১০ আশ্বিন ১৪২৪, সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ৭:৩১ অপরাহ্ণ

কলার খোসার যত গুণ


গো নিউজ২৪ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ শনিবার
কলার খোসার যত গুণ

কলার খোসাও প্রচুর গুণে গুণাম্বিত। যেমন, এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার। এছাড়াও, এতে আছে স্টার্চ জাতীয় যৌগ থেকে শুরু করে শর্করা, লিগনিন, ট্যানিস। এই সব যৌগে সমন্বিত কলার খোসা শরীরের পক্ষে খুব ভাল ঔষধ। যেমন- 

১. কলার খোসা দিয়ে দাঁতের হলুদ প্রলেপকে তোলা যায়। এমনকী, দাঁতের সাদা রঙ ফেরাতে কলার খোসা খুবই উপযোগী। 

২. আঁচিল বা জড়ুল-কে নির্মূল করতেও কলার খোসা উপযোগী। আঁচিল বা জড়ুলের উপরে রাতে কলার খোসা চেপে তার উপরে ব্যান্ডেজ করুন। রাতভর এই ব্যান্ডেজ রাখতে হবে। কয়েক দিন এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। দেখবেন, আঁচিল বা জড়়ুল উধাও। 

৩. ব্রণ ও কুঁচকে যাওয়া চামড়া টানটান করতেও কলার খোসা অপরিহার্য। ব্রণ বা কুঁচকে যাওয়ার চামড়ার উপরে কলার খোসা দিয়ে ভাল করে ঘষুন। এর পর ৩০ মিনিট ওই জায়গা স্পর্শ করবেন না। সময় পার হলে ভাল করে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। কয়েক দিন পরেই দেখবেন ম্যাজিক রেজাল্ট। 
 
৪. ত্বকের সরাইয়েসিস সারাতেও কলার খোসা গুরুত্বপূর্ণ। ১০ মিনিট ধরে সরাইয়েসিসে আক্রান্ত ত্বকের উপরে কলার খোসা ঘসতে হবে। রোজ এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। দেখবেন আস্তে আস্তে ত্বকের লালচে বা পোড়া ভাবটা মিলিয়ে যাচ্ছে। 

৫. ত্বকের অ্যালার্জিক সমস্যা মেটাতেও কলার খোসা অপরিহার্য। ত্বকের যে অংশে অ্যালার্জি বা ইরিটেশন হচ্ছে, সেখানে ভাল করে কলার খোসা ঘসতে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। 

৬. পোকামাকড় কামড়ালে জ্বলুনি দূর করতেও কলার খোসা মহৌষধ। যেখানে পোকামাকড় কামড়েছে, সেখানে কলার খোসা ঘসতে হবে। এতে জ্বলুনি যেমন কমবে, তেমনি স্বস্তিও পাবেন। 

৭. ডিটারজেন্টের মতোও কাজ করে কলার খোসা। নোংরা আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে অথবা জুতো পালিশ করতে, রূপোর বাসন চকচকে করতে কলার খোসা ব্যবহার করা যেতে পারে।

গো নিউজ২৪/টবি