৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০১৭ , ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ

এবারের হজের খুতবায় যা বলা হলো


গো নিউজ২৪ | অনলাইন ডেস্ক আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ রবিবার
এবারের হজের খুতবায় যা বলা হলো

এ বছর সারা বিশ্বের প্রায় বিশ লক্ষ মুসলমান পবিত্র হজব্রত পালন করতে পবিত্র আরাফাতের ময়দানে সমবেত হন। বাংলাদেশ থেকে গেছেন মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ২২৯ জন। হজের খুতবায় হজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য উল্লেখ করে ইমাম বিভিন্ন বয়ান রাখেন।

তিনি মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য ও উত্তম রিজিক অর্জনের সম্পর্কে উল্লেখ করে বেশি বেশি ইবাদত করতে বলেন এবং হজে ইব্রাহিম (আঃ) স্মৃতি চারণ করেন। হজের নিয়ম-কানুন যথাযথ মেনে চলার তাগিদ দেন। নবী ও রসুল প্রেরণের গুরুত্ব উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রসুলগণ মানুষকে সত্যপথ দেখিয়েছেন এবং আল্লাহর একাত্ববাদের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহই সব কিছুর স্রষ্টা।

তিনি বলেন, মহানবী(সঃ) যা বলেছেন তা আল্লাহর পক্ষ থেকে বলেছেন।তিনি মহানবীর (সঃ) সাহাবিদের মতো ঈমান আনয়ন সহ মানুষকে আল্লহর প্রতি, নবী-রসুলদের প্রতি, কিতাব সমূহের প্রতি, ফেরেস্তাদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে বলেন। 

নামাজ ও যাকাত আদায় রোজা ও হজ পালনের কথা বলেন। কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত বলে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া দশম হিজরিতে নহানবী (সঃ) হজ পালন করেন, শরিয়ত মতো চলা, সুদ থেকে বিরত থাকা, আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ করার কথাও বলেন।

খুতবায় ইমাম বলেন, রসুল ছিলেন উত্তম চরিত্রের অধিকারী। তিনি মোমেন ও কাফেরদের পার্থক্যের কথা,  কোরআন যে গোটা বিশ্বের জন্য রহমত সে কথা, ন্যায় বিচার, উত্তম চরিত্রের কথা, মহানবী(সঃ) যে পিতা-মাতার সাথে ভালো ব্যবহার করতেন সে কথা বলেন। তিনি শিরক না করা ও না জেনে কথা না বলার জন্য বলেন। পরস্পরের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখা ও দরদী হবার জন্য তাগিদ দেন তিনি।

তিনি বলেন, মহানবী (সঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। খুতবায় তিনি অন্যের মালামাল হেফাজত ও সীমা লঙ্ঘন না করার জন্য বলেন। জুলম, অন্যের সম্পদ গ্রাস, প্রতিশ্রতি রক্ষা আল্লাহর আনুগত্য, শৃংখলা বিধান, সন্ত্রাসী কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন। নারী ও পুরুষদের অধিকার নিশ্চিত করা ও এ বিষয়ে শরিয়তের কঠিন তাগিদের উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, কাবা মানুষের জন্য শান্তি ও নিরাপদ, মক্কা ও মদিনার রিুদ্ধবাদীদের আল্লাহ শাস্তি দিবেন এবং তা রক্ষা করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ পাকের। মসজিদুর আকসার দায়িত্ব আবারও মুসলমানদের হবে। তিনি আরাফার দিবসের গুরুত্বেও কথা বলেন। এ দিন সবচেয়ে বেশী মানুষকে আল্লাহপাক ক্ষমা করবেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, মহানবী (সঃ) বলেছেন কোরআন আকরে থাকতে, সব বিষয়ের সমাধান কোরআন। কোরআন গবেষণার গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, হজ ও ওমরা আল্লাহর জন্য। এর প্রতিফল তিনিই দিবেন। তিনি দুই হারাম শরীফের খাদেম সৌদি বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজের সহ হাজিদের সেবায় নিয়োজিত সবার জন্য দোয়া করেন। সমগ্র মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

গো নিউজ২৪/এবি