাংস বিক্রি হোক। কিন্তু খাজনাসহ নানা জুলুমের শিকার হচ্ছি। প্রশাসন চাইলে দুই মিনিটে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।’

বেশি দামে মাংস বিক্রির কারণ জানতে চাইলে রবিউল আলম বলেন, ‘গতকাল গাবতলী পশুর হাটে লুটের মতো খাজনা আদায় করা হয়েছে। একটি গরুতে পাঁচ হাজার টাকা থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত খাজনা নেওয়া হয়েছে। আমরা বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের অপেক্ষায় আছি। ওনার সঙ্গে বৈঠক করে মাংসের দাম নির্ধারণ করার কথা রয়েছে। ২৫ অথবা ২৬ মে আমরা কর্মসূচির ঘোষণা দিতে পারি।’

এদিকে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগে মাংস ব্যবসায়ীদের গরুপ্রতি ৫০ টাকা, মহিষ ৭০ টাকা ও ছাগলের জন্য ১৫ টাকা করে খাজনা দিতে হতো। সাধারণ ক্রেতাদের জন্য খাজনা পশুর দামের শতকরা সাড়ে তিন টাকা নির্ধারিত ছিল। সম্প্রতি এই খাজনা গরুপ্রতি খাজনা ১০০ টাকা, মহিষের খাজনা ১৫০ টাকা ও ছাগলের জন্য খাজনা ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

তবে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে দেওয়া মাংস ব্যবসায়ীদের তালিকা অনুযায়ী এই হারে খাজনা নিয়ে গরু, মহিষ ও ছাগল বিক্রি করছেন ইজারাদারেরা। অবশ্য সাধারণ ক্রেতাদের জন্য পশুর খাজনা শতকরা সাড়ে তিন টাকাই রয়েছে।


গো নিউজ২৪/এএইচ